মিরপুরে গ্রাম আদালতের ত্রৈ-মাসিক সমন্বয় সভা - কুষ্টিয়া জিলাইভ | truth alone triumphs

মিরপুরে গ্রাম আদালতের ত্রৈ-মাসিক সমন্বয় সভা 

লেখক: প্রতিবেদক ঢাকা
প্রকাশ: মে ১৪, ২০২৬

মিরপুর প্রতিনিধি ॥ কুষ্টিয়ার উপজেলা পর্যায়ে “গ্রাম আদালত কার্যক্রমের অগ্রগতির বিষয়ে ত্রৈ-মাসিক সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রশাসনিক কর্মকর্তা ও হিসাব সহকারী কাম-কম্পিউটার অপারেটরগনের অংশ গ্রহনে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। গতকাল বুধবার (১৩ মে) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে জেলার মিরপুর উপজেলা পরিষদ কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে এ সভার আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন মিরপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার আরাফাত আমান আজিজ।

এতে উপস্থিত ছিলেন, জেলার গ্রাম আদালত এভিসিবি-৩ প্রকল্পের ডিস্ট্রিক্ট ম্যানেজার ফিরোজ হোসেন। সার্বিক সঞ্চালনা করেন মিরপুর উপজেলা গ্রাম আদালত সমন্বয়কারী তৈমুর হায়াতী ও শিউলি আক্তার। এতে উপজেলার ১৩টি ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা ও হিসাব সহকারী কাম-কম্পিউটার অপারেটর উপস্থিত ছিলেন। তবে যে ইউনিয়নে হিসাব সহকারী ছিলেন সে ইউনিয়নের প্রশাসনিক কর্মকর্তা এ সভার বহির্ভূত ছিলেন।

সভায় গত তিন মাসের গ্রাম আদালতের কার্যক্রম, মামলা নিষ্পত্তির হার, বিচারপ্রার্থীদের সন্তুষ্টি, আদালত পরিচালনায় উদ্ভাবনী উদ্যোগ এবং ভবিষ্যৎ করণীয় বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। উপজেলা পর্যায়ে গ্রাম আদালত কার্যক্রম আরও গতিশীল করতে প্রশিক্ষণ বৃদ্ধি, সচেতনতা কার্যক্রম জোরদার করা এবং প্রযুক্তিনির্ভর ব্যবস্থাপনা চালুর ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়। এদিকে সভা শেষে দিনব্যাপী হাতে কলমে গ্রাম আদালতের নথি ব্যবস্থাপনার উপরে প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়েছে। এসময় মিরপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার আরাফাত আমান আজিজ বলেন, গ্রাম আদালত হলো গ্রামীণ জনগণের ন্যায়বিচার পাওয়ার প্রথম স্তর।

স্থানীয় পর্যায়ে দ্রুত ও সুলভ বিচার নিশ্চিত করতে গ্রাম আদালতের কার্যক্রম আরও কার্যকর করতে হবে। গ্রাম আদালতকে গতিশীল করতে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সার্বিক সহযোগিতা করা হবে। সমাজের সকল মানুষের ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে হবে। এছাড়া ডিস্ট্রিক্ট ম্যানেজার ফিরোজ হোসেন বলেন,  ইউপি সদস্য ও স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তিদের উদ্বুদ্ধ করতে হবে। বিশেষ করে ছোটখাট বিরোধগুলো উচ্চ আদালতে না এনে গ্রাম আদালতের বিষয় অবগত করতে হবে।

তারা স্থানীয় পর্যায়ে যে সব শালিসি মীমাংসা করে থাকেন সেগুলো যাতে ডকুমেন্টারির মাধ্যমে করা যায়, অর্থাৎ গ্রাম আদালতের সুবিধা বিষয়ে অবগত করার পরামর্শ দেন তিনি। ফৌজদারি-১০ টাকা, দেওয়ানী-২০ টাকা, গ্রাম আদালত সেবা নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে আগ্রহ তৈরি করতে হবে। গ্রাম আদালতে স্বল্প খরচে, অল্প সময়ে বিচার পাওয়া যায়।