কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল উদ্বোধন উপলক্ষে আলোচনা সভা - কুষ্টিয়া জিলাইভ | truth alone triumphs

কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল উদ্বোধন উপলক্ষে আলোচনা সভা

লেখক: প্রতিবেদক ঢাকা
প্রকাশ: নভেম্বর ১৫, ২০২৩
কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল উদ্বোধন উপলক্ষে আলোচনা সভা

মঙ্গলবার (১৪ নভেম্বর) সকাল ১১ টায় কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল উদ্বোধন উপলক্ষে আলোচনা সভা অনষ্ঠিত হয়েছে। উক্ত আলোচনা সভায় কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ মাহাবুবুর রহমান খান’র সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন কুষ্টিয়া-৩ (সদর) আসনের সাংসদ ও বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহাবুবউল আলম হানিফ।

কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল উদ্বোধন উপলক্ষে আলোচনা সভা

কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল উদ্বোধন উপলক্ষে আলোচনা সভা

কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল উদ্বোধন উপলক্ষে আলোচনা সভা

এছাড়াও বিশেষ অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন, কুষ্টিয়ার জেলা প্রশাসক এহেতেশাম রেজা, পুলিশ সুপার এইচ এম আবদুর রকিব, জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি ও জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ¦ সদর উদ্দিন খান, জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা আজগর আলী, কুষ্টিয়া-৪ (কুমারখালী-খোকসা) আসনের সংসদ সদস্য ও বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ব্যারিস্টার সেলিম আলতাফ জর্জ, কুষ্টিয়া-১ (দৌলতপুর) আসনের সংসদ সদস্য আ. কা. ম সরোয়ার জাহান বাদশা, কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজের প্রকল্প পরিচালক ডা. সরোয়ার জাহান চৌধুরী, কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজের অর্থপেডিক বিভাগের অধ্যাপক ডা. এ এইচ এম মাহাবুব হাসান, মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ ডা. দেলবার হোসেন, কুষ্টিয়া জেলা আওয়ামীলীগের সিনিয়িন সহ-সভাপতি হাজী রবিউল ইসলাম, কুষ্টিয়া জেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি ডাঃ আমিনুল ইসলাম রতন, কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ ডাঃ এস এম মোস্তানজিদ, কুষ্টিয়ার সিভিল সার্জন ডাঃ এইচ এম আনোয়ারুল ইসলাম এবং কুষ্টিয়া সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও শহর আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক আতাউর রহমান আতা।

এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন ভোড়ামারা পৌরসভার সাবেক মেয়র ও ভেড়ামারা উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক আলহাজ¦ শামিমুল ইসলাম ছানা, কুমারখালী পৌরসভার মেয়র ও উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক সামছুজ্জামান অরুন, খোকসা পৌরসভার মেয়র ও উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক প্রভাষক তারিকুল ইসলাম, মিরপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক কামারুল আরেফীন, জেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক প্রকৌশলী ফারুক উজ জামান, মহিলা বিষয়ক সম্পাদক এ্যাড. শিলা রাণী, যুব ও ক্রিড়া বিষয়ক সম্পাদক ইকবাল মাহমুদ, সাংগঠনকি সম্পদক আমজাদ হোসনে রাজু, এ্যাড. হাসানুল আসকার হাসু, মাযহারুল আলম সুমন, জেলা মহিলালীগের সভাপতি জেবুন নিসা সবুজ, শহর আওয়ামীলীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা তাইজাল আলী খান, কুষ্টিয়া সদর উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি এ্যাড. আ স ম আখতারুজ্জামান মাসুম, সদর উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক রেজাউল হক, জেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের সভাপতি ইয়াসির আরাফাত তুষার, সাধারণ সম্পাদক মানব চাকী, শহর আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি মানজিয়ার রহমান চঞ্চল, জেলা আওয়ামীলীগের সদস্য হাবিবুল হক পুলক এবং জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক শেখ হাফিজ চ্যালেঞ্জ সহ জেলা আওয়ামীলীগ ও অঙ্গ সংগঠনের নেতা কর্মিরা।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা আজগর আলী বলেন, বাংলাদেশে একটি দল আছে যারা সিমেন্ট বালু দিয়ে ভিত্তিপ্রস্থর স্থাপন করেছিলো। কিন্তু আওয়ামীলীগ সরকার সেই জায়গায় মেডিকেল কলেজ তৈরি করেছে। আজকের এই উদ্ধোধনী অনুষ্ঠানে আমি থাকতে পেরে গর্বিত। কুষ্টিয়াতে মাহবুবউল আলম এমপি’র মতো যোগ্য নেতা আছে বলেই এটা সম্ভব হয়েছে। আমরা নেতাকে সঙ্গে করে এই কুষ্টিয়ার মাটি থেকে অশুভ শক্তিকে পরাজিত করে নৌকা প্রতীককে চারটি আসনে জয়যুক্ত করিয়ে শেখ হাসিনা’র হাতকে আরো শক্তিশালী করবো। আমি বিশ্বাস করি বাংলাদেশের উন্নয়নের ধারাকে অব্যহত রাখতে দেশের জনগণ আবারও নৌকা প্রতীকে ভোট দেবে।

