ইসলামের আদশের্র মানুষকে খুন ও গুম করে ধ্বংস করা যায় না: ডাঃ শফিকুর রহমান - কুষ্টিয়া জিলাইভ | truth alone triumphs

ইসলামের আদশের্র মানুষকে খুন ও গুম করে ধ্বংস করা যায় না: ডাঃ শফিকুর রহমান

লেখক: প্রতিবেদক ঢাকা
প্রকাশ: সেপ্টেম্বর ২, ২০২৪

রঞ্জুউর রহমান ॥ গতকাল রবিবার (১ সেপ্টেম্বর) সকাল আটটায় আলাউদ্দীন নগর শিক্ষাপল্লী পার্ক অডিটোরিয়ামে বাংলাদেশ জামায়েত ইসলামী‘র কুষ্টিয়া জেলা আমীর অধ্যাপক মাওলানা আবুল হাশেম এর সভাপতিত্বে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে শহীদ পরিবারের সদস্যদের সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জামায়েত ইসলামী‘র আমীর ডাঃ শফিকুর রহমান। এছাড়াও অনুষ্ঠানে শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ জামায়েত ইসলামী‘র নায়েবে আমীর আব্দুল গফুর ও বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনে কুষ্টিয়া সমন্বয়ক তৌকির আহমেদ, পারভেজ মোশারফ এবং মোস্তাফিজুর রহমান।

এছাড়াও বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশ জামায়েত ইসলামী‘র কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও যশোর-কুষ্টিয়া অঞ্চলের পরিচালক মোবারক হোসাইন, বাংলাদেশ জামায়েত ইসলামী‘র চুয়াডাঙ্গা জেলার আমীর অ্যাডভোকেট রুহুল আমিন, বাংলাদেশ জামায়েত ইসলামী‘র মেহেরপুর জেলার তাজউদ্দিন খান, বাংলাদেশ জামায়েত ইসলামী‘র মাগুরার জেলার এবি এম বাকের হোসাইন, বাংলাদেশ জামায়েত ইসলামী‘র ঝিনাউদহ জেলার আলী আযম, অধ্যক্ষ খন্দকার খন্দকার একে এম আলী মুহসিন, আব্দুল মতিন এবং আলমগীর বিশ্বাস। শুভেচ্ছা বক্তব্যে নায়েবে আমীর আব্দুল গফুর বলেন, এদেশের মানুষ আর কোন স্বৈরাচার সরকার চায় না।

বিগত স্বৈরাচার সরকারের দুর্নীতি, দুঃশাসন ও ফ্যাসিস্ট আচরণে মানুষ পিষ্ট হয়ে পড়েছিল। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী এদেশের মাটি ও মানুষের আকাঙ্খাকে ধারণ করে রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। নতুন বাংলাদেশকে জামায়াতে ইসলামী সর্বক্ষেত্রে বৈষম্যহীন পরিবেশ নিশ্চিত করতে প্রচেষ্টা চালাচ্ছে। তাই বৈষম্য মুক্ত বাংলাদেশ বিনির্মাণে সকল রাজনৈতিক দলকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করার আহ্বান জানাচ্ছি। প্রধান অতিথি বক্তব্যে জামাতের আমীর ডাঃ শফিকুর রহমান বলেন, এই স্বৈরাচার সরকার ২০০৯ সালে ১০ জানুয়ারি ক্ষমতায় এসে শপথ নিয়ে জাতির বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র শুরু করেছিল।

পরের মাসের ২৬ এবং ২৭ তারিখে ঢাকার পিলখানায় তৎকালীন বিডিআর সদর দফতরে নারকীয় হত্যা সংঘটিত হলো। বিডিআরের মহাপরিচালকসহ ৫৭ জন চৌকস দেশপ্রেমিক অফিসারকে হত্যা করা হয় এবং  মা-বোনকে নির্যাতন করা হয়। স্বৈরাচার সরকার জামায়াতের অনেক নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের বিরুদ্ধে মিথ্যা ও ষড়যন্ত্রমূলক মামলা দিয়ে বিচার নামে অবিচার চালিয়েছে। তাদের উদ্দেশ্য ছিল, দেশ প্রেমিক জামায়াত ইসলামের কে ধ্বংস করা।

ইসলামের আদশের্র মানুষকে খুন ও গুম করে ধ্বংস করা যায় না। আপনি এক জনকে খুন কিংবা গুম করবেন, তার জায়গা আল্লাহ দশ জনকে তৈরি করে দিবে। সবাই বলছে বাংলাদেশ স্বাধীন হয়েছে। কিন্তু আমি বলি বাংলাদেশ জুলুম মুক্ত হয়েছে। বাংলাদেশে মানুষের উপর আর কেউ যেন স্বৈরাচারী ব্যবস্থা চাপিয়ে দিতে না পারে, সেজন্য আমাদের সবাইকে এখন থেকে পাহারাদারিত্ব করতে হবে। একটি সভ্য দেশ গড়ে তুলতে এবং সভ্যতাকে টিকিয়ে রাখতে হলে সমাজে ন্যায়বিচার প্রয়োজন। তাই আমরা সমাজে ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠা  জন্য আমরা সর্বদা লড়াই করে যাচ্ছি এবং যাবো।