কুষ্টিয়া সদর উপজেলা স্বাস্থ্য কার্যালয়ের আয়োজনে বিশ্ব টিকাদান সপ্তাহ উপলক্ষে এ্যাডভোকেসী সভা - কুষ্টিয়া জিলাইভ | truth alone triumphs

কুষ্টিয়া সদর উপজেলা স্বাস্থ্য কার্যালয়ের আয়োজনে বিশ্ব টিকাদান সপ্তাহ উপলক্ষে এ্যাডভোকেসী সভা

লেখক: প্রতিবেদক ঢাকা
প্রকাশ: জুলাই ১৪, ২০২৩
কুষ্টিয়া সদর উপজেলা স্বাস্থ্য কার্যালয়ের আয়োজনে বিশ্ব টিকাদান সপ্তাহ উপলক্ষে এ্যাডভোকেসী সভা

বৃহস্পতিবার (১২জুলাই) সকাল ৯ টায় কুষ্টিয়া সদর উপজেলা স্বাস্থ্য কার্যালয়ের আয়োজনে উপজেলা পরিষদের কনফারেন্স রুমে বিশ্ব টিকাদান সপ্তাহ-২০২৩ উপলক্ষে এ্যাডভোকেসী সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

কুষ্টিয়া সদর উপজেলা স্বাস্থ্য কার্যালয়ের আয়োজনে বিশ্ব টিকাদান সপ্তাহ উপলক্ষে এ্যাডভোকেসী সভা

কুষ্টিয়া সদর উপজেলা স্বাস্থ্য কার্যালয়ের আয়োজনে বিশ্ব টিকাদান সপ্তাহ উপলক্ষে এ্যাডভোকেসী সভা

কুষ্টিয়া সদর উপজেলা স্বাস্থ্য কার্যালয়ের আয়োজনে বিশ্ব টিকাদান সপ্তাহ উপলক্ষে এ্যাডভোকেসী সভা

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ সোনিয়া কাওকাবীর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও পৌর আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক আতাউর রহমান আতা ।

বিশ্ব টিকাদান সপ্তাহ ২০২৩ উপলক্ষে ডাঃ তৃষিয়া আফরিনের সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথি ছিলেন সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাধন কুমার বিশ্বাস এবং সদর উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক রেজাউল হক।

এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন, ডাঃ ওমর ফারুক, ডাঃ এনামুল হক, ডাঃ নাজমুস সালেহীন এবং মেডিকেল টেকনোলজিস্ট সেলিনা আক্তার এবং বিভিন্ন ইউনিয়ন স্বাস্থ্য কেন্দ্রের চিকিৎসকসহ সদর উপজেলা স্বাস্থ্য কার্যালয়ের কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ।

google news

গুগোল নিউজে আমাদের ফলো করুন

এ্যাডভোকেসী সভা’র অনুষ্ঠানের শুরুতে ডাঃ ওমর ফারুক বাংলাদেশ সরকারের টিকাদান কর্মসূচীর সুফলতা তুলে ধরেন এবং টিকাদান কর্মসূচীকে বেগবান করতে আগামীতে কি ধরনের কর্মসূচী গ্রহণ করা হবে সেই বিষয়ে বিস্তারিত ভিডিও প্রতিবেদন উপস্থাপন করেন ।

