কুমারখালী প্রতিনিধি ॥ কুষ্টিয়ার কুমারখালীর রেলসেতুর নিচ থেকে উদ্ধার করা গলাকাটা দ্বিখণ্ডিত মরদেহের পরিচয় পাওয়া গেছে। তার নাম আব্দুস সাত্তার (৭০)। তিনি পাবনার সুজানগর থানার শ্যামনগরের আবু বক্করের ছেলে। মৃত ব্যক্তির পকেটে থাকা একটি প্রেসক্রিপশনের সুত্র ধরে পরিচয় খুঁজে বের করে পুলিশ।
গতকাল মঙ্গলবার (৪ নভেম্বর) বিকেলে মরদেহটি শনাক্ত করেন তাঁর ছেলে উজ্জল খাঁ। এরআগে, গতকাল দুপুর একটার দিকে কুষ্টিয়া-রাজবাড়ী রেলপথের কুমারখালীর চাপড়া ইউনিয়নের লাহিনীপাড়া এলাকার লোহার সেতুর নিচ থেকে মরদেহটি উদ্ধার করে রেলওয়ে পুলিশ। পরে ময়নাতদন্তের জন্যে মরদেহটি কুষ্টিয়া সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়। ধারণা করা হচ্ছে ভোর সাড়ে চারটার দিকে নকশী কাঁথা ট্রেনে কাটা পড়ে এ ঘটনা ঘটতে পারে। এ তথ্য জানিয়েছেন কুষ্টিয়া পোড়াদহ রেলওয়ে পুলিশের উপপরিদর্শক নুরুল ইসলাম।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, গতকাল মঙ্গলবার সকালে গড়াই নদীর ওপর নির্মিত লোহাল রেলসেতুর নিচে এক বৃদ্ধের গলাকাটা মরদেহ দেখতে পান স্থানীয়রা। পরে তারা কুমারখালী থানা পুলিশকে ফোন দেন। থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে রেলওয়ে পুলিশে খবর দেয়। এরপর দুপুর একটার দিকে মরদেহটির সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করে কুষ্টিয়া সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে রেলওয়ে পুলিশ।
নিহত আব্দুস সাত্তারের ছেলে উজ্জল খাঁ বলেন, বাবা সোমবার সকালে বাড়ি থেকে বেড়িয়েছিল মধুখালী বোনের বাড়ি যাওয়ার জন্য। কিন্তু সেখানে যাননি। পরে আজ (গতকাল) জানলাম ট্রেনেকাটা পড়ে মারা গেছেন।
কুষ্টিয়ার পোড়াদহ রেলওয়ে পুলিশের উপপরিদর্শক নুরুল ইসলাম বলেন, গলাকাটা দ্বিখণ্ডিত মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্যে মর্গে পাঠানো হয়েছে। পকেটে থাকা একটি প্রেসক্রিপশনের সুত্র ধরে মৃত ব্যক্তির পরিচয় খুঁজে পাওয়া গেছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে সকালেরদ নকশীকাঁথা ট্রেনে কাটা পড়ে এ ঘটনা ঘটতে পারে।
