কুমারখালীর যোগেন্দ্রনাথ (জেএন) মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মকছেদ আলীকে শোকজ - কুষ্টিয়া জিলাইভ | truth alone triumphs

কুমারখালীর যোগেন্দ্রনাথ (জেএন) মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মকছেদ আলীকে শোকজ

লেখক: প্রতিবেদক ঢাকা
প্রকাশ: ডিসেম্বর ২, ২০২৪

কুমারখালী প্রতিনিধি ॥ ভাড়া বাণিজ্য করে শ্রেণিকক্ষে প্রশিক্ষণ কর্মশালা পরিচালনা করা কুষ্টিয়ার কুমারখালীর যোগেন্দ্রনাথ (জেএন) মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মকছেদ আলীকে শোকজ করা হয়েছে। বিভিন্ন পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদের অভিযোগ সত্য কি না? তা আগামী ৭ দিনের মধ্যে জানানোর জন্য বলা হয়েছে তাকে। গতকাল রবিবার (১ ডিসেম্বর) বিকেলে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. নাজমুল হকের স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে এ তথ্য জানানো হয়। জানা যায়, ২০০৯ সালে জেএন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক হিসেবে যোগদান করেন মো. মকছেদ আলী।

যোগদানের পর থেকেই শ্রেণিকক্ষে প্রায়ই প্রশিক্ষণ কর্মশালাসহ নানা কর্মকাণ্ড পরিচালনা করে আসছে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা (এনজিও) ও সংগঠনের কর্মকর্তারা। এ জন্য তাদের গোপনে নানা অঙ্কের টাকা দিতে হচ্ছে প্রধান শিক্ষক মো. মকছেদ আলীকে। স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রায় ১৪ বছর ধরে তিনি অসাধু উপায়ে আয় করে আসছেন। দীর্ঘদিন ধরে এমন বাণিজ্য চলে এলেও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের কাছে এ বিষয়ে তথ্য নেই। শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা জানিয়েছেন, ভয়ে তারা বিষয়টি নিয়ে প্রতিবাদ করতে পারেন না। স্থানীয় অভিভাবকদের কাছ থেকে তথ্য পেয়ে সাংবাদিকরা এ অনিয়মের চিত্র তুলে এনেছেন। বিষয়টি নিয়ে অনুসন্ধান শুরু করলে একাধিক এনজিও ও সংগঠনের কর্মকর্তা স্বীকার করেন, শ্রেণিকক্ষে প্রশিক্ষণের জন্য বিকাশের মাধ্যমে প্রধান শিক্ষক মকছেদ আলীকে তারা টাকা দিয়ে আসছেন।

তবে এই প্রধান শিক্ষকের দাবি, তিনি ভাড়া বাবদ টাকা নেননি। প্রশিক্ষক হিসেবে এনজিও থেকে মাঝে মধ্যে কিছু সম্মানী পেয়েছেন। তাঁর ভাষ্য, ছুটির দিনে অথবা ছুটির পর এসব প্রতিষ্ঠানের প্রশিক্ষণ চালানো হয়। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. মকছেদ আলী বলেন, কারণ দর্শানোর নোটিশ পেয়েছি। অভিযোগের বিষয় নোটিশেই জানানো হবে। প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে শ্রেণিকক্ষ ভাড়া বাণিজন্যের বিষয়টি ক্ষতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানান উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. নাজমুল হক। তিনি বলেন, বিভিন্ন পত্রিকায় সংবাদে প্রকাশিত অভিযোগের বিষয়টি জানতে রোববার প্রধান শিক্ষককে ৭ দিনের কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে। নোটিশের জবাবের পরে বিস্তারিত বলা যাবে।