কুষ্টিয়া জিলাইভ | truth alone triumphs

প্রণোদনার গাছ রক্ষায় বাঁশের ঠেকনা’র ব্যয় নিয়ে প্রশ্ন

বিশেষ প্রতিনিধি ॥ কুষ্টিয়া সদর উপজেলার বিত্তিপাড়ায় প্রণোদনার আওতায় রোপণ করা বৃক্ষ পরিদর্শন করেছেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ রুপালি খাতুন ও অতিরিক্ত উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মীর রাকিবুল ইসলাম। পরিদর্শনের সময় রোপণ করা গাছগুলোকে সুরক্ষিত রাখতে বাঁশের ঠেকনা দেওয়ার বিষয়টি দেখা যায়। তবে ব্যবহৃত বাঁশের ধরন ও এ বাবদ ব্যয় নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয়রা। শুধু বিত্তিপাড়া এলাকা নয় গোটা উপজেলার চিত্র একই। সব গাছেই বাঁশ দিয়ে ঠেকনি দেওয়ার পরিবর্তে বাঁশকে বাতায় পরিণত করে তা ব্যবহার করা হয়েছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, রোপণ করা গাছগুলোকে বাতাসে হেলে পড়া থেকে রক্ষা করতে সাধারণত শক্ত বাঁশের খুঁটি বা উপযুক্ত ঠেকনা প্রয়োজন। কিন্তু বিত্তিপাড়ায় কিছু গাছের ক্ষেত্রে বাঁশের বাতা জাতীয় সরু উপকরণ দিয়ে ঠেকনা দেওয়া হয়েছে। এতে সরকারি প্রণোদনা কর্মসূচির বরাদ্দকৃত অর্থের যথাযথ ব্যবহার হয়েছে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। অভিযোগকারীদের দাবি, গাছপ্রতি কত টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে, ঠেকনা দেওয়ার জন্য কী ধরনের বাঁশ বা উপকরণ নির্ধারণ করা হয়েছে এবং প্রকৃতপক্ষে কত টাকা ব্যয় হয়েছে, তা প্রকাশ করা প্রয়োজন। একই সঙ্গে ক্রয়সংক্রান্ত বিল-ভাউচার ও সরবরাহের হিসাব যাচাই করলেই প্রকৃত ব্যয়ের সঙ্গে কাগজপত্রের হিসাবের কোনো পার্থক্য রয়েছে কি না, তা স্পষ্ট হবে।

কৃষি বিভাগের বিভিন্ন প্রণোদনা ও উন্নয়ন কর্মসূচিতে চারা, রোপণ, পরিচর্যা এবং গাছের সুরক্ষায় বিভিন্ন ধরনের উপকরণ ও ব্যয়ের ব্যবস্থা থাকতে পারে। তাই এ প্রকল্পে গাছপ্রতি বা উপকারভোগীপ্রতি কত টাকা বরাদ্দ, ঠেকনা বাবদ কত টাকা ধরা হয়েছে এবং কোন ক্রয়প্রক্রিয়ায় উপকরণ কেনা হয়েছে, তা জানা জরুরি। স্থানীয়দের প্রশ্ন, প্রকল্পের কাগজপত্রে যদি নির্দিষ্ট মানের বাঁশ বা নির্দিষ্ট পরিমাণ ব্যয় উল্লেখ থাকে, তাহলে মাঠপর্যায়ে তার সঙ্গে বাস্তব ব্যবহৃত উপকরণের মিল রয়েছে কি না, সেটিও তদন্ত করা দরকার। বিষয়টি নিয়ে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ রুপালি খাতুনের বক্তব্য নেওয়ার জন্য অফিসে গিয়ে তাদের পাওয়া যায় নি। 

Tags :

কুষ্টিয়া জেলা নিউজ ডেক্স, কুষ্টিয়া জিলাইভ

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

সর্বশেষ খবর