বক্তব্য প্রদান কালে জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি ও জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা সদর উদ্দিন খান বলেন, মেডিকেল কলেজ সকল প্রতিকুলতার মধ্য দিয়ে আজকে উদ্বোধন হচ্ছে। এই মেডিকেল কলেজের রুপকার, ভিত্তিস্থাপন এবং বাস্তবায়নের একমাত্র ব্যক্তি হিসাবে কুষ্টিয়ার অহংকার বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহাবুবউল আলম হানিফ এমপি। কত প্রতিকুলতা ও বিড়াম্বনার মধ্যে তিনি এই কাজটি করেছেন তা বলে শেষ করা যাবে না। মেডিকেল কলেজে ভর্তি শুরু হওয়ার পর প্রথম ব্যাচের ছাত্র-ছাত্রীরা অনেক কষ্ট করে করেছে। আজকের এই সুন্দর অবকাঠামো, সুন্দর পরিবেশ, সমস্ত ডাক্তার ও পরিচালক সহ সবার প্রতি অনুরোধ থাকবে শিক্ষার মান ও সেবার দিক দিয়ে কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজের সুনাম ও সুখ্যাতি যেন বাংলাদেশের মধ্যে সবার উপরে থাকে।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে মাহবুবউল আলম হানিফ এমপি বলেন, কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ নিয়ে ইতিপূর্বে আরেকবার মানুষকে ধোকা দিয়েছিলো। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা উন্নয়নের মাধ্যমে বাংলাদেশকে বদলে দিয়েছেন। আজকে বাংলাদেশ সমগ্র বিশে^র কাছ উন্নয়ন ও অগ্রগতির একাট রোল মডেল। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা থাকলে আমরা বাংলাদেশের আরো উন্নয়ন করতে পারবো। কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ কুষ্টিয়া সহ পাশ^বর্তী মেহেরেপুর, ঝিনাইদহ ও রাজবাড়ী জেলার মানুষের কাছে বহুল কাঙ্খিত একটি স্বপ্ন। যেই স্বপ্নের আজ বাস্তবায়ন হলো। এই অঞ্চলের মানুষের কঠিন কোন রোগ হলে আমাদের আশে পাশে সাপোর্ট দেওয়ার মতো কোন হাসপাতাল ছিলো না। কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ হাসাপাতালে সকল ধরণের রোগের চিকিৎসা করার সুযোগ তৈরি হবে। এরপরে যে কোন রোগের জন্য ঢাকা বা রাজশাহী যাওয়ার প্রয়োজন হবে না। আমাদের ইচ্ছা আছে এই মেডিকেল কলেজ হাসপাতালকে আরো অনেক বর্ধিত করা। কার্ডিয়েক ও পিগেটিভ সেন্টার সহ আরো চার পাঁচটি বিষেশায়িত বিভাগ করার ইচ্ছা আমাদের আছে। কুষ্টিয়া সহ আশে পাশের জেলা গুলার মানুষ সর্বোচ্চ চিকিৎসা সেবা এখান থেকে পাবে। হানিফ এমপি আরো বলেন, আগামী ১৬ তারিখে হয়তো নির্বাচন কমিশন জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করবে। সেই অনুযায়ী হয়তো ২০২৪ সালের জানুয়ারীর প্রথম সপ্তাহে জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এই নির্বাচন কিন্তু বানচাল করার চেষ্টা করা হচ্ছে। এই নির্বাচনকে বন্ধ করার জন্য, এই নির্বাচনকে বাধাগ্রস্থ কারার জন্য বেশ কিছু দিন ধরে চেষ্টা করা হচ্ছে। নির্বাচন বানচাল করতে বাংলাদেশী রাজনৈতিক দলের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক চক্রান্ত কিন্তু আছে। অনেক দেশের তৎপরতা লক্ষ করা যায়, যারা এই নির্বাচন নিয়ে নানান কথা বলছে। আমরা চাই আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন সকল দলের অংশগ্রহনে হোক।

নির্বাচনে অবাধ, সুষ্ঠ ও নিরপেক্ষ করতে আমাদের সরকার বদ্ধ পরিকর, প্রধানমন্ত্রী একথা অনেকবার বলেছেন। আমরা বিশ্বাস করি আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন সকল দলের অংশ গ্রহন, অবাধ, সুষ্ঠ এবং নিরপেক্ষ হবে। নির্বাচনে আমাদের ক্ষমতা নেই। কারণ প্রধানমন্ত্রী যে ভাবে দেশকে উন্নয়ন করে এগিয়ে নিয়ে গেছেন, আজকে দেশ চরম দারিদ্র দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশে পরিণত হয়েছে। বিশবাসি বলছে, উন্নয়নের ধারা যদি এইভাবে অব্যাহত থাকে তাহলে বাংলাদেশ ২০৩১ সালের মধ্যে মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত হবে। ২০৪১ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে উন্নত দেশে পরিণত করার লক্ষ নিয়ে কাজ করছে প্রধানমন্ত্রী। শেখ হাসিনা বাংলাদেশকে বদলে দিয়েছ। অপনারা লক্ষ করলে দেখবেন, এখন (কুষ্টিয়া) থেকে ঢাকা তিন ঘন্টায় আমরা চলে যেতে পারি। আজকে পদ্মা সেতু হওয়ার কারণে আমরা সরাসরি চলে যেতে পারছি। ট্রেনে পদ্মা সেতু দিয়ে তিন ঘন্টা থেকে সাড়ে তিন ঘন্টায় পদ্মা সেতু দিয়ে ঢাকা’য় যেতে পারছে। সারা দেশে যোগাযোগ ব্যবস্থার অভূতপূর্ব উন্নয়ন হয়েছে।