উষ্ণতার খোঁজে পুরোনো গরম কাপড়ের দোকানে ভিড় - কুষ্টিয়া জিলাইভ | truth alone triumphs

উষ্ণতার খোঁজে পুরোনো গরম কাপড়ের দোকানে ভিড়

লেখক: প্রতিবেদক ঢাকা
প্রকাশ: ডিসেম্বর ১৬, ২০২৩
উষ্ণতার খোঁজে পুরোনো গরম কাপড়ের দোকানে ভিড়

শীতের প্রকোপ বাড়ায় কুষ্টিয়ার ভেড়ামারায় পুরোনো গরম কাপড়ের বিক্রি বেড়েছে। শহরের বিভিন্ন রাস্তার পাশে অস্থায়ী পুরোনো কাপড়ের দোকানগুলোতে সারাদিন লেগেই থাকছে ভিড়। কম দামে মিলছে ভালো মানের গরম কাপড়। ফলে বেচাকেনাও ভালো হচ্ছে। বিক্রেতারা বলছেন, চাহিদা থাকায় মাঘের শেষ পর্যন্ত বিক্রি চলবে।

উষ্ণতার খোঁজে পুরোনো গরম কাপড়ের দোকানে ভিড়

উষ্ণতার খোঁজে পুরোনো গরম কাপড়ের দোকানে ভিড়

উষ্ণতার খোঁজে পুরোনো গরম কাপড়ের দোকানে ভিড়

ভেড়ামারা শহরে অস্থায়ী ভাবে রেলওয়ে পাশে গড়ে উঠা দোকানগুলোতে এবারো শীতের গরম পোশাক বিক্রি জমে উঠেছে। বিত্তশালীদের ছুটছেন অভিজাত বিপণী বিতানে আর নিম্ন ও মধ্যবিত্ত আয়ের মানুষরা স্বল্প দামে শীতের পোশাক কিনতে ভিড় জমাচ্ছেন অস্থায়ী পুরোনো কাপড়ের দোকানগুলোতে। সরেজমিন ঘুরে দেখা গেছে, পুরোনো শীতের পোশাকের ১৫টি দোকানে বসেছে। ক্রেতা-বিক্রেতাদের হাঁক-ডাকে মুখরিত পুরো এলাকা। যেখানে নিম্ন আয়ের মানুষের পাশাপাশি মধ্যবিত্তরাও এসেছেন স্বল্প দামে পছন্দের গরম কাপড় কিনতে। অস্থায়ী এসব দোকানে কোরিয়া, তাইওয়ান ও জাপানসহ বিভিন্ন দেশের পুরোনো ব্লেজার, জ্যাকেট, সোয়েটার, ট্রাউজার, মাফলার, টুপি, হুডি, ফুলহাতা গেঞ্জি, কম্বলসহ বিক্রি হচ্ছে শীতবস্ত্র।

অস্থায়ী শীতের পোশাক বিক্রেতা মমিন শেখ ও দেলোয়ার মণ্ডল বলেন, দীর্ঘ ৭-৮ বছর ধরে শীতের সময় অস্থায়ীভাবে আমরা পোশাক বিক্রি করে থাকি। দোকানে নিম্নবিত্ত ও স্বল্প আয়ের মানুষের পাশাপাশি মধ্যবিত্তদেরও ভিড় দেখা যায়। এখানে কমদামি ৫০ থেকে ৩০০ টাকার মধ্যে, মাঝারি ধরনের ৩০০ থেকে ৮০০ টাকা (বিদেশি জ্যাকেট ও সুয়েটার) পর্যন্ত বিক্রি হয়ে থাকে। কিছু কিছু পোশাক ও কম্বল ১ থেকে ২ হাজার টাকায়ও বিক্রি হয়।

শীতের পোশাক ক্রেতা মো. আজিজুল ইসলাম বলেন, বাজারে একটি মানসম্মত শীতের পোশাক কিনতে ১৫শ থেকে ২ হাজার টাকা লাগে। কিন্তু এখানে পুরোনো শীতবস্ত্র হলেও স্বল্প দামে একটি ভালো শীতের পোশাক কিনতে পারি।

শীতের পোশাক ক্রেতা রিকশাচালক মো. আলমগীর শেখ বলেন, শীত পড়তে শুরু করেছে। নতুন শীতের পোশাক কেনার সামর্থ্য নেই আমার। তাই মেয়ের জন্য ৩০০ টাকা দিকে নতুন কোয়ালিটির পোশাক কিনেছি। আমাদের মতো অতি দরিদ্রদের জন্য একমাত্র ভরসা এই পুরোনো শীতের পোশাকের দোকানগুলো।