আমিন হাসান ॥ কুষ্টিয়ার শহরতলী কুঠিপাড়া এলাকার বাসিন্দা মাফু এখন কুষ্টিয়া শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ীর মধ্যে একজন, তার নামে থানায় একাধিক মামলা রয়েছে এবং বিভিন্ন সময় পুলিশের কাছে একাধিকবার মাদক নিয়ে আটক হয়েছেন তারপরও থামেনি তার মাদকের এই সমাজ ধ্বংস করার ব্যবসা। অল্প বয়সে তার পাঁচটি সন্তান রয়েছে তাদেরকে ঠিক মতো লেখাপড়া না করালেও শিখিয়েছেন মাদক বেচার কৌশল এমনকি মা,খালা,ভাই,বোন সবাই মিলে মাদক বেচার মেলায় প্রতিযোগিতায় মেতে উঠেছেন। রয়েছে সরকারি জায়গার উপরে বিলাসবহুল দুই তলা বাড়ি সহ আর দুইটি বাড়ি, রয়েছে এন এস রোড সংলগ্ন স্বর্ণ পট্টির মত জায়গাতে দুইটি দোকান। তার বাড়ির নিচে রয়েছে ভাঙ্গির দোকান মাদক সেবনকারীরা নেশার জন্য টাকা যোগান না দিতে পারলে বিভিন্ন জায়গা থেকে ছিনতাই চুরি করে তার কাছে বিক্রি করেন এবং খুব সহজে মাদক সেবনকারীর হাতের তুলে দেন মাদক। এলাকাবাসী সূত্রে জানাযায়, এই এলাকায় অনেক পাতিনেতা রয়েছে যাদের ভয়ে আমরা মুখ খুলতে পারি না। তাদের কোন কাজ কাম নেই তারা এই এলাকার মাদক ব্যবসায়ীদের সহযোগিতা করেন এবং তাদের কাছ থেকে প্রতিমাসে মাশোহারা নেন বিভিন্ন সময় যদিও পুলিশ অভিযান চালাতে যায় ঠিক তখনই তার এই পোষা বাহিনী দিয়ে মাদক সেবনকারীকে ধরিয়ে দিয়ে বুঝিয়ে দেয় তিনি মাদক ব্যবসায়ী। পুলিশ বুঝতেও পারে না আসলে মাদক ব্যবসায়ী কে আর মাদক সেবনকারী কে সেই পোষালোকরায় আবার তাদের মাদক মামলার সাক্ষী হন। তাদের কারণে আজ আমাদের যুবসমাজ নষ্ট হয়ে যাচ্ছে তাদের কারণে এই এলাকার উর্তি বয়সের তরুণরা নেশাগ্রস্ত হয়ে বিভিন্ন অপকর্মের সাথে জড়িয়ে পড়ছে। মাদক ব্যবসায়ী মাফু( ২৭) কুটিপাড়া তিন নম্বর ওয়ার্ডের রিপন আলীর (৩৫) স্ত্রী। স্থানীয় বাসিন্দা যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধা কুষ্টিয়া সদর থানা তথ্য কমান্ডার মোঃ শফিউদ্দিন (রতন) জানান,আমাদের এই এলাকা মাদকের সয়লাব অতিরিক্ত মাত্রায় হয়ে গেছে এর আগে আমি অনেকবার থানাতে জানিয়েছি একবার অভিযান চালিয়ে মাদক ব্যবসায়ী মাফুর বাড়ি থেকে বিপুল পরিমাণ ফেনসিডিল ও টাপেনটা ট্যাবলেট উদ্ধার করেছিল র্যাব, পুলিশ। আমি সহ আমার এলাকাবাসী সবাই যাতে ভালো থাকি এ বিষয়ে কুষ্টিয়া জেলা পুলিশের সহযোগিতা কামনা করছি। এ বিষয়ে কুষ্টিয়া মডেল থানা ওসিকে ফোন করলে তিনি ফোনটি রিসিভ করেননি।
