কুমারখালীতে এসিল্যান্ডের নাম ভাঙিয়ে চাঁদা দাবির অভিযোগ - কুষ্টিয়া জিলাইভ | truth alone triumphs

কুমারখালীতে এসিল্যান্ডের নাম ভাঙিয়ে চাঁদা দাবির অভিযোগ

লেখক: প্রতিবেদক ঢাকা
প্রকাশ: সেপ্টেম্বর ২৯, ২০২৪

কুমারখালী প্রতিনিধি ॥ কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলা সহকারী কমিশনারের (ভূমি) (এসিল্যান্ড) পরিচয় দিয়ে বিভিন্ন ব্যবসায়ী ও ইটভাটা মালিকদের কাছে চাঁদা দাবির অভিযোগ পাওয়া গেছে। ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে ভ্রাম্যমাণ আদালতের ভয় দেখিয়ে একটি ফোন নাম্বার (০১৯৩৪-৪৭০৫৯৬) থেকে চাঁদা দাবি করা হয়। তবে ওই নাম্বারটি কার?  বা কে চাঁদা দাবি করেছে?  তা এখন পর্যন্ত নিশ্চিত করতে পারেনি প্রশাসন। এবিষয়ে গতকাল শনিবার (২৪ সেপ্টেম্বর ) বিকেল ৩ টা ২৫ মিনিটের দিকে উপজেলা সহকারী কমিশনারের অফিসিয়ালে ফেসবুকে একটি সতর্কীকরণ স্ট্যাটাস দেওয়া হয়েছে।

স্ট্যাটাসে লেখা হয়েছে, ‘কুমারখালী উপজেলার বিভিন্ন ব্যবসায়ী, ভাটা মালিক, প্রতিষ্ঠান মালিকের নিকট এসি ল্যান্ড, কুমারখালী পরিচয় প্রদান করে ‘মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হবে’ মর্মে ০১৯৩৪-৪৭০৫৯৬ এই নম্বর থেকে কল দেওয়া হচ্ছে-চাঁদা চাওয়া হচ্ছে। ইতঃপূর্বেও এমন ঘটনা ঘটেছে। স্ট্যাটাসে আরো লেখা হয়েছে, ‘ কবে, কোথায়, কিভাবে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হবে সেটি একান্তই অতীব গোপনীয় বিষয়। এ বিষয়ে কোন ব্যক্তি-প্রতিষ্ঠানকে আগে থেকে কল দিয়ে অভিযান পরিচালনার প্রশ্নই আসে না।

সুতরাং, এসি ল্যান্ড পরিচয় প্রদানকারী এরকম প্রতারণামূলক কল-মেসেজ পেলে কোনভাবে বিভ্রান্ত না হয়ে তাৎক্ষণিক এসি ল্যান্ড, কুমারখালীর নম্বর ০১৭৩০-৪৭৩৬৩৬ বা ০১৩২০-১৪৭২২৭ (থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা) নম্বরে অভিযোগ জানানোর অনুরোধ রইলো। এতথ্য নিশ্চিত করে উপজেলা সহকারী কমিশনার ( ভূমি) মো. আমিরুল আরাফাত বলেন, এসিল্যান্ডের পরিচয় দিয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালতের ভয় দেখিয়ে একটি নাম্বার থেকে বিভিন্ন ব্যবসায়ীর কাছে চাঁদা দাবি করা হয়েছে। কাউকে চাঁদা না দেওয়ার জন্য ফেসবুকে সতর্কীকরণ পোষ্ট দেওয়া হয়েছে।

বিষয়টি মৌখিকভাবে থানা পুলিশকে জানানো হয়েছে। নাম প্রকাশ না করা শর্তে চাপড়া ইউনিয়নের একজন ইটভাটা মালিক বলেন, দুপুরে (০১৯৩৪-৪৭০৫৯৬) এই নাম্বার থেকে কল আসে। রিসিভ করতে কুমারখালীর এসিল্যান্ডের পরিচয় দেন প্রথমে। এরপর মোবাইল কোর্টের ভয় দেখিয়ে চাঁদা দাবি করেন। তবে নির্দিষ্ট কোনো পরিমান উল্লেখ করেনি অজ্ঞাত ব্যক্তি। কুমারখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ( ওসি) মো. আকিবুল ইসলাম বলেন, প্রযুক্তির সাহায্যে অভিযুক্ত নাম্বারটির বিস্তারিত জানার চেষ্টা চলছে।