দৌলতপুর প্রতিনিধি ॥ কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার চিলমারীতে মাঠ থেকে বাড়ি ফেরার পথে ৬৫ বছর বয়সী কৃষক কুদ্দুস আলী শেখের পায়ে রাসেলস ভাইপার সাপ কামড় দেয়। এরপর লাঠি দিয়ে সাপটিকে থামান তিনি। পরে নিজের পা বাঁধেন এবং পরিবারের সদস্যদের খবর দেন। এরপর জীবিত সাপটি তিনি প্লাস্টিকের বোতলে ভরে হাসপাতালে নিয়ে যান। ঘটনাটি ঘটে সোমবার (৮ ডিসেম্বর) দুপুরে। কুদ্দুস আলী চিলমারী চরের কলাইখেতে কাজ শেষে বাড়ি ফিরছিলেন। তিনি জানিয়েছেন, মাঠের ভেতরে কাঁচা পথ দিয়ে আসার সময় একপাশে জঙ্গল আর অন্যপাশে কলার বাগানের মধ্যে সাপটি কামড় দেয়।
তিনি জানান, সাপ তার পায়ের সামনে ছিল, কামড় দেওয়ার পর সাপটিকে লাঠি দিয়ে থামান তিনি। তারপর নিজের পা বাঁধলাম এবং পরিবারকে ফোন দেন। পরিবারের সদস্যরা দ্রুত প্লাস্টিকের বোতলে সাপটি ভরে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে পৌঁছে দেন। হাসপাতালে চিকিৎসকরা কুদ্দুস আলীকে অ্যান্টিভেনম দিয়ে চিকিৎসা করেছেন। বর্তমানে তিনি সুস্থ আছেন, যদিও কামড়ের স্থান ফোলা রয়েছে। চিকিৎসকরা তাকে পর্যবেক্ষণে রাখার পরামর্শ দিয়েছেন। হাসপাতালের মেডিসিন বিভাগের চিকিৎসক মাহফুজুর রহমান জানান, সাপটি প্রায় তিন ফুট লম্বা পূর্ণবয়স্ক রাসেলস ভাইপার।
সাপের ছোবলে রক্ত বের হয়েছে, তবে সম্ভবত বিষ পুরোপুরি প্রবেশ করতে পারেনি। তাই রোগী আপাতত সুস্থ আছেন। সাপটি সঙ্গে আনা হওয়ায় দ্রুত এবং সঠিক চিকিৎসা সম্ভব হয়েছে। ঘটনার এক দিন পর সাপটি মারা যায়। স্থানীয় কয়েকজন তরুণ সাপটিকে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের চত্বরেই পুঁতে রাখেন।
