কুষ্টিয়া জেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান এবং তার স্ত্রীর সম্পদ বিবরণী চেয়ে দুদকের নোটিশ - কুষ্টিয়া জিলাইভ | truth alone triumphs

কুষ্টিয়া জেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান এবং তার স্ত্রীর সম্পদ বিবরণী চেয়ে দুদকের নোটিশ

লেখক: প্রতিবেদক ঢাকা
প্রকাশ: এপ্রিল ৫, ২০২৪

নিজ সংবাদ ॥ কুষ্টিয়া জেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও জেলা আ.লীগের সহ-সভাপতি হাজী রবিউল ইসলাম এবং তার স্ত্রী জনাব মোছাঃ বানু ইসলাম এর প্রতি পৃথক পৃথক সম্পদ বিবরণী দাখিলের জন্য নোটিশ দিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। গত বুধবার (৩ মার্চ) দুর্নীতি দমন কমিশন সমন্বিত জেলা কার্যালয় কুষ্টিয়ার উপসহকারী পরিচালক মোঃ হাফিজুর রহমান এর স্বাক্ষরে এ নোটিশ দেওয়া হয়। দুদকের পাঠানো নোটিশে হাজী রবিউল ইসলাম এবং তার স্ত্রী জনাব মোছাঃ বানু ইসলাম ছাড়াও তাদের ওপর নির্ভরশীল ব্যক্তিবর্গের স্বনামে-বেনামে অর্জিত যাবতীয় স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি, দায়-দেনা, আয়ের উৎস ও উহা অর্জনের বিস্তারিত বিবরণ দাখিল করতে বলা হয়েছে। ২১ কার্যদিবসের মধ্যে দুদকে এ বিবরণী দাখিল করতে হবে। দুদক, কুষ্টিয়ার তথ্য অনুযায়ী এ কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মোঃ সাইদুর রহমান হাজী রবিউল ইসলামের অবৈধ সম্পদের বিষয়ে অনুসন্ধান করে দুর্নীতি দমন কমিশন বরাবর প্রতিবেদন দাখিল করেন। তার দাখিলকৃত প্রতিবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে প্রধান কার্যালয় হতে সে এবং তার স্ত্রীর নামে পৃথক পৃথক সম্পদ বিবরণী আদেশ জারীর সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

উল্লেখ্য, দুর্নীতি দমন কমিশন আইন ২০০৪ এর ২৬ (১) ধারা অনুযায়ী, কমিশন কোন তথ্যের ভিত্তিতে এবং উহার বিবেচনায় প্রয়োজনীয় অনুসন্ধান পরিচালনার পর যদি এই মর্মে সন্তুষ্ট হয় যে, কোন ব্যক্তি বা তাঁহার পক্ষে অন্য কোন ব্যক্তি, বৈধ উৎসের সহিত অসঙ্গতিপূর্ণ সম্পত্তির দখলে রহিয়াছেন বা মালিকানা অর্জন করিয়াছেন, তাহা হইলে কমিশন কর্তৃক নির্ধারিত পদ্ধতিতে দায়-দেনার বিবরণ দাখিলসহ উক্ত আদেশে নির্ধারিত অন্য যেকোনো তথ্য দাখিলের নির্দেশ দিতে পারবে। দুদক, কুষ্টিয়া কর্তৃক প্রেরিত সম্পদ বিবরণীতে উল্লেখ রয়েছে যে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সম্পদ বিবরণী দাখিল করতে ব্যর্থ হইলে অথবা মিথ্যা বিবরণী দাখিল করিলে উপরিউক্ত আইনের ধারা ২৬ এর উপধারা (২) মোতাবেক তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। দুদক আইন অনুযায়ী সম্পদ বিবরণীতে মিথ্যা তথ্য দাখিল করলে উক্ত ব্যক্তি ০৩ বছর পর্যন্ত কারাদন্ড বা অর্থদন্ড বা উভয়দন্ডে দন্ডিত হবেন। দুদক, কুষ্টিয়ার তথ্য অনুযায়ী, উল্লিখিত ব্যক্তি কর্তৃক সম্পদ বিবরণী দাখিলের পর উক্ত সম্পদ বিবরণী যাচাই করে মিথ্যা তথ্য এবং জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের প্রমাণ পাওয়া গেলে কমিশনের অনুমোদন সাপেক্ষে ভীন্ন ভীন্ন ধারায় মামলা রুজু করা হবে। ঘটনার বিষয়ে জানতে চাইলে সত্যতা স্বীকার করে দুর্নীতি দমন কমিশন সমন্বিত জেলা কার্যালয় কুষ্টিয়ার উপসহকারী পরিচালক নীলকমল পাল বলেন, চিঠি গেছে সত্য, তবে এর বাইরে আমার কিছু বলার নেই।