ভেড়ামারায় গরম কাপড়ের দোকানে উপচে পড়া ভিড় - কুষ্টিয়া জিলাইভ | truth alone triumphs

ভেড়ামারায় গরম কাপড়ের দোকানে উপচে পড়া ভিড়

লেখক: প্রতিবেদক ঢাকা
প্রকাশ: জানুয়ারি ১১, ২০২৬

ভেড়ামারা প্রতিনিধি ॥ উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে বয়ে যাওয়া হিমেল হাওয়ায় শীতের তীব্রতা বেড়েছে। তীব্র শীতের কারণে কুষ্টিয়ার ভেড়ামারার রেল লাইনের উপরে গরম কাপড়ের দোকান গুলোতে ক্রেতাদের উপচে পড়া ভীড় লক্ষনীয়। দোকান ও ফুটপাতের গরম কাপড়ের দোকানগুলোতে ক্রেতাদের ভিড় বেড়ে গেছে। শীত নিবারণের জন্য শহরের বিভিন্ন এলাকায় পসরা সাজিয়ে বসেছে মৌসুমী দোকান। মধ্যবিত্ত থেকে শুরু করে দিনমজুর সবাই পরিবারের সদস্যদের জন্য সাশ্রয়ী দামে শীতের পোশাক কিনতে এই ফুটপাতের দোকানগুলোতে ভিড় করছেন।

তীব্র শীতের কারণে কাজে যেতে না পেরে বিপাকে পড়েছেন উপজেলার নিম্ন আয়ের খেটে খাওয়া মানুষ। শীতের প্রভাব পড়েছে হাটবাজারেও। অধিকাংশ বাজারে দোকানপাট খুলতে দেখা গেছে সকাল ১০টার পর। পেটের তাগিদে অনেকেই ঘরের বাইরে বের হলেও কাজ না পেয়ে দুর্ভোগে পড়ছেন। অপর দিকে শিশু ও বৃদ্ধরা শীতজনিত নানা রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন। ভেড়ামারার রেল লাইনের উপরে ফুটপাতে সকাল থেকে রাত পর্যন্ত ক্রেতাদের উপস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে। অস্থায়ী এসব দোকানে ছোট-বড় সকল ধরনের ক্রেতারা ভিড় করছে। দোকানগুলোতে পাওয়া যাচ্ছে বাহারি শার্ট, হাফ ও ফুল স্যুয়েটার, জ্যাকেট, মাফলার, টুপি ও উলের বিভিন্ন পোশাক।

এসব দোকান থেকে ৪০ টাকা থেকে শুরু করে ৩০০ টাকার মধ্যে সীমিত আয়ের মানুষও সহজেই প্রয়োজনীয় শীতবস্ত্র কিনতে পারছেন। দিনমজুর মনিরুল ইসলাম বলেন, ‘ঠান্ডা ও মেঘাচ্ছন্ন আবহাওয়ার কারণে আজ কাজে যেতে পারিনি। তা ছাড়া আমার ঠান্ডাজনিত রোগ আছে, তাই বাইরে বের হওয়াও কষ্টকর।’ রিকশাচালক হাসান বলেন, সকাল থেকে মানুষের আনাগোনা কম। অফিসগামী যাত্রী ছাড়া তেমন কেউ বাইরে বের হচ্ছে না। শীতের কারণে যাতায়াত কমে গেছে, আয়ও আগের তুলনায় অনেক কম। ফুটপাতের দোকানি সালাম হোসেন বলেন, এবার শীতে বেচাবিক্রি তুলনামূলক ভালো।

শীত পড়ায় বিক্রি বেড়েছে। আমাদের এখানে ৪০ টাকা থেকে ৩০০ টাকার পোশাক পাওয়া যায়। গরিব মানুষ বেশি আসে বলে আমরা চেষ্টা করি সাশ্রয়ী দামে দিতে। দিনমজুর মনোয়ার বলেন, শীত এলেই আমরা এখান থেকেই পোশাক কিনি। কম টাকায় যা পাই তাই দিয়ে শীত পার করি। আমাদের আর উপায়ও নেই।’ ভেড়ামারা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা মিজানুর রহমান বলেন, শীত থেকে বাঁচতে সবাইকে গরম পোশাক পরতে এবং অপ্রয়োজনে বাইরে বের না হওয়ার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। বিশেষ করে শিশুদের সব সময় গরম পোশাকে রাখতে এবং গরম খাবার খাওয়াতে বলা হচ্ছে।