নিজ সংবাদ ॥ কুষ্টিয়া সদরের আইলচারা ইউনিয়নের ৪ নং ওয়ার্ডের সদ্য বহিস্কৃত যুবদল কর্মী হানিফ কবিরাজ সহ চার ভাইয়ের বিরুদ্ধে এজাহার দাখিল করেছেন বলে নিশ্চিত করেছেন খাজানগরের চাউল ব্যবসায়ী হাজী মো. ওমর ফারুক। গতকাল সোমবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) সন্ধায় কুষ্টিয়া মডেল থানায় এজাহার দাখিল করা হয়। দাখিলকৃত এজাহারে ব্যবসায়ী হাজী ওমর ফারুক উল্লেখ করেন, কুষ্টিয়া সদর উপজেলায় আইলচারা ইউনিয়নের ৪ রং ওয়ার্ডের ঘোষপাড়া গ্রামের আমজাদ কবিরাজের চার ছেলে হানিফ কবিরাজ (৩৫), সিদ্দিক কবিরাজ (৪২), ইদ্রিস কবিরাজ (৪০) এবং ইউসুফ কবিরাজ (৪৬) সহ অজ্ঞাতনামা ৫ থেকে ৭ জন চাঁদাবাজ, সন্ত্রাসী প্রকৃতির লোক।
আসামীগন দীর্ঘদিন ধরে ওমর ফারুক এর নিকট চাঁদা দাবী করিয়া আসিতেছে এবং ২০২৪ সালের ৫ই আগস্টের পর থেকে অভিযুক্তরা ওমর ফারুক ও তার পরিবারের সদস্যদের জীবননাশের ভয়ভীতি প্রদর্শন আসিতেছে। এছাড়াও রাস্তা ঘাটে দেখতে পেলে গুলি করে হত্যার হুমকি দেওয়াসহ ব্যবসা পরিচালনা করিতে দিবে না বলিয়া হুমকি দেয়। এজাহারে ওমর ফারুক আরও উল্লেখ করেন, ২০২৪ সালের ৫ই আগস্টের পর থেকে অভিযুক্তরা তাকে হত্যার হুমকি দিয়া জোরপূর্বক ১৯ লাখ টাকা আদায় করে। পরবর্তীতে আরও ৫ লাখ টাকা দাবি করিয়া আসছে এবং টাকা দিতে অস্বীকার করিলে আসামীগন আমাকে ও আমার পরিবারের সদস্যদের মেরে লাশ গুমের হুমকি দেয়।
এরই ধারাবাহিকতায় গতকাল সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) দুপুর দুইটার সময় কুষ্টিয়া মডেল থানাধীন আইলচারা ইউনিয়নের ঘোষপাড়াস্থ রাস্তার উপর আসামীগন দেশীয় অস্ত্র শস্ত্রে সজ্জিত হয়ে হত্যার উদ্দেশ্যে অতর্কিত হামলা করে এবং আমাকে লোহার রড দিয়া শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করে। এছাড়াও হানিফ ও সিদ্দিক কবিরাজ তাদের হাতে থাকা ধারালো হাসুয়া দিয়া আমাকে হত্যার উদ্দেশ্যে মাথায় আঘাত করিতে গেলে আঘাতটি লক্ষ্যভ্রষ্ট হইয়া যায়। পরবর্তীতে আমার শোর চিৎকারে আশে পাশের লোকজন এগিয়ে আসিলে অভিযুক্তরা আমাকে হুমকি দেয় “তোকে আজকের মতন ছেড়ে দিলাম এরপর তোকে যেখানে পাবো সেখানে তোকে খুন করে ফেলবো”। এই বিষয়ে জানতে কুষ্টিয়া মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. কবির হোসেন মাতুব্বর এর মোবাইল ফোনে কল দিলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
