বিশেষ প্রতিনিধি ॥ ঈশ্বরদী নৌ পুলিশের অফিসার ইনচার্জ মো. আকিবুল ইসলাম আকিব এর নির্দেশনায় কুষ্টিয়ার মিরপুর উপজেলার বহলবাড়ীয়া ইউনিয়নের তালবাড়ী পুরাতন বালি ঘাটে অবৈধভাবে বাল্ক হেড থেকে ড্রেজারের মাধ্যমে বালি খালাসের সয়ম ১০ জন কে আটক করে লক্ষিকুন্ডা নৌ পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা। এই বিষয়ে কুষ্টিয়ার মিরপুর থানায় নৌপুলিশের পক্ষ থেকে মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলার এজাহার সূত্রে জানাযায়, গতকাল রোববার (১২ই জানুয়ারি) ভেড়ামারা উপজেলার বার মাইল এলাকায় পদ্মা নদীতে লক্ষিকুন্ডা নৌ পুলিশ ফাঁড়ির পুলিশ সদস্যদের রাতে টহল ডিউটি করা কালীন সময় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রাত আনুমানিক সোয়া দুইটার সময় মিরপুরের তালবাড়ী বালি ঘাটে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে।
সেসময় সরকার ঘোষিত অবৈধ তড়িয়া বালি মহলে বালি খালাসের সময় ৭ জন কে হাতেনাতে গ্রেফতার করা হয়। আটককৃতরা হলেন মিরপুর উপজেলার বহলবাড়ীয়া ইউনিয়নের তালবাড়ী গ্রামের হায়দার আলীর পুত্র মাসুদ রানা (৪৫), মৃত সৈয়দ আলী সরদার এর পুত্র হিরন সরদার(৫৮), ভেড়ামারা উপজেলার বাহিরচর মসলেমপুর গ্রামের মোহাম্মদ আয়নাল হক এর পুত্র সোহেল মোল্লা (২৯), মোহাম্মদ মান্নান শিকদারের পুত্র মোঃ রাজু শিকদার (৩০), মৃত দেওয়ান আলী শেখের পুত্র মোহাম্মদ শাজাহান আলী শেখ (৫৫), মৃত পরাণ সরদারের পুত্র মোঃ শহিদুল ইসলাম(৫০), পশ্চিম বাহিরচর গ্রামের ১২ মাইল এলাকার মৃত নবাই পরামানিকের পুত্র মোঃ রবিউল ইসলাম(৫০ সহ একটি ইঞ্জন চালিত বাল্কহেড আটক করা হয় পরে আটককৃতদের মিরপুর থানায় হস্তান্তর করা হলে তাদের বিরুদ্ধে মাটি ব্যবস্থাপনা আইন ২০১০ এর ১৫(১) ধারা তৎসহ পেনাল কোড ৪৩১/৩৪ ধারাই একটি মামলা দায়ের করে কুষ্টিয়ার বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়।
এ বিষয়ে ঈশ্বরদী নৌ পুলিশের অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ আকিবুল ইসলাম আকিবের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন। তিনি কুষ্টিয়ার খবর কে বলেন পদ্মা নদীর তীর হতে বালি উত্তোলন এবং ক্রয়-বিক্রয় সরকার ঘোষিত সম্পূর্ণরূপে অবৈধ।দীর্ঘদিন ধরে কতিপয় অসাধু ব্যবসায়ী সরকারের এই আইন অমান্য করে বালিক ক্রয় বিক্রয় করিয়া আসিতেছে। বর্তমান সময়ে নৌ পুলিশের নিয়মিত অভিযানে অনেকটা কমে এসেছে এই বালি ক্রয় বিক্রয়, তিনি আরো বলেন পানি ক্রয় বিক্রয়ের সাথে যাহারায় জড়িত আছে তাহারা যেই হোক না কেন কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না তাদের বিরুদ্ধে নৌ পুলিশ ছাড়া সে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
