গত ৬ নভেম্বর ২০২৩ ইং প্রাথমিক শিক্ষা অধীদপ্তরের সহকারী পরিচালক মোঃ তৌহিদুল ইসলাম স্বাক্ষরিত ‘‘প্রাথমিক শিক্ষা ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সমন্বয় সভার সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন” শীর্ষক একটি চিঠি বাংলাদেশের সকল জেলার

যার স্মারক নং ৩৮.০১.০০০০.৪০০.৯৯.০০৬.২১.৩৬৩। ঐ চিঠিতে জানানো হয়, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অক্টোবর ২০২৩ মাসের সমন্বয় সভার অনুচ্ছেদ ১৮ (ঢওও) এর সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষদের নিয়মিত বিদ্যালয়ে উপস্থিত হয়ে শ্রেণি কার্যক্রম পরিচালনার বিষয়ে এবং কোন প্রকার রাজনিতিতে সংযুক্ত না হওয়ার বিষয়ে সতর্ক করতে হবে।
এদিকে সরকারী কোন নিয়মনীতি তোয়াক্কা না করে কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলার স খোর্দ্দ তারাপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক উজ্জ¦ল হোসেনকে দেখা যায় আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে দকী ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ডে আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী সেলিম আলতাফ জর্জের নির্বাচনী প্রচারণা করতে এবং হ্যান্ডবিল বিভিন্ন ম্যেণী পেশার মানুষের মাঝে বিতরণ করেত। যার ছবি তিনি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে নিজ নামীয় আইডি থেকে পোষ্ট করেছেন।
এই বিষয়ে শিক্ষক উজ্জ্বল হোসেনের মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে তিনি জানান, আমাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়েছে। আমার ভূল হয়ে গেছে। এরকম আর হবে না।
এই বিষয়ে কুষ্টিয়া জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মোস্তাফিজুর রহমান এর মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, তাকে ইতিমধ্যে শোকজ করা হয়েছে। দেখি কি জবাব দেয়। তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এই বিষয়ে কুমারখালীর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহাবুবুল হক’র মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আপনি তার নাম ঠিকানাটা আমাকে দেন আমি বিষয়টি দেখতেছি।
