মোঃ কনক হোসেন ॥ ভারত থেকে পাচার হয়ে আসা বিপুল পরিমাণ টাপেন্টাডল মাদক এবং ফেনসিডিল করোনা ভাইরাসের ন্যায় ছড়িয়ে পড়েছে সারা বাংলাদেশে।
তার ব্যতিক্রম নয় কুষ্টিয়া জেলার মিরপুর উপজেলাও। গতকাল মঙ্গলবার ( ১১ই জুন) মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক পারভিন আক্তারের নেতৃত্বে একটি দল গতকাল সকালে মিরপুর উপজেলায় ভিন্ন ভিন্ন দুটি অভিযান পরিচালনা করেন।
গোপন তথ্যের ভিত্তিতে সকাল আটটা এবং সকাল ৯ টায় ভিন্ন ভিন্ন স্থানে দুটি অভিযান পরিচালনা করে, ভিন্ন ভিন্ন স্থান থেকে ৮০ পিস ট্যাপেন্ডাটল ট্যাবলেট এবং ১৩ বোতল ফেনসিডিল উদ্ধার করতে সামর্থ্য হন।
উক্ত অভিযানে ১১ ই জুন মঙ্গলবার সকাল ৯:৩০ মিনিটে কুষ্টিয়া জেলার মিরপুর পৌরসভার ৫ নং ওয়ার্ড এলাকাস্থ মোহাম্মদ রহিদুল শেখ এর পুত্র মোহাম্মদ রুহুল (২৫) বাড়িতে কুষ্টিয়া মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক পারভিন আক্তার এর নেতৃত্বে সাব-ইন্সপেক্টর রাসেল কবির (খ) এর একটি চৌকস টিম সহ অভিযান পরিচালনা করে।
উক্ত অভিযানে রুহুল এর নিজ দখলীয় দক্ষিণ ভিটা উত্তর দুয়ারী বসত ঘর ঘেরাও পূর্বক তল্লাশি করে বসত ঘরের মধ্যে প্লাস্টিক ব্যাগের মধ্যে ১৩ বোতল ফেন্সিডিল উদ্ধার করে।
এবং একই উপজেলার বারুইপাড়া ইউনিয়নের গৌড়দহ গ্রামের মোঃ মারজুল মন্ডলের ছেলে মোঃ নাছিম (৩৩) বাড়িতে পরিচালনা করে ৮০ পিস টাপেন্টাডল ট্যাবলেট উদ্ধার করে। উক্ত অভিযানে আসামি নাসিমের (৩৩) বাড়ির পাশে মাঠ থেকে শুকনা ঘাসের স্তুপ এর নিচে থেকে টাপেন্টাডল ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয় সাতপাতা বা ৭০ পিস টাপেন্ডাটল ট্যাবলেট আর বাকি ১০ পিস পাওয়া যায় তার ঘরের পশ্চিম ভিটার আঙিনা থেকে।
ইয়াবার বিকল্প হিসেবে দেশে এখন টাপেন্টাডল ট্যাবলেট ব্যবহার করা হচ্ছে।
গতকাল মঙ্গলবার (১১ই জুন) মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সাব ইন্সপেক্টর রাসেল কবির বলেন, গোপন খবরের ভিত্তিতে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক পারভিন আক্তারের নেতৃত্বে আমরা এ অভিযান চালায়। এ সময় কারবারে জড়িত চক্রের মূল হোতারা মোহাম্মদ রুহুল (২৫) এবং মোহাম্মদ নাসিম (৩৩) গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়।
এবং পরবর্তীতে তারা ধারা অনুযায়ী তাদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে মিরপুর থানায় সোপর্দ করে ।
