কুমারখালীতে গরু চুরি করতে এসে আন্তঃজেলা ৩ ডাকাতকে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশে সোপর্দ, দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার
কুষ্টিয়া কুমারখালীতে গরু চুরি করতে এসে ৩ জন আন্তঃজেলা ডাকাতকে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেছে জনগণ। এই সময় আরো দুই ডাকাত পালিয়ে গেছে বলে জানা যায়।

কুমারখালীতে গরু চুরি করতে এসে আন্তঃজেলা ৩ ডাকাতকে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশে সোপর্দ, দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার
বুধবার রাত ১ টার দিকে নন্দলালপুর ইউনিয়নের হাবাসপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। আটককৃতরা হলেন, খোকসা আমবাড়িয়া গ্রামের সিদ্দিক মন্ডলের ছেলে রতন মন্ডল(৩২), পাবনা সাতবাড়িয়া গ্রামের মৃত বিল্লাল এর ছেলে ফারুক মন্ডল (৪০), ঢাকা মোহাম্মদপুর এলাকার শেখ পাঞ্জার ছেলে ইউসুফ শেখ। পলাতক আসামীরা হলেন, জাহাঙ্গীর (৩৩), পিতা: অজ্ঞাত, সাং: চর মোহাম্মাদপুর, থানা: দোহার, জেলা: ঢাকা, ৫. পলাতক আসামী জামাল (৪২), পিতা: অজ্ঞাত, সাং: চর মোহাম্মাদপুর, থানা: দোহার, জেলা: ঢাকা।
এলাকাবাসীরা বলেন, গত মঙ্গলবার রাতে স্থানীয় মোশারফ হোসেনের তিনটি গরু চুরি হয়ে যায়। টের পেয়ে ওই রাতেই স্থানীয়রা খোঁজাখুঁজি করে একটি গরু চরে পাওয়া যায়। এরপর গত বুধবার রাতে ফের রতন, ইউসুফ ও ফারুক নামে তিনজন অপরিচিত লোক গড়াই নদীতে ট্রলার থামিয়ে এলাকায় ঘুরাফেরা করছিল। সেসময় গ্রামবাসী তাঁদের আটক করে ব্যাপক গণধোলাই দেয়। পরে খবর পেয়ে পুলিশ তাঁদের উদ্ধার করে। এবিষয়ে প্রত্যক্ষদর্শী বিপুল নামে একজন বলেন, মঙ্গলবার রাতে আমার ভাই দুইটি গরু চুরি হয়। আর পরের রাতে আবার তিনজন নদীতে ট্রলার থামিয়ে এলাকায় চুরির পায়তারা করতেছিল।
সেসময় এলাকাবাসী তাঁদের ধরে মারপিট করে পুলিশে দিয়েছে। চাপড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এনামুল হক মঞ্জু বলেন, তিনজন চোর কে জনগণ মারপিট করতেছিল। পরে খবর পেয়ে পুলিশ তাঁদের নিয়ে গেছে। বাঁধবাজার ক্যাম্পের ইনচার্জ (এসআই) ইমদাদুর রহমান জানান, আগের রাতে এলাকায় চুরির ঘটনা ঘটে। পরের রাতে চোর সন্দেহে তিনজনকে জনগণ মারপিট করেছে। খবর পেয়ে পুলিশ তাঁদের উদ্ধার করে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে হেফাজতে নেয়।
কুমারখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ আকিবুল ইসলাম আকিব বলেন, ডাকাতির প্রস্তুতিকালে তিন আন্তঃজেলা ডাকাত দলের তিন ডাকাত সদস্য কে আটক করা হয়। এই সময় তাদের কাছ থেকে দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করে হয়। পালাতক অন্য আসামিদের ধরতে অভিযান অব্যহত রয়েছে। বৃহস্পতিবার দুপুরে আসামিদের কোর্টে প্রেরণ করা হয়েছে।
