মিরপুর প্রতিনিধি ॥ বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনে পুলিশের গুলিতে নিহত কুষ্টিয়ায় তিন শহীদ পরিবারকে নগদ অর্থ সহায়তা প্রদান করেছে জামায়াত ইসলামী কুষ্টিয়া জেলা শাখার নেতৃবৃন্দ। গতকাল শনিবার (১০ আগস্ট) দুপুরের দিকে সদর উপজেলার হাটশ হরিপুর ইউনিয়নে তিনজন শহীদের বাড়িতে যান এবং তাদের পরিবারের সাথে কথা বলেন ও আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হয়।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন কুষ্টিয়া জেলা জামায়াতের সাবেক আমীর এ কে এম আলি, কুষ্টিয়া জেলা জামায়াতের আমীর অধ্যাপক আবুল হাশেম, জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি অধ্যাপক সোজা উদ্দিন জোয়ার্দার, কুষ্টিয়া সদর উপজেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা শরিফুল ইসলাম ও কুষ্টিয়া শহর ছাত্রশিবিরের সভাপতি হাফেজ সেলিম রেজা সহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ। কুষ্টিয়া জেলা জামায়াতের সাবেক আমীর এ কে এম আলি বলেন, আজকের এ অবস্থানে আসতে অসংখ্য ছাত্র শহীদ হয়েছেন। তাদের সবসময় আমরা স্মরণ করবো। এ সূর্য সন্তানদের জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া দাবি জানাবো।
সবার আগে সুন্দর একটি পরিবেশ সৃষ্টি করা জরুরি বলেও জানান তিনি। দেশে এখনো ষড়যন্ত্র হচ্ছে উল্লেখ করে জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি অধ্যাপক সোজা উদ্দিন জোয়ার্দার বলেন, স্বৈরাচার সরকার দেশ থেকে চলে গেলেও তাদের প্রেতাত্মারা এখনো ষড়যন্ত্র করছে। কেউ যেন আর রাষ্ট্রীয় সম্পদের ক্ষতি করতে না পারে সেজন্য সজাগ থাকতে হবে। আমরা এতে ব্যর্থ হলে এতজন শিক্ষার্থীর জীবন বৃথা যাবে। তিনি আরও বলেন, আমাদের সংগঠনের পক্ষ থেকে সকল উপজেলায় টিম করে মন্দির পাহারাসহ শৃঙ্খলা রক্ষার্থে কাজ করছে। হিন্দুরা দেশে সংখ্যালঘু নয়। এই ধরনের কোনো শব্দ নেই।
সকলে আমরা একসঙ্গে বসবাস করব। তারাও আমাদের ভাই। পরিবেশ ঘোলাটে করার জন্য মন্দিরে হামলার গুজব ছড়ানো হচ্ছে। কুষ্টিয়া জেলা জামায়াতের আমীর অধ্যাপক আবুল হাশেম বলেন, ছাত্র আন্দোলনে নিহত পরিবারের পাশে আমরা যাচ্ছি। তাদের পরিবারকে আর্থিক সহায়তা করছি একইসাথে আহত শিক্ষার্থীর চিকিৎসা ব্যয় বহন করা হচ্ছে। আমরা তাদের পরিবারের পাশে দাঁড়াব।
