আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কুষ্টিয়া সদর-৩ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী মোঃ পারভেজ আনোয়ার তণু বলেছেন, আমার পিতা তাঁর জীবনের মূল্যবান সময় ব্যয় করেছেন দলের জন্য। ৭৫’র পরবর্তী কুষ্টিয়ার বুকে যখন বঙ্গবন্ধুর কথা বলতে অনেকেই ভয় পেতেন, ঠিক এমনি একটি সময়ে আমার পিতা বঙ্গবন্ধুর আদর্শ বাস্তবায়ন এবং দলকে সুসংগঠিত করতে দিনরাত অক্লান্ত পরিশ্রম করেছেন।

তণু বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সোনার বাংলা গড়তে এবং জননেত্রী শেখ হাসিনার সকল নির্দেশনা বাস্তবায়নে আমার পিতা আজও কাজ করে চলেছেন। আমিও তাঁর সন্তান হিসেবে জননেত্রী শেখ হাসিনার সকল নির্দেশনা বাস্তবায়নের মাধ্যমে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গড়ার কাজে অংশিদার হতে চাই। তণু বলেন, আমরা লক্ষ্য করেছি যে, বর্তমান সরকার ও দলের নাম ভাঙ্গিয়ে এক শ্রেণির সুবিধাভোগী মানুষ নানা অপকর্ম করে চলেছে।
আর বিভিন্ন ক্ষেত্রে নির্যাতিত ও অপমাণিত হচ্ছেন দলের দূর্দিনের ত্যাগি নেতা-কর্মীরা। এই অপমান ও নির্যাতনের জবাব দেয়ার সময় এসেছে। তণু বলেন, আমার জন্ম আওয়ামী পরিবারে। বুদ্ধি হওয়ার পর থেকে আজ পর্যন্ত আমি বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ধারণ ও পালন করে চলেছি। তণু বলেন, আমি নিজেকে সৌভাগ্যবান মনেকরি, কারণ খুব অল্প বয়সেই জননেত্রী শেখ হাসিনার কাছে যাওয়ার সৌভাগ্য আমার হয়েছে এবং তাঁর আদর-স্নেহ আমি পেয়েছি। তণু বলেন, বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক বলেছেন, ‘আওয়ামীলীগের নেতাকর্মীরা যার পক্ষে খুশি কাজ করবে, এটা তাদের ইচ্ছা’। আমি মনেকরি আওয়ামীলীগের নেতা-কর্মীরা তাঁদের আদর-স্নেহ থেকে আমাকে বঞ্চিত করবেনা, তাঁরাও আমার পক্ষে কাজ করবেন।
তণু বলেন, আমি কুষ্টিয়া বাসীর সাথে ছিলাম, আছি এবং থাকবো। আশা রাখি৭ জানুয়ারি নির্বাচনে দলমত নির্বিশেষে সবাই ঈগল প্রতীকে ভোট দিয়ে আমাকে নির্বাচিত করবেন এবং আপনাদের পাশে থেকে কুষ্টিয়া সদরের উন্নয়ন করার সুযোগ দিবেন। গতকাল শনিবার দিনব্যাপি তণু নিজকর্মী ও সমর্থকদের সাথে নিয়ে কুষ্টিয়া সদর উপজেলার কমলাপুর বাজার সহ বিভিন্ন স্থানে নির্বাচনী ক্যাম্প উদ্বোধন এবং শহর ও সদর উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় গণ সংযোগকালে এসব কথা বলেন। রাতে কমলাপুর বাজারে নির্বাচনী ক্যাম্প উদ্বোধন কালে তাঁর সাথে ছিলেন পিতা কুষ্টিয়া পৌরসভার ৫ বারের নির্বাচিত মেয়র ও বর্ষিয়ান আওয়ামীলীগ নেতা জননেতা আনোয়ার আলী।
এ সময় তণু ও মেয়র আনোয়ার আলীকে একনজর দেখার জন্য দলমত নির্বিশেষে হাজারো মানুষ ছুটে আসেন। তাদেরকে কাছে পেয়ে তারা আবেগ আপ্লুত হয়ে পরেন। তারা ঈগল প্রতীকে ভোট দিয়ে তণুকে সংসদ সদস্য হিসেবে দেখবেন বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
