কুমারখালীতে ভোট কেন্দ্রের সামনে থেকে ১০টি বোমা সাদৃশ্য বস্তু উদ্ধার - কুষ্টিয়া জিলাইভ | truth alone triumphs

কুমারখালীতে ভোট কেন্দ্রের সামনে থেকে ১০টি বোমা সাদৃশ্য বস্তু উদ্ধার

লেখক: প্রতিবেদক ঢাকা
প্রকাশ: ফেব্রুয়ারি ১২, ২০২৬

কুমারখালী প্রতিনিধি ॥ কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে একটি ভোট কেন্দ্রের সামনে থেকে ১০টি বোমা সাদৃশ্য বস্তু উদ্ধার করেছে পুলিশ। গতকাল বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১টার দিকে উপজেলার সদকী ইউনিয়নের বানিয়াকান্দি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রের ২০ গজ দুরে (পশ্চিম) অবস্থিত নেপিয়ার ঘাঁস খেত থেকে এসব উদ্ধার করা হয়। এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন কুমারখালী থানার ওসি জামাল উদ্দিন। পুলিশ ও স্থানীয় সুত্রে জানা গেছে, বানিয়াকান্দি বাজার ঘেঁষে বানিয়াকান্দি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় অবস্থিত। বাজার ঘেঁষে স্থানীয় মতিন মাষ্টারের নেপিয়ার ঘাঁস খেত। সেখানে দুপুর ১২টার দিকে স্থানীয় রাজমিস্ত্রি ফরিদ খান প্রসাব করতে যান। সেসময় তিনি মুখ বাঁধা দুইটি ব্যাগ দেখতে পান। খবর পেয়ে সেখানে উৎসুক জনতা ভিড় করেন। তারা প্রশাসনকে খবর দিলে ঘটনাস্থলে ম্যাজিস্ট্রেট, পুলিশ ও সেনাবাহিনী কর্মকর্তা ও সদস্যরা ছুটে আসেন এবং দুইটি ব্যাগ থেকে লাল টেপ পেঁচানো ১০টি বোমা সাদৃশ্য বস্তু উদ্ধার করেন। এদিকে ভোটের আগের দিন কেন্দ্রের মাত্র ২০ গজ দুর থেকে বোমা সাদৃশ্য বস্তু উদ্ধার করায় আতঙ্কিত এলাকাবাসী।

তারা নিরাপত্তা বৃদ্ধির দাবি জানান। সরেজমিন গিয়ে দেখা যায়, বানিয়াকান্দি বাজার সড়কের ওপর কয়েকটি পাত্রে (বালতি) রাখা রয়েছে বোম সাদৃশ্য বস্তু। সেখানে ম্যাজিস্ট্রেট, পুলিশ ও সেনাবাহিনীর অর্ধশতাধিক সদস্য কাজ করছেন। আশপাশে ভিড় করেছেন উৎসুক জনতা। এ সময় রাজমিস্ত্রি ফরিদ খান বলেন, ঘাঁসের ভিতরে প্রসাব করতে গিয়ে মুখ বাঁধা একটি ব্যাগ দেখে ভয় পেয়ে স্থানীয়দের খবর দিই। পরে কয়েকজন এসে আরো একটি ব্যাগ দেখে প্রশাসনকে খবর দেন। স্থানীয় বাসিন্দা ও জেলা এনসিপির যুগ্ম সমন্বয়কারী কে এম আর শাহিন বলেন, ভোটে আতঙ্ক সৃষ্টির জন্য দুর্বৃত্তরা এমন অপকর্ম করেছে। এতে আতঙ্কিত এলাকাবাসী ও ভোটাররা। নিরাপত্তা আরো জোরদার করার দাবি তাঁর। কুমারখালী থানার ওসি জামাল উদ্দিন বলেন, খবর পেয়ে বানিয়াকান্দি ভোট কেন্দ্রের সামনে থেকে দুইটি ব্যাগ থেকে ১০টি বোমা সাদৃশ্য বস্তু উদ্ধার করা করা হয়েছে। পরে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশনায় পরীক্ষা-নিরিক্ষার জন্য থানায় আনা হয়েছে বস্তু গুলো। এ সংক্রান্ত আইনী প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।