বিশেষ প্রতিনিধি ॥ ইয়ুথ এনগেজমেন্ট অ্যান্ড সাপোর্ট (ইয়েস) ও সচেতন নাগরিক কমিটি (সনাক)-টিআইবি, কুষ্টিয়ার আয়োজনে গতকাল মঙ্গলবার (৫ মে) কুষ্টিয়া জেলা শিল্পকলা একাডেমির সম্মেলন কক্ষে ‘‘টেকসই উন্নয়ন ও প্রাতিষ্ঠানিক সুশাসন: তরুণ সংগঠকদের করণীয়’’ শীর্ষক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। সনাক সভাপতি আসমা আনসারী মীরুর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত কর্মশালাটি পরিচালনা করেন টিআইবি’র সিভিক এনগেজমেন্ট বিভাগের কো-অর্ডিনেটর কাজী শফিকুর রহমান।
তিনি বলেন, টেকসই উন্নয়নের জন্য দারিদ্র বিমোচন করতে হবে এবং দারিদ্র বিমোচনের ক্ষেত্রে আইনের শাসন গুরুত্বপূর্ণ। আইনের শাসন নিশ্চিত করতে প্রাতিষ্ঠানিক সুশাসনের বিকল্প নেই। এছাড়াও তিনি কর্মশালায় প্রাতিষ্ঠানিক সুশাসনের মূল উপাদান ও বৈশিষ্ট সমূহ, চ্যালেঞ্জ, উত্তরণের উপায়, টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট পরিচিতি, লক্ষ্যমাত্রাসমূহ, তথ্য অধিকার আইন ও প্রাতিষ্ঠানিক সুশাসন বিষয়সমূহ উপস্থাপন করেন।
শুভেচ্ছা বক্তব্যে সনাক সদস্য তারিকুল হক তারিক বলেন, তরুণ সংগঠকদের কাছে আমাদের প্রত্যাশা, তারা নিজেরা সুশাসনের চর্চা করবে এবং সমাজে টেকসই ও ন্যায়ভিত্তিক উন্নয়নের জন্য সক্রিয় ভূমিকা রাখবে। তাদের ছোট ছোট উদ্যোগই ভবিষ্যতে বড় পরিবর্তন আনতে পারে। টিআইবি’র সিভিক এনগেজমেন্ট বিভাগের ক্লাস্টার কো-অর্ডিনেটর ফিরোজ উদ্দীন কর্মশালার লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যসমূহ উপস্থাপন করেন। তিনি বলেন, আগামীর বাংলাদেশ, তরুণদের বাংলাদেশ। তরুণরাই পারে এই দেশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে এবং অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে। কর্মশালায় টিআইবি’র দুর্নীতিবিরোধী শপথ পাঠ করান আসমা আনসারী মীরু।
সভাপতি বক্তব্যে আসমা আনসারী মীরু বলেন, তরুণ সমাজকে জাগ্রত করতে পারলে দুর্নীতি প্রতিরোধ করা সম্ভব হবে। নিজে সচেতন থাকলে দুর্নীতি গ্রাস করতে পারবে না। কর্মশালাটি সঞ্চালণা করেন ফিরোজ উদ্দীন। কর্মশালায় জেলার স্থানীয় ১৮টি সংগঠনের ৪৪ জন তরুণ প্রতিনিধি অংশগ্রহণ করেন। প্রতিনিধিবৃন্দ দুর্নীতি প্রতিরোধ, শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান ও সুশাসন প্রতিষ্ঠায় তরুণদের সংগঠকদের প্রতিবন্ধকতাসমূহ এবং উত্তোরণে করণীয় বিষয়সমূহ উপস্থাপন করেন।