বিশেষ অতিথি সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাধন কুমার বিশ্বাস বলেন- বাংলাদেশের শুধু স্বাস্থ্য খাত নয়, সমগ্রিকভাবে এমন কোন খাত নেই যেখানে উন্নয়নের ছোঁয়া লাগেনি। সকল খাতেই অভূতপূর্ব উন্নয়ন সাধিত হয়েছে। করোনা মহামারী থেকে শুরু করে টিকাদান সহ সমস্ত কর্মকান্ড আমরা সফলভাবে সম্পন্ন করেছি। আমাদের পরিবার কল্যাণ কেন্দ্র রয়েছে, যে জায়গা থেকে আমাদের প্রান্তিক শ্রেণীর মানুষেরা সেবা পেয়ে থাকে। সেই জায়গাগুলোতে যাতে সুন্দরভাবে কাজ হয়, সেই লক্ষে আমরা উর্দ্ধতন সকলের নির্দেশনা মোতাবেক কাজ করে যাচ্ছি। স্বাস্থ্য কর্মিদের আন্তরিকতার কারণেই সেখানে আমরা সুন্দরভাবে সেবা দিতে সক্ষম হচ্ছি ।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে আতাউর রহমান আতা বলেন- টিকাদান কর্মসূচীর সফলতার কারণে আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা হিরো এ্যাওয়ার্ড পেয়েছেন, সেটা দেশ এবং জাতির জন্য অত্যন্ত গর্বের একটি বিষয়। যারা মাঠ পর্যায়ে কাজ করে এটা তাদের অবদান। কয়েকদিন আগে আমরা শ্রেষ্ঠ উপজেলা পরিষদের পুরস্কার পেয়েছি। সেখানে আমার একার কৃতিত্ব না, যারা মাঠ পর্যায়ে কাজ করে এটাও তাদের কৃতিত্ব।

উপস্থিত কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে আতাউর রহমান আতা বলেন, আপনারা যারা মাঠ পর্যায়ে কাজ করেন, তারা কোন বাধার সম্মুখীন হন কি-না বা কাজ করতে কোন অসুবিধা আছে কি না? থাকলে অবশ্যই আমাকে জানাবেন। আমি সেই সমস্যা দ্রুত সমাধান করবো। ২০২১ সালে আমাদের টিকাদানের হার ছিলো ৫২ শতাংশ, কিন্তু সেটা আওয়ামীলীগ সরকারের শাসন আমলে উন্নিত হয়ে ২০১৯ সালে টিকাদানের হার শতকরা ৮৫ শতাংশ। যা আপনাদের অক্লান্ত পরিশ্রমের ফসল। আমরা আশা করি অতি শিঘ্রই আমরা সমগ্র বাংলাদেশের মানুষকে শতভাগ টিকাদান কর্মসূচীর আওতায় আনতে সক্ষম হবো।

সভাপতির বক্তব্যে ডাঃ সোনিয়া কাওকাবী বলেন, ১৯৭৯ সালের ৭ই এপ্রিল ইপিআই শুরু হয়। সমগ্র বাংলাদেশে ৭০০টি স্থায়ী এবং এক লাখ বিশ হাজার অস্থায়ী অস্থায়ী কেন্দ্রে টিকাদান কর্মসূচী চলমান রয়েছে । যার মধ্যে কুষ্টিয়াতে ৪২টি স্থায়ী এবং ৩৩৬টি। আমরা এই মূহুর্তে করোনা টিকা’র সর্বশেষ ডোজ সম্পর্কে যদি বলি, টিকা পাওয়ার পরে মূল কেন্দ্রে ২ জন ৩ তিন এইভাবে লোকজন আসতেছিলো, ইপিআই থেকে নির্দেশনা পওয়ার পর ক্যাম্পেনের করার পর এতই সাড়া পাওয়া গেলো যে টিকা ফুরিয়ে গেলো। এরপর নতুন করে টিকা না আসা পর্যন্ত আর শুরু করা যাবে না।

এই মূহুর্তে আমাদের হাতে টিকার স্টোক নেই । শিশুদের ইপিআই সম্পর্কে ডাঃ সোনিয়া কাওকাবী বলেন, এই মুহুর্তে আমরা শিশুদের দশটা সংক্রমক রোগের টিকা দিয়ে থাকি। খুব শিঘ্রই টাইফয়েড ভেকসিন এবং কিশোরীদের জারায়ু মুখের ক্যান্সারের ভেকসিন সরকারীভাবে শুরু করা হবে।

আরও পড়ুন: