রঞ্জুউর রহমান ॥ যেসব প্রতিষ্ঠান ও কলকারখানা গুলোতে সেফটি ম্যানেজমেন্ট পরিচালনা করছে না তাদের কে আইনের আওতায় আনতে কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তরকে জেলা প্রশাসন কুষ্টিয়া সর্বোচ্চ সহযোগিতা দিতে দৃঢ় প্রতিজ্ঞাবদ্ধ।। গতকাল রবিবার (২৮ এপ্রিল ) সকাল সাড়ে নয়টা সুস্থ শ্রমিক, শোভন কর্মপরিবেশ; গড়ে তুলবে স্মার্ট বাংলাদেশ’এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে কুষ্টিয়া জেলা প্রশাসন কুষ্টিয়া ও কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তর এর আয়োজনে জাতীয় পেশাগত স্বাস্থ্য ও সেইফটি দিবস ২০২৪ দিবস উদযাপন উপলক্ষে বর্ণাঢ্য র্যালী ও আলোচনা সভা অনুষ্টিত হয়। উক্ত অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক এহেতেশাম রেজা, এছাড়াও বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন,কুষ্টিয়া জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা আজগর আলী, কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তর কুষ্টিয়া উপমহাপরিদর্শক (চলতি দায়িত্ব) ফরহাদ ওহাব, শ্রম পরিদর্শক মোঃ ইশতিয়াক আহম্মেদ শ্রম পরিদর্শক (স্বাস্থ্য) মোঃ আবুল হাসেম,উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা দৌলতপুর মোঃ ওবায়দুল্লাহ,উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কুষ্টিয়া সদর পার্থ প্রিতম শীল,উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ভেড়ামারা আকাশ কুমার কুন্ডু,উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কুমারখালী এস এম মিকাইল ইসলাম,উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মিরপুর বিবি করিমুন্নেছা,সিভিল সার্জন কুষ্টিয়া ডাঃ মোঃআকুল উদ্দিন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক)শারমিন আখতার,অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ আবদুল ওয়াদুদ,অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক ( উন্নয়ন ও মানব সম্পদ ব্যবস্থাপনা ও উপপরিচালক,স্থানীয় সরকার(অ.দা) মোঃ কাওছার হোসেন,সিনিয়র সহকারী কমিশনার (রেভিনিউ মুন্সিখানা শাখা, ভূমি অধিগ্রহণ শাখা ও জেনারেল সার্টিফিকেট শাখা) মোঃ জিল্লুর রহমান, সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট (ব্যবসা, বানিজ্য ও বিনিয়োগ শাখা, রেকর্ডরুম শাখা) আদিত্য পাল, সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট (জুডিশিয়াল মুন্সিখানা শাখা, প্রকল্প পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন শাখা মোঃ রাহাতুল করিম মিজান, সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট,মুমতাহিনা পৃথুলা,সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট (সাধারণ শাখা, প্রবাসী কল্যাণ শাখা) সৈয়দ আফিয়া মাসুমা,সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট (আইসিটি শাখা ও ই-সেবা কেন্দ্র) মোঃ তাফসীরুল হক মুন এবং ইলেকট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ। উপস্থিত বক্তারা বলেন, এ বছরের প্রতিপাদ্য ‘সুস্থ শ্রমিক, শোভন কর্মপরিবেশ’ গড়ে তুলবে স্মার্ট বাংলাদেশ’ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান আমৃত্যু মেহনতি, শোষিত ও বঞ্চিত মানুষের ভাগ্যোন্নয়নে কাজ করেছেন। বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে বাংলাদেশ ১৯৭২ সালে আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা (আইএলও)-এর সদস্যপদ লাভ করে। একই বছর তিনি শ্রমনীতি ঘোষণা করেন এবং আইএলওর পাঁচটি মৌলিক কনভেনশনসহ মোট ২৯টি কনভেনশন অনুসমর্থন করেন। কলকারখানার সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা এবং শ্রমজীবী মানুষের পেশাগত নিরাপত্তা ও আইনগত অধিকার নিশ্চিত করা সরকারের পাশাপাশি সব শিল্প মালিকের নৈতিক দায়িত্ব।২০৪১ সালের মধ্যে স্মার্ট ও উন্নত অর্থনীতির দেশে পরিণত হওয়ার লক্ষ্য অর্জনে সরকার ব্যাপক উন্নয়ন কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। এ সব কল্যাণমুখী কর্মসূচির সফল বাস্থবায়ন ও শ্রমিকের উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধিতে শ্রমিক ভাইবোনদের জন্য শোভন ও নিরাপদ কর্মপরিবেশ নিশ্চিতকরণের বিকল্প নেই। জেলা প্রশাসক এহেতেশাম রেজা বলেন, জেলার প্রত্যেক প্রতিষ্ঠানে শ্রমিকদের স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তার বিষয়টা সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে দেখা হয় এবং শিল্প কালকারখানাতে শ্রমিকদের সেফটির ও স্বাস্থ্য বিষয়টা নিশ্চিত করছে কি না তা দেখার জন্য সরকারের একটি দপ্তর রয়েছে। সেই দপ্তরে কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ যেসব প্রতিষ্ঠান ও কলকারখানা গুলোতে সেফটি ম্যানেজমেন্ট পরিচালনা করছে না তাদের কে আইনের আওতায় আনতে কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তরকে জেলা প্রশাসন কুষ্টিয়া সর্বোচ্চ সহযোগিতা দিতে দৃঢ় প্রতিজ্ঞাবদ্ধ।
