বিশেষ প্রতিনিধি ॥ ইসলামী আন্দোলন কুষ্টিয়া জেলার ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক ও কয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান প্রার্থী প্রকৌশলী মিজানুর রহমান ও ইউনিয়ন সভাপতি আমিনুল ইসলাম রাসেলসহ কয়েকজনের নেতাকর্মীর উপর হামলার ঘটনা ঘটেছে। ইসলামী আন্দোলনের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে শুক্রবার রাতে দেশীয় ও বিদেশী অস্ত্র সহ অতর্কিত সন্ত্রাসী হামলা করেন স্থানীয় বিএনপি ও ছাত্রদল নেতা সহ আওয়ামী লীগের ইউনিয়ন সহ-সভাপতি মিনারুল গ্রুপ। হামলায় ইসলামী আন্দোলনের নেতাকর্মীদের ব্যবহৃত ৩ টি মোটরসাইকেল পুড়িয়ে দেওয়া হয়, এছাড়া অফিস ও নেতাকর্মীদের বাড়িঘর ভাঙচুর করা হয়।
এদিকে হামলার প্রতিবাদে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ কুষ্টিয়া জেলা শাখার উদ্যোগে বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) বিকালে শহরের বড়বাজার থেকে বিক্ষোভ মিছিল শুরু হয়ে এন এস রোড প্রদক্ষিণ করে পাঁচ রাস্তার মোড়ে সংক্ষিপ্ত সমাবেশের মাধ্যমে শেষ করা হয়। মিছিলের সভাপতি আলহাজ্ব আব্দুল্লাহ আখন্দ তার বক্তব্যে এই হামলার তীব্র নিন্দা জানান। অনতিবিলম্বে এই সন্ত্রাসীদের গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনার জন্য প্রশাসনকে আহ্বান করেন। পাশাপাশি তাদের কাছে যেসকল অস্ত্র রয়েছে সেগুলোও উদ্ধারের জন্য অভিযান পরিচালনা করার আহ্বান জানান।
মিছিলে উপস্থিত ছিলেন জেলা সেক্রেটারি জিএম তাওহীদ আনোয়ার, জয়েন্ট সেক্রেটারি মুফতি ফরিদ উদ্দিন আবরার, সাংগঠনিক সম্পাদক মুফতি মুজাম্মিল হক কাসেমী, মুফতি হাবিবুল্লাহ বেলালী, ইঞ্জিনিয়ার মিজানুর রহমান, মাওলানা রেজাউল করিম প্রমুখ। হামলার ঘটনায় ইসলামী আন্দোলনের পক্ষ থেকে কেন্দ্রীয়ভাবে নিন্দা জানানো হয়েছে। সংগঠনের কেন্দ্রীয় মিডিয়া সেল এর প্রধান সমন্বয়ক শরীয়াতুল্লাহ লিখিত বক্তব্যে জানান, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ কুষ্টিয়া জেলার ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক ও কয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার মিজানুর রহমান ও ইউনিয়ন সভাপতি আমিনুল ইসলাম রাসেল সহ কয়েকজনের উপর দেশীয় ও বিদেশী অস্ত্র সহ অতর্কিত সন্ত্রাসী হামলা করেন স্থানীয় বিএনপি ও ছাত্রদল নেতাসহ আওয়ামী লীগের ইউনিয়ন সহ-সভাপতি মিনারুল গ্রুপ।
হামলায় নেতাকর্মীদের ব্যবহৃত ৩ টি মোটরসাইকেল পুড়িয়ে দেয় সন্ত্রাসী বাহিনী, এছাড়াও মিজানুর রহমানের অফিস ও ইমরান সভাপতিসহ নেতাকর্মীদের বাড়িঘর ভাঙচুর করেন। সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে কুমারখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জামাল উদ্দিন এলাকা পরিদর্শন করে মামলা নিলেও এখন পর্যন্ত আসামিদের গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনতে ব্যর্থ হয়েছে।









