কুষ্টিয়ার ঘোড়ারঘাট রাসেল ফার্মেসিতে দীর্ঘদিন ধরে চলছে মাদকের ব্যবসা
কুমারখালী কয়া ইউনিয়নে রাসেল ফার্মেসি খুব কৌশলে নিষিদ্ধ ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট দীর্ঘদিন যাবত বিক্রয় করে আসছে। বিভিন্ন এলাকা থেকে নানা পেশার মানুষ তার এই ফার্মেসির দোকানে ভিড় জমায়। স্বল্প পরিশ্রমে ধনী হওয়ার তীব্র যাতনায় এই রাসেল, ডিসপেন্সারি পণ্য বেচাকেনার পাশাপাশি মরণ ব্যাধি মাদক ব্যবসায় লিপ্ত হয়।

কুষ্টিয়ার ঘোড়ারঘাট রাসেল ফার্মেসিতে দীর্ঘদিন ধরে চলছে মাদকের ব্যবসা
জানাযায় যুব সমাজ ধ্বংসকারী এই রাসেল তার অপকৌশল অবলম্বন করে দেদারসে তার মাদক ব্যবসা গোপনীয়তার সঙ্গে পরিচালনা করে যাচ্ছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় একজন দোকানদার জানান, রাসেল ফার্মেসির স্বত্বাধিকার রাসেল দীর্ঘদিন যাবত ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট সহ অল্প বয়সের ছেলেদেরকে ঘুমের ওষুধ ডাক্তারি ব্যবস্থাপত্র ছাড়াই তাদের হাতে তুলে দেন। এমনকি একজন মহিলা তার দোকানে ওষুধ কিনতে গেলে ভুলে সে তার হাতে ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট হাতে ধরিয়ে দেন। রাসেল কুষ্টিয়া, কুমারখালী উপজেলা কয়া ইউনিয়নের ঘোড়ারঘাট এলাকার বাসিন্দা সাবান’র পুত্র।
স্থানীয়রা জানান, অনেক আগে থেকে রাসেল ফার্মেসীর রাসেল মাদক বেচাকেনা করে আসছেন। সে তার পরিচিত লোকজন ছাড়া কারো কাছে এই মরণব্যাধি নেশা দ্রব্য বিক্রয় করে না তাছাড়া বিভিন্ন ইঙ্গিত, ইশারা দ্বারা এবং কোডের মাধ্যমে মাদক বেঁচে থাকেন। বছর দুই আগে গোপন তথ্যের ভিত্তিতে কুমারখালী থানা পুলিশ তার দোকানে অভিযান পরিচালনা করেছিলেন। কিন্তু রাসেলের অপকৌশল এর কাছে কুমারখালী থানা পুলিশ ব্যর্থ হয়। গোপন সূত্রে জানা যায় একজন মহিলাকে দিয়ে দোকানের সমস্ত ট্যাণ্ডেটল ট্যাবলেট সরিয়ে ফেলে।
পুলিশ যেন সন্দেহ না করতে পারে এবং কোন প্রকারের সার্চ না করতে পারে সেজন্য তিনি সেই মহিলাকে কাস্টমার রুপি ব্যবহার করে মাদক সরিয়ে ফেলে । সচেতন মহলের দাবি অদম্য এই মাদক ব্যবসায়ী রাসেলকে এখনই যদি থামানো না যায় তবে অচিরেই কিশোর সহ যুব সমাজ ধ্বংস হয়ে যাবে। এ বিষয়ে স্থানীয়রা কুষ্টিয়া জেলা প্রশাসন সহ গুরুত্বপূর্ণ মহলের দৃষ্টি আকর্ষণ করার জোর দাবি জানান।
