লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং খুবই সম্ভাবনাময়ী একটি ক্ষেত্র - জেলা প্রশাসক এহেতেশাম রেজা
বাংলাদেশ ইঞ্জিনিয়ারিং শিল্প মালিক সমিতি কুষ্টিয়া জেলা শাখার আয়োজনে এবং সিরিয়াল সিস্টেম ইনিশিয়েটিভ ফর সাউথ এশিয়া ম্যাকানাইজেশন এক্সটেনশন এক্টিভিটি (সিসা-এম ই এ) সহযোগিতায় কুষ্টিয়ায় আধুনিক কৃষি যন্ত্রপাতি গবেষণা উন্নয়ন, প্রস্তুত এবং আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানসমূহের অংশগ্রহণে কৃষি যন্ত্রপাতি মেলা উদ্বোধন করা হয়েছে ।লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং খুবই সম্ভাবনাময়ী একটি ক্ষেত্র – জেলা প্রশাসক এহেতেশাম রেজা।

লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং খুবই সম্ভাবনাময়ী একটি ক্ষেত্র – জেলা প্রশাসক এহেতেশাম রেজা
বুধবার ২৩ শে আগস্ট দুপুর ১ টায় কুষ্টিয়া পৌরসভা চত্বরে বাংলাদেশ ইঞ্জিনিয়ারিং শিল্প মালিক সমিতি কুষ্টিয়া জেলা শাখার সহ-সভাপতি ইউনুস খানের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে মেলাটি উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক এহেতেশাম রেজা । উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর কুষ্টিয়ার উপপরিচালক ডক্টর হায়াত মাহমুদ, কুষ্টিয়া সদর উপজেলার নির্বাহী অফিসার পার্থ প্রতিম শীল, কেএনবি গ্রæপের চেয়ারম্যান ও বিশিষ্ট শিল্পপতি কামরুজ্জামান নাসির, সিসা-এমইএ এর আইডিই টিম লিডার ডক্টর ফারুক উল ইসলাম, সিসা-এমইএ এর আইডিই এর প্রকল্প পরিচালক জাহিদুল ইসলাম চৌধুরী এবং সিমিট বাংলাদেশ এর আঞ্চলিক সমন্বয়কারী কৃষিবিদ জাকারিয়া হাসান ।
কৃষি যন্ত্রপাতি মেলায় অংশগ্রহণকারী আধুনিক কৃষি যন্ত্রপাতি গবেষণা, উন্নয়ন, প্রস্তত এবং আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানগুলো হলো – জিএসএম ইঞ্জিনিয়ারিং, আল হেলাল ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কশপ, আরকে মেটাল, মেসার্স কশবা ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কস, জনতা এগ্রো ইঞ্জিনিয়ারিং, মেসার্স আশা ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কস, শাহীন মেশিনারি এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কশপ, মেসার্স কালাম ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কশপ, ইসলাম ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কশপ, ন্যাশনাল ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কশপ এবং কুষ্টিয়া ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কশপ ।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক এহেতেশাম রেজা বলেন, লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং এর এই মূহুর্তে খুবই সম্ভবনা রয়েছে । যার মূল কারণ হলো যুক্তরাজ্য ঘোষণা দিয়েছে ৪২৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলার সমমূল্যের লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং আমদানি করবে তারা । আপনারা শুনেছেন গার্মেন্টেসে জিএসপি সুবিধা ছিলো । ২০২৩ সালের পর থেকে জিএসপি সুবিধা আমরা পাবো না । ২০২৩ সালের পর আমাদের জিএসপি প্লাস প্লাস এ যেতে হবে । ডিটিএসএম বলে একটা স্কিম আছে । বাংলাদেশে ডিটিএসএম স্কিমে এ অর্ন্তভূক্ত । অনান্য পণ্যে ভ্যালু অ্যাডিশন (ভ্যাট) শতকরা ৩৫ শতাংশ, সেখানে লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং এর ক্ষেত্রে বাংলাদেশকে শিথিলতা দেখানো হয়েছে । বলা হয়েছে, লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং এর ক্ষেত্রে বাংলাদেশেকে ২৫ শতাংশ ভ্যালু অ্যাডিশন (ভ্যাট) করলেই এই পণ্যটি যুক্তরাজ্য গ্রহন করবে । এই মূহুর্তে আমরা মাত্র ৫০০ মিলিয়ন ডলার রপ্তানি করি । যে বিশ্ব বাজারে লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং এর ৪২৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের চাহিদা রয়েছে। যা চাহিদার শূণ্য দশমিক দুই ভাগ ।
উপস্থিত আধুনিক কৃষি যন্ত্রপাতি গবেষণা, উন্নয়ন, প্রস্তত এবং আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানের মালিক ও কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে জেলা প্রশাসক বলেন, আপনারা যারা কাজ করছেন সবার প্রতি আমার অনুরোধ থাকবে, এটা খুবই লাভজনক একটি ব্যবসা, আমরা রপ্তানি বৃদ্ধির জন্য কাজ করছি । গার্মেন্টেস এর পাশা পাশি লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং খুবই সম্ভাবনাময়ী একটি ক্ষেত্র । বাংলাদেশ সরকার এই শিল্পের প্রসারে কাজ করছে । বিভিন্ন জায়গায় বিভিন্ন ধরনের প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা হচ্ছে এবং বলা হচ্ছে আমাদের জিডিপি হার যদি শতকরা পাঁচ শতাংশ করে আমরা ধরে রাখতে পারি তাহলে ২০৪০ সালে বাংলাদেশে অর্থনীতির আকার দাঁড়াবে এক ট্রিলিয়ন ডলারে। লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং নিয়ে যারা কাজ করছেন তাদেরকে আমার পক্ষ থেকে সাধুবাদ জানায় ।
