ইবি প্রতিনিধি ॥ ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে অতিরিক্ত অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহার রোধ এবং বিশ্ব অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্স সচেতনতা সপ্তাহ-২০২৪ শুরু হয়েছে। বিভিন্ন রোগ সৃষ্টি করা জীবাণুগুলো (ব্যাকটেরিয়া, ছত্রাক, ভাইরাস) প্রচলিত ওষুধ গুলোকে অকার্যকর করে দেওয়ার পরিস্থিতি অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্স বলে পরিচিত। গতকাল মঙ্গলবার (১৯ নভেম্বর) বেলা ১১ টার দিকে আমেরিকান সোসাইটি ফর মাইক্রোবায়োলজি, ইবি শাখার আয়োজনে বিশ্ববিদ্যালয়ের ফলিত বিজ্ঞান ও প্রকৌশল ভবনের সামনে থেকে একটা সচেতনতা মূলক র্যালী বের করা হয়। র্যালিটি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে বিশ্বিবদ্যালয়ের মূল ফটকে গিয়ে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে মিলিত হয়।
এসময়ে শিক্ষার্থীদের হাতে অ্যান্টিবায়োটিকের সঠিক ব্যবহার, জীবাণুর বিরুদ্ধে স্বাস্থ্যকর আচার; অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহারে সচেতন হই; সকলে মিলে অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্স প্রতিরোধ করি; প্রতিরোধী জীবানু প্রতিরোধ করুন, সুস্থ জীবন গড়ুন; ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী এন্টিবায়োটিক সেবন করুন সহ বিভিন্ন সচেতনতা মূলক প্ল্যাকার্ড দেখা যায়। এএসএম ইবি শাখার সাধারণ সম্পাদক আবু রেজার সঞ্চালনায় এতে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. শাহীনুজ্জামান, বায়োটেকনোলজি অ্যান্ড জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক ড. একেএম নাজমুল হুদা, ফার্মেসী বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক ড. মোঃ মিজানুর রহমান, বায়োটেকনোলজি অ্যান্ড জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ও এএসএম বাংলাদেশ কান্ট্রি এম্বাসাডর ড. মোঃ মিন্নাতুল করিম, একই বিভাগের অধ্যাপক ড. নিলুফা আখতার বানু, অধ্যাপক ড.
মোঃ আবু হেনা মোস্তফা জামাল, অধ্যাপক ড. মোঃ রকিবুল ইসলাম, সহযোগী অধ্যাপক ড. মোঃ আজিজুল ইসলাম, অধ্যাপক ড মোঃ খসরুল আলম সহ এএসএম চ্যাপটারের শিক্ষার্থীরা। বক্তারা বলেন, অ্যান্টিবায়োটিক সঠিক উপায়ে প্রয়োগ না করলে হিতে বিপরীত হতে পারে। তোমরা এখানে যারা আসছো তারা কিন্তু এ বিষয়ে কিছুটা হলেও সচেতন। কিন্তু আমজনতা বা সাধারণ মানুষ এ ব্যাপারে অবগত না। বিশ্বের এখন এলার্মিং পয়েন্ট হিসেবে চিহ্নিত করা হচ্ছে অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্সকে। অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহারে সচেতন হই সকলে মিলে অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্স প্রতিরোধ করি।
ডাক্তারের প্রেসক্রিপশন ছাড়া অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহার করবো না। এসময় এএসএম বাংলাদেশ এম্বাসাডর অধ্যাপক ড. মোঃ মিন্নাতুল করিম বলেন, ১৮ থেকে ২৪ নভেম্বর পর্যন্ত ১ সপ্তাহ প্রতিবছর ই বিশ্ব অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্স সচেতনতা সপ্তাহ পালন করা হয়। আমরা সবাইকে সচেতন করবো কিভাবে অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্স হয় এবং কিভাবে এটিকে আমরা কাটিয়ে উঠতে পারি। যদি আমরা নিজেরা জানি তাহলে অন্যদের জানাতে পারব। এজন্য আমাদের নিজেদের আগে সচেতন হতে হবে। যাতে আমরা ডাক্তারের পরামর্শ বা প্রেস্ক্রিপশন ছাড়া এন্টিবায়োটিকের যত্রতত্র ব্যবহার না করি। আমরা যে যেখানে যে পর্যায়ে আছি সেখান থেকেই যেন এই বিষয়ে আমাদের পরিবার ও আশপাশের সবাইকে সচেতন করতে থাকি।
