ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে সাথে নিয়ে দুর্যোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থায় অগ্রণী ভূমিকা রাখা সম্ভব - কুষ্টিয়া জিলাইভ | truth alone triumphs

ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে সাথে নিয়ে দুর্যোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থায় অগ্রণী ভূমিকা রাখা সম্ভব

লেখক: প্রতিবেদক ঢাকা
প্রকাশ: অক্টোবর ১৪, ২০২৪

রঞ্জুউর রহমান ॥ গতকাল রবিবার (১৩অক্টোবর) সকাল দশটা জেলা প্রশাসনের সম্মেলন কক্ষে ভারপ্রাপ্ত জেলা প্রশাসক মোছাঃ শারমিন আখতার এর সভাপতিত্বে জেলা প্রশাসন ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিভাগ (ডিডিএম) কুষ্টিয়া এর আয়োজনে “আগামী প্রজন্মকে সক্ষম করি, দুর্যোগ সহনশীল ভবিষ্যৎ গড়ি”এই প্রতিপাদ্য আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস ২০২৪ উদ্যাপন উপলক্ষ্যে বর্ণাঢ্য র‌্যালি ও আলোচনা সভায় অনুষ্ঠিত হয়।

উক্ত অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্ত মুহামমাদ আবদুর রহমান, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) এবং উন্নয়ন ও মানব সম্পদ ব্যবস্থাপনা মোঃ মিজানুর রহমান,কুষ্টিয়া সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পার্থ প্রতিম শীল, সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট (নেজারত শাখা, ট্রেজারী ও স্ট্যাম্প শাখা) মোঃ মহসীন উদ্দীন, সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট (ব্যবসা, বানিজ্য ও বিনিয়োগ শাখা) আদিত্য পাল, সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট (সাধারণ শাখা) মুমতাহিনা পৃথুলা, সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট (জুডিসিয়াল মুন্সিখানা শাখা) মোঃ জাহিদ হাসান, সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট (ই-সেবা কেন্দ্র ও স্থানীয় সরকার শাখা) মোঃ আব্দুর রকিব, সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট (ফরমস এন্ড স্টেশনারি শাখা ও লাইব্রেরি শাখা) ফারজানা সুলতানা, সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট (প্রকল্প পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন শাখা এবং আইসিটি শাখা) মোঃ আরিফুল ইসলাম, জেলা স্কাউট ও রোবার সদস্যবৃন্দ, রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি এর  সদস্যবৃন্দ সহ জেলা পর্যায়ের বিভিন্ন দপ্তর প্রধান, জনপ্রতিনিধিবৃন্দ, সুশীল সমাজের প্রতিনিধিবৃন্দ , ইলেকট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ এসময় উপস্থিত ছিলেন।

উপস্থিত বক্তারা বলেন, ভৌগোলিক অবস্থানগত কারণে জলবায়ু পরিবর্তনজনিত দুর্যোগে সবচেয়ে ঝুঁকিতে রয়েছে বাংলাদেশ। গত দুই দশকে এ ভূখণ্ডে ১৮৫টি প্রাকৃতিক দুর্যোগ আঘাত হেনেছে। এতে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে উপকূলীয় প্রান্তিক জনগোষ্ঠী। পূর্বাভাস ও পূর্ব প্রস্তুতির কারণে বন্যা ও ঘূর্ণিঝড়ে ক্ষয়ক্ষতি কমিয়ে আনা গেলেও প্রতিনিয়ত চরিত্র বদলাচ্ছে দুর্যোগের। এছাড়া নতুন আতঙ্ক হিসেবে দেখা দিয়েছে ভূমিকম্প, বজ্রপাত ও মানবসৃষ্ট দুর্যোগ। দুর্যোগ মোকাবিলায় প্রশিক্ষিত জনবল কাঠামো গঠনের পাশাপাশি স্মার্ট প্রযুক্তি ব্যবহারে জোর দেন উপস্থিত অতিথিবৃন্দ। জেলা প্রশাসক (ভারপ্রাপ্ত) শারমিন আখতার বলেন,

প্রাকৃতিক দুর্যোগ মানুষের দ্বারা নিয়ন্ত্রণ সম্ভব নয়। মানুষের স্বাভাবিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে প্রাকৃতিক পরিবেশ প্রবাহিত হয়ে প্রাকৃতিক দুর্যোগ সংগঠিত হয়। তাই আমরা আমাদের কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে প্রাকৃতিক দুর্যোগ কিছুটা নিয়ন্ত্রণ করতে পারি। যেমন পলিথিন পরিবেশ নষ্ট করা অন্যতম একটি প্রধান কারণ। আমাদের আশেপাশের রাস্তাঘাটে কিংবা ডাস্টবিনে যে পরিমাণ পলিথিন দেখা যায় যা পরিবেশের জন্য খুবই মারাত্মক। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ও নিজ নিজ অবস্থা থেকে এই প্রাকৃতিক দুর্যোগের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করে এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে সাথে নিয়ে দুর্যোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থায় অগ্রণী ভূমিকা রাখা সম্ভব।