দৌলতপুর পিএম কলেজের অধ্যক্ষের স্থায়ীভাবে বহিষ্কারের দাবিতে মানববন্ধন - কুষ্টিয়া জিলাইভ | truth alone triumphs

দৌলতপুর পিএম কলেজের অধ্যক্ষের স্থায়ীভাবে বহিষ্কারের দাবিতে মানববন্ধন

লেখক: প্রতিবেদক ঢাকা
প্রকাশ: জানুয়ারি ২, ২০২৫

দৌলতপুর প্রতিনিধি ॥ কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে অধ্যক্ষের স্থায়ী বহিষ্কারের দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। উপজেলার ফিলিপনগর ইউনিয়নে অবস্থিত ফিলিপনগর মরিচা ডিগ্রি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ মান্নানের স্থায়ী বহিষ্কারের দাবিতে গতকাল বুধবার (১ জানুয়ারী) সকাল ১১টায় কলেজের সামনে রাস্তায় এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। ফিলিপনগর মরিচা ডিগ্রি কলেজের ছাত্র, শিক্ষক, কর্মচারি ও এলাকাবাসির আয়োজনে মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন, কলেজের বর্তমান অধ্যক্ষ রেজাউর রহমান মাসুম, কলেজের প্রভাষক সরোয়ার হোসেন, প্রভাষক রেজানুর রহমান। এসময় বক্তরা অধ্যক্ষ মান্নানের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ এনে বলেন, দীর্ঘ সময় ধরে তিনি নানা অনিয়ম, দুর্নীতি, অপকর্ম করে আসছিলো, গত ৫ আগস্ট পরবর্তি স্বেচ্ছায় পদত্যাগকরে চলে গেলেও বর্তমানে বিভিন্ন ভাবে কলেজের শিক্ষক কর্মচারিদের হুমকি ধামকি দিয়ে আসছেন।

খুনি হাসিনার অজ্ঞাবহ, বৈষম্য বিরোধী ছাত্র-জনতার উপর হামলাকারীদের পৃষ্ঠপোষক ও পলাতক সাবেক অধ্যক্ষ মান্নানের স্থায়ী বহিষ্কারের দাবি করেন মানববন্ধনে উপস্থিত ছাত্র, শিক্ষক, কর্মচারি ও এলাকাবাসি। মানববন্ধনে  কলেজের সহকারী অধ্যাপক মোঃ ছরোয়ার হোসেন, প্রভাষক রেজানুর রহমান, কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ রেজাউর রহমান মাসুম সহ আরো অনেকেই এই সময় উপস্থিত ছিলেন। খোঁজ নিয়ে জানা যায়, কুষ্টিয়া জেলা দৌলতপুর উপজেলার ফিলিপনগর মরিচা ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ আব্দুল মান্নান প্রতারনা মামলার আসামী। আব্দুল মান্নান এর পিতৃভিটা দৌলতপুর উপজেলার ফিলিপনগর ইউনিয়নের পূর্ব ফিলিপনগর গোলাবাড়িয়া গ্রামে। তবে তিনি বসবাস করেন দৌলতপুর উপজেলার মথুরাপুর ইউনিয়নে।অ াব্দুল মান্নান পূর্ব ফিলিপনগর গ্রামের মৃত ইসমাইল সর্দারের পুত্র।

গত বছরের ২৬ এপ্রিল মাদারীপুর সদর থানায় তার বিরুদ্ধে ১৮৬০ সালের পেনাল কোডের ৪০৬, ৪২০, ৪০৮, ১০৯ ও ৫০৫ ধারায় প্রতারণার মামলা করেন সেন্টার ফর ডেভেলপমেন্ট ইনোভেশন প্র্যাকটিসেস (সিদীপ) এরিয়া ম্যনেজার মশিউর রহমান। সেই মামলা সূত্রে জানাযায়,আব্দুল মান্নানের অবৈধ যোগসাজসে,সহযোগীতায় এবং কুপরামর্শে প্রতারণামূলক ভাবে এনজিওর লক্ষ লক্ষ টাকা আত্মসাধের অসৎ উদ্দেশ্যে প্রনোদিত হয়েই মূলত  উক্ত এনজিওতে তার নিকটাত্মীয়কে চাকুরিতে যোগদান করান।  খোঁজ নিয়ে আরও জানা যায়, অধ্যক্ষ আব্দুল মান্নান এর নামে আরো একাধিক প্রতরনা মামলা রয়েছে। যার অনেক গুলো আপোষ শর্তে মিমাংসা করে নিয়েছেন তিনি। আব্দুল মান্নান অত্র এলাকার যুবকদের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে চাকরির সুপারিশ, গ্র্যান্টার ও গুড সনদ পত্র প্রদান করেন বলেও জানা গেছে। আর এসবের বিনিময়ে ৫০ হাজার  থেকে লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ারও অভিযোগ আছে তার বিরুদ্ধে।