ইবি প্রতিনিধি ॥ সরকারী কর্মচারীদের দীর্ঘদিনের দাবি নবম জাতীয় পে-স্কেলের প্রজ্ঞাপন জারি ও বাস্তবায়নের দাবিতে মানববন্ধন করেছে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা। মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ১১ টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন ভবনের সামনে এই মানববন্ধনের আয়োজন করা হয়। এতে উপস্থিত ছিলেন জিয়া পরিষদের সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. রফিকুল ইসলাম, শহীদ জিয়াউর রহমান হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. গফুর গাজী, ভারপ্রাপ্ত পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক ড. ওয়ালিউর রহমান পিকুল, এস্টেট অফিস প্রধান এম আলাউদ্দিন, সিকিউরিটি অফিসার মিজান সহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা কর্মচারীরা। এতে বক্তারা বলেন, বিগত ১৫ সালে কর্মচারীদের দাবির প্রেক্ষিতে সরকার একটি পে স্কেল ঘোষণা করেছিল। মাঝের কয়দিনে প্রতিটি পণ্যের দাম প্রায় দ্বিগুণ হয়ে গেছে। এই কারণে কর্মকর্তা কর্মচারীদের জীবন চালাতে নাভিশ্বাস উঠে গেছে।
গঠিত কমিটি পে স্কেলের একটি বাস্তব রূপ তুলে ধরেছিলেন কিন্তু আমরা জানি না কার ইশারায়, কিসের প্রেক্ষিতে সরকার আজকে পে স্কেল বাস্তবায়নের জন্য গড়িমসি করছে। অনতিবিলম্বে পে স্কেল বাস্তবায়ন করতে হবে নইলে পে স্কেল বাস্তবায়ন না হওয়া পর্যন্ত আমরা সম্মিলিতভাবে আন্দোলন পরিচালনা করতে থাকবো ইনশাল্লাহ। জিয়া পরিষদের সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. রফিকুল ইসলাম বলেন, ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে সাধারণ কর্মকর্তা কর্মচারীরা তুচ্ছ তাচ্ছিল্যের শিকার হয়েছে। গত ১১ বছরে বছরের নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিস সহ সবকিছুর দাম শতভাগ বেড়েছে। এ অবস্থায় তাদের দিনাতিপাত করা কতটা দুর্বিষহ হয়ে গেছে তা সকলেই জানেন। নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দাম ক্রয়ক্ষমতার বাইরে চলে গেছে। আমরা আশা করছিলাম অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়ে এই পে স্কেল বাস্তবায়িত হবে কিন্তু কোন কারণে তা নির্বাচনের আগে বাস্তবায়িত হচ্ছে না তা আমরা জানতে চাই। যারা নীতি নৈতিকতার সাথে চাকরির টাকা দিয়ে সংসার জীবন নির্বাহ করে তাদের সকলের পে স্কেল প্রয়োজন।
