আমিন হাসান ॥ কুষ্টিয়া সদর হাসপাতালে ভূল চিকিৎসায় ১ দিনের নবজাতকের শিশুর মৃত্যু। আহাজারিতে ভেঙে পড়েছে পরিবার সুচিকিৎসা না পেলেও সুবিচারের দাবিতে হাসপাতালের কর্মকর্তাদের দ্বারে দ্বারে ঘুরছে পরিবার। অনিয়ম ও অবহেলায় ভরে গিয়েছে কুষ্টিয়া সদর হাসপাতাল কেউ কি নেই দেখার এমন অশ্রু ঝরা কন্ঠে পরিবারের আর্তনাদ।
পরিবার সূত্রে জানাযায়, গত (২২ জুন) শনিবার সকাল ১১ টায় কুষ্টিয়া সদর হাসপাতালে মোঃ মিরাজুল ইসলামের স্ত্রী রুকাইয়া রুম্পাকে লেবার ওয়ার্ডে ভর্তি করেন এবং গতকাল রবিবার (২৩ জুন) ভোর ৬:১৫ মিনিটে নিহত নবজাতক শিশুটির জন্ম হয়েছিল। নরমাল ডেলিভারি হওয়ায় স্বাভাবিক ছিল নবজাতক শিশুটি। ডাক্তার কিছু ইনজেকশন লিখে দিয়েছিল এগুলো চললে শিশুটি আরও ভালো থাকবে বলে আশ্বাস দেন চিকিৎসক।
পরিবারের অভিযোগ, আমাদের বাচ্চা সুস্থ ছিল নাসরা প্রথম থেকে আমাদের অবহেলা করছিল,যদি আমাদের বাচ্চা বেশি অসুস্থ থাকতো তাহলে আমাদেরকে জানাত আমরা উন্নত চিকিৎসার জন্য অন্য কোথাও নিয়ে যেতাম। সকালে একটি মেডিসিনের অর্ধেক ইনজেকশনে ভরে পুশ করেছিল এবং আগামীকালকের ইনজেকশন আজকে দিয়েছে তারপর থেকে আমাদের শিশুর অবস্থা খারাপ হতে থাকে তবুও কোন কেয়ার করেননি নার্স রাবিয়া খাতুন এবং নার্সকে জিজ্ঞাসা করাই আগে থেকেই উপস্থিত থাকা নার্স রাবেয়া খাতুনের স্বামী আমাদেরকে বিভিন্নভাবে হুমকি ধামকি সহ অপমান করেন এবং সাংবাদিকরা হুমকি দাতার পরিচয় জানতে চাইলে তিনি জানান যে নার্স (রাবেয়া খাতুন) ইঞ্জেকশন দিয়েছেন আমি তার স্বামী। হুমকিদাতা সাংবাদিকদের সাথেও খারাপ ব্যবহার করেন এবং সাংবাদিকদের ছবি তুলে তুলে ভয়-ভীতি দেখান। আমরা যখন আর উনাদের সাথে ভয়ে কথা বলেতে পারিনি তখন আমাদের এলাকার চাঁদপুর ৯ নং ইউনিয়নের চেয়ারম্যান রাশিদুজ্জামান তুষার ভাইকে ঘটনাটি জানিয়ে ডেকে আনি এবং হাসপাতাল কর্তৃপক্ষদের কাছে বিষয়টি জানানোর জন্য অনুরোধ করি।
এ বিষয়ে কুষ্টিয়া সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডাক্তার তাপস কুমার পালের সাথে কথা বলতে গেলে তিনি বলেন, সাংবাদিকদের আমার পারমিশন নিয়ে হাসপাতালের ভিতরে প্রবেশ করতে হবে। কোন বিষয়ে আমি ছাড়া কেউ কোন আপনাদেরকে তথ্য দিবে না। তিনি বলেন নিহত নবজাতক শিশুটি সকাল থেকে অনেক অসুস্থ ছিলেন হয়তো এই কারণে মারা গিয়েছে। হাসপাতালের ভিতরে নার্স রাবেয়া খাতুনের স্বামী নিহত পরিবারসহ সেখানকার উপস্থিত সাংবাদিকদের সাথে খারাপ ব্যবহার করার ব্যাপারে জানালে তিনি আরো বলেন, এ বিষয়টি তিনি অন্যায় করেছেন এ বিষয়ে আমরা অবশ্যই ব্যবস্থা গ্রহণ করব তাছাড়া হাসপাতালের নার্সের পরিবার হাসপাতালের বিষয় নিয়ে কথা বলতে পারেন না।
