ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে ঈদ-ই-মিলাদুন্নাবী উপলক্ষে আলোচনা সভা - কুষ্টিয়া জিলাইভ | truth alone triumphs

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে ঈদ-ই-মিলাদুন্নাবী উপলক্ষে আলোচনা সভা

লেখক: প্রতিবেদক ঢাকা
প্রকাশ: সেপ্টেম্বর ১৬, ২০২৪

ইবি প্রতিনিধি ॥ ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) পবিত্র ঈদ-ই-মিলাদুন্নাবী (সা.) উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ১২ রবিউল আউয়াল উপলক্ষে ‘বৈষম্যহীন সমাজ বিনির্মাণে রাসুলুল্লাহ (সাঃ) এর আদর্শ শীর্ষক’ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। রোববার (১৫ সেপ্টেম্বর) রাত ৮টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ও আর্থিক দায়িত্বে থাকা ড. আ.ব.ম. ছিদ্দিকুর রহমান আশ্রাফীর সভাপতিত্বে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

এসময় বিশ্ববিদ্যালয়ের শতাধিক শিক্ষার্থী উপস্থিত ছিলেন। সভার প্রধান আলোচক ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক ড. এ.বি.এম. হিজবুল্লাহ। এছাড়াও আলোচক হিসেবে ছিলেন, অধ্যাপক ড. মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান, অধ্যাপক ড. শেখ এ.বি.এম. জাকির হোসেন, অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ নাজিমুদ্দিন এবং মসজিদের পেশ ইমাম আশরাফ উদ্দিন খান। সভায় প্রধান আলোচক ড. এ.বি.এম. হিজবুল্লাহ বলেন, কিভাবে বৈষম্যহীন একটা সমাজ ব্যবস্থা তৈরি করা যায় তার উদাহরণ মহানবী (সঃ) দেখিয়েছেন৷ মহানবী (সাঃ) উহুদের পর থেকে ওফাতের আগ পর্যন্ত একটি মিনিটও শান্তিতে ঘুমাতে পেরেছেন কিনা আমার জানা নেই।

উম্মাতের চিন্তা ছাড়া তার কিছুই ছিলো না। আবু জেহেল, আবু লাহাবকে কম দাওয়াত দেননি। মাঝে মধ্যেই বিশেষ ব্যক্তিরদের নিয়ে বিশেষ বৈঠকে হতো। একদিন এমন এক সময় এক ব্যক্তির আসলেন এবং নবীজিকে বলেছিলেন ইয়া রাসুল আল্লাহ আমাকে শিক্ষা দিন, নবীজি একটু বিরক্তি প্রকাশ করলে সাথে সাথেই আল্লাহ আয়াত নাজিল করলেন। তিনি আরও বলেন, বুদ্ধিজীবীরা বলেন, রাষ্ট্রের কোনো ধর্ম হয় না, ধর্ম হয় মানুষের। তবে আমাদের প্রশ্ন হলো রাষ্ট্রীয় ভাষা হয় কিভাবে?

এইটা কি বৈষম্য না? পৃথিবীকে বৈষম্যহীন করতে হলে নবী করিম (সাঃ) এর আদর্শকে ধারণ করতে হবে। তবেই পৃথিবীকে একটি বৈষম্যহীন পৃথিবী হিসেবে গড়ে তোলা যাবে। সভার সভাপতি ড. আ ব ম ছিদ্দিকুর রহমান আশ্রাফী বলেন, বৈষম্য বিরোধী সমাজ গঠনের রাসূলুল্লাহ (সঃ) এর আদর্শের বিকল্প নাই। রসুলের আদর্শ ছাড়া পৃথিবীর আর কোন তন্ত্র, মন্ত্র, মতবাদ দিয়ে বৈষম্যহীন সমাজ গঠন সম্ভব নয়, একথা আমরা মনে প্রাণে বিশ্বাস করি। বৈষম্যহীন সমাজ গঠনের ব্যাপারে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের ভূমিকা পালন করতে হবে। তাদের দেখে সমাজের, দেশের মানুষ জানবে, দেখবে যে তারা কাজে কর্মে কথায় রসুলের আদর্শ ধারণ করে, তাহলেই আমরা বৈষম্যহীন সমাজ প্রতিষ্ঠা করতে পারবো। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে যারা শাহাদাত বরণ করেছেন এবং যারা পঙ্গুত্ব বরণ করেছেন তাদের মাগফেরাতের জন্য আমি আজকের অনুষ্ঠানটি উৎসর্গ করছি।