রবীন্দ্রনাথের সাহিত্য ও দর্শন তরুণদের মাঝে পৌঁছে দিতে হবে: অধ্যক্ষ সোহরাব উদ্দিন - কুষ্টিয়া জিলাইভ | truth alone triumphs

রবীন্দ্রনাথের সাহিত্য ও দর্শন তরুণদের মাঝে পৌঁছে দিতে হবে: অধ্যক্ষ সোহরাব উদ্দিন 

লেখক: প্রতিবেদক ঢাকা
প্রকাশ: মে ৪, ২০২৬

বিশেষ প্রতিনিধি ॥ কুষ্টিয়ায় উদযাপন হতে যাচ্ছে বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৬৫তম জন্মবার্ষিকী। যথাযোগ্য মর্যাদায় জন্মবার্ষিকী উদযাপনের লক্ষ্যে কুষ্টিয়া জেলা প্রশাসনের আয়োজনে এক প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল রবিবার (৩ মে) সকাল সাড়ে ১০ টায় জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে এ সভায় সভাপতিত্ব করেন ভারপ্রাপ্ত জেলা প্রশাসক ও স্থানীয় সরকার শাখার উপ পরিচালক (উপসচিব) আহমেদ মাহবুব-উল ইসলাম।

অনুষ্ঠানে কুষ্টিয়া জেলা পরিষদের প্রশাসক ও বিএনপির স্থানীয় সরকার বিষয়ক সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা অধ্যক্ষ সোহরাব উদ্দিনসহ জেলা প্রশাসনের উর্দ্ধোতন কর্মকর্তা, জেলা পুলিশের কর্মকর্তা, সেনাবাহিনীর কর্মকর্তা, জেলার বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, সাংস্কৃতিক সংগঠনের প্রতিনিধি এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন। সভায় জন্মবার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষ্যে বিস্তারিত কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়। এ কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে কবিগুরুর প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন, আলোচনা সভা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, রবীন্দ্রসঙ্গীত পরিবেশন এবং কবিতা আবৃত্তি।

এসময় ভারপ্রাপ্ত জেলা প্রশাসক আহমেদ মাহবুব-উল ইসলাম বলেন, আগামী ২৫ বৈশাখ ০৮ মে যথাযথ মর্যাদায় বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এর ১৬৫তম জন্মবার্ষিকী উদযাপন করা হবে। জেলার কুমারখালি উপজেলার