আমাদের আজকের আলোচনার বিষয় কুষ্টিয়া জেলার ব্যবসা।

পাকশী রেল সেতু – কুষ্টিয়া জেলা
বৃহৎ, মাঝারী, ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্পের জন্য কুষ্টিয়ার ব্যাপক পরিচিতি রয়েছে। তাছাড়া কুষ্টিয়া জেলার জগতিতে কুষ্টিয়া সুগার মিলস লিঃ নামে ১ টি চিনিকল রয়েছে। কুষ্টিয়ার উল্লেখযোগ্য শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলো হলোঃ কুষ্টিয়া টেক্সটাইল মিলস্ লিমিটেড, ইস্টার্ণ ফেব্রিক্স ইন্ডাঃ লিঃ, বুলবুল টেক্সটাইল লিঃ, রেণউইক যজ্ঞেশ্বর এ্যান্ড কোং (বিডি) লিঃ , বি আর বি কেবলস ইন্ডাস্টিজ লিঃ, এম আর এস ইন্ডাস্ট্রিজ, কিয়াম মেটাল ইন্ডাস্ট্রিজ লিঃ, বিএটিবি এবং নাসির টোবাকো ইন্ডাস্ট্রিজ লিঃ । এখানে বিসিক শিল্প নগরী লাভজনক শিল্প প্রতিষ্ঠানে সমৃদ্ধ। অন্যান্য তথ্যাদি নিম্নরূপঃবৃহৎ শিল্পঃ ১৫ টি মাঝারী শিল্প ঃ ৩৮ টিক্ষুদ্র শিল্প ঃ ৫২১২ টি কুটির শিল্প ঃ ২১৮৩৭ টি।
কুষ্টিয়া জেলা বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের খুলনা বিভাগের একটি প্রশাসনিক অঞ্চল। কুষ্টিয়া পৌরসভা বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম পৌরসভা ও দেশের ১৩ তম বৃহত্তম শহর। লালনের মাজার ছাড়াও এ জেলার শিলাইদহে রয়েছে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কুঠিবাড়ি ও মীর মশাররফ হোসেনের বাস্তুভিটা। এ জেলাতে রয়েছে ইসলাম বিষয়ক বাংলাদেশের একমাত্র সরকারি ও স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম বিশ্ববিদ্যালয় ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়। কুষ্টিয়া জেলাকে বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক রাজধানী বলা হয়।
বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম শিল্পকলা একাডেমি কুষ্টিয়াতে অবস্থিত। শিল্প প্রতিষ্ঠানের দিক দিয়ে এ-জেলা দেশের খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কুষ্টিয়া শহর ছাড়াও এ জেলায় কুমারখালী ও ভেড়ামারা পৌরসভায় বিসিক শিল্প গড়ে ওঠেছে৷ কুষ্টিয়ার ভেড়ামারায় বাংলাদেশের বৃহত্তম তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্র অবস্থিত। কুষ্টিয়া শহর হলো এ জেলার প্রশাসনিক সদর এবং প্রধান শহর।
কুষ্টিয়া জেলার মানুষের কথ্য বা মুখের ভাষাকে বাংলাদেশের সবচেয়ে শুদ্ধ ভাষা অর্থাৎ বাংলাদেশে বাংলা ভাষার সবচেয়ে প্রমিত রূপ বলা হয়ে থাকে। মুক্তিযুদ্ধের সূচনা এ জেলা থেকেই। নোবেল বিজয়ী কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তার প্রথম জীবন ও কবিতার স্বর্নযুগ কুষ্টিয়ার শিলাইদহে কাটিয়েছিলেন।

ফকির লালন সাঁইজির মাজার -কুষ্টিয়া জেলা
আরও পড়ুনঃ
