দৌলতপুরে আসলাম মেম্বরের বিরুদ্ধে ফসলি জমির বালিকাটার অভিযোগ গ্রামবাসীর - কুষ্টিয়া জিলাইভ | truth alone triumphs

দৌলতপুরে আসলাম মেম্বরের বিরুদ্ধে ফসলি জমির বালিকাটার অভিযোগ গ্রামবাসীর

লেখক: প্রতিবেদক ঢাকা
প্রকাশ: জুন ১৯, ২০২৩
দৌলতপুরে আসলাম মেম্বরের বিরুদ্ধে ফসলি জমির বালিকাটার অভিযোগ গ্রামবাসীর

কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার প্রাগপুর ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডের মেম্বর আসলাম উদ্দিনের (৪৫) বিরুদ্ধে ফসলি জমির বালি কাটার অভিযোগ পাওয়া গেছে। সীমান্ত সংলগ্ন জামালপুর মাঠে খাস জমি থেকে এসকেভেটর (ভেকু) দিয়ে বালি কেটে বিভিন্ন স্থানে সরবরাহ ও বিক্রি করে বিপুল অংকের অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে তার বিরুদ্ধে।

দৌলতপুরে আসলাম মেম্বরের বিরুদ্ধে ফসলি জমির বালিকাটার অভিযোগ গ্রামবাসীর

দৌলতপুরে আসলাম মেম্বরের বিরুদ্ধে ফসলি জমির বালিকাটার অভিযোগ গ্রামবাসীর

দৌলতপুরে আসলাম মেম্বরের বিরুদ্ধে ফসলি জমির বালিকাটার অভিযোগ গ্রামবাসীর

বালিকাটা বন্ধে এলাকাবাসী উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও সহকারী কমিশনার (ভুমি) বরাবর লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। অভিযোগ সুত্রে জানাগেছে, উপজেলার প্রাগপুর ইউনিয়নের সীমান্ত সংলগ্ন জামালপুর গ্রামের ইউপি সদস্য আসলাম উদ্দিন মেম্বর জামালপুর মাঠের নিজ দখলীয় খাস জমি থেকে দীর্ঘ দিন যাবত ভেকু দিয়ে বালিকেটে বিভিন্ন স্থানে বিক্রয় করে আসছেন। ট্রলি প্রতি ৫শত টাকা নিয়ে উপজেলার মথুরাপুর, আড়িয়া, বোয়ালিয়া আদাবাড়িয়া, প্রাগপুরসহ বিভিন্ন এলাকায় প্রতিদিন শত শত ট্রলি ফিলিং বালি বিক্রয় করা হচ্ছে। এতে এলাকার কৃষকের ফসলি জমি ভেঙ্গে ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছেন কৃষকরা।

google news

গুগোল নিউজে আমাদের ফলো করুন

বালিকাটা বন্ধের জন্য আসলাম মেম্বরকে নিষেধ করলে তিনি উল্টো তাদের বিভিন্ন অপমান ও হেনস্থা করে থাকেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। এভাবে বালি বিক্রয়ের ফলে ১০-১২ বিঘা জমি ৩০ফুট গভীর হওয়ায় আসপাশের ফসলি জমি ভেঙ্গে যাচ্ছে। অনেকের বসত বাড়িও ধ্বসে গেছে। ভাঙ্গন আতঙ্কে আছেন অনেকে।

স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যানের সুপারিশ নিয়ে ক্ষতিগ্রস্থ কৃষি জমির মালিক ও ধ্বসে যাওয়ার আতঙ্কে থাকা বসতবাড়ির লোকজন আসলাম উদ্দিন মেম্বর বালিকাটা বন্ধের দাবি জানিয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।

উল্লেখ্য দৌলতপুর সহকারী কমিশনার (ভূমি) বালিকাটার জন্য আসলাম মেম্বরকে অর্থদন্ড দিয়ে বালিকাটা বন্ধের নির্দেশনা দিলেও তিনি প্রশাসনের নির্দেশনা না মেনে আবারও বালিকাটার উৎসবে মেতেছেন। বালিকাটা বন্ধে প্রশাসনের এক্ষুনি পদক্ষে নেওয়া জরুরী বলে ভূক্তভোগীদের দাবি।

আরও পড়ুন: