কুষ্টিয়ার চাউল ব্যবসায়ীকে মারধরের অভিযোগ - কুষ্টিয়া জিলাইভ | truth alone triumphs

কুষ্টিয়ার চাউল ব্যবসায়ীকে মারধরের অভিযোগ

লেখক: প্রতিবেদক ঢাকা
প্রকাশ: ফেব্রুয়ারি ১৭, ২০২৬

বিশেষ প্রতিনিধি ॥ কুষ্টিয়ার খাজানগর এলাকায় ধান-চাউল ব্যবসায়ী ওমর ফারুককে মারধরের অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় যুবদল নেতা হানিফের বিরুদ্ধে। ঘটনাটি ঘটে কুষ্টিয়া সদর উপজেলার খাজানগর ঘোষপাড়ায় একটি বাড়িতে বিয়ের দাওয়াত অনুষ্ঠানে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দাওয়াতে অংশ নিতে যান ধান-চাল ব্যবসায়ী ওমর ফারুক। একই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন যুবদল নেতা হানিফও। অভিযোগ রয়েছে, সেখানে হানিফ ওমর ফারুককে উদ্দেশ্য করে ভোট দেয়া নিয়ে উচ্ছৃঙ্খল ও আপত্তিকর মন্তব্য করেন। ওমর ফারুক কোনো জবাব না দিলে একপর্যায়ে হানিফ আরও কটূক্তি করেন এবং পরে তার গায়ে হাত তোলেন।

ঘটনার খবর দ্রুত এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয় লোকজন ঘটনাস্থলে জড়ো হন। তারা হানিফের গ্রেফতারের দাবিতে প্রায় দুই ঘণ্টা সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ মিছিল করেন। এতে এলাকায় উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। পরবর্তীতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও সেনাসদস্যরা ঘটনাস্থলে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। তারা উপস্থিত জনতাকে আশ্বস্ত করেন যে, অভিযুক্ত হানিফকে আটকের চেষ্টা চলছে। পুলিশ জানিয়েছে, হানিফকে আটক করার পর তার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এদিকে, ওমর ফারুক দাবি করেন, গত ১৭ মাসে হানিফ তার কাছ থেকে প্রায় ১৯ লাখ টাকা চাঁদা নিয়েছেন।

তিনি আরও অভিযোগ করেন, “আমি এক সময় আ.লীগ করতাম, সেই কারণেই আমাকে দীর্ঘদিন ধরে হয়রানি করা হয়েছে। কয়েকদিন আগে আবার চাঁদা দাবি করলে আমি দিতে অস্বীকৃতি জানাই। সেই ক্ষোভ থেকেই আজ আমাকে মারধর করা হয়েছে। প্রত্যক্ষদর্শী আব্দুর রহমান জানান, ঘটনার সময় যুবদল নেতা হানিফ ওমর ফারুক উদ্দেশ্য করে বলে, জাকির সরকারকে বাসায় ডেকে ভোট দেয়ার প্রতিশ্রুতি দিলেও ধানের শীষে ভোট দেন নি আপনারা। জবাবে ওমর ফারুক বলেন, এখানে এ সব কথা নয়, আমার অফিসে আসুন কথা হবে। এতে উত্তেজিত হয়ে মিলন তাকে কিল-ঘুষি মারেন। এ সময় হট্টগোল হলে ওমর ফারুক দ্রুত চলে যায়। এ বিষয়ে অভিযুক্ত হানিফের বক্তব্য জানা যায়নি। কুষ্টিয়া মডেল থানার ওসি কবির হোসেন মাতুব্বর জানান, ‘ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ ও সেনাবাহিনী ঘটনাস্থলে যায়। পরিস্থিতি এখন শান্ত রয়েছে। অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেয়া হবে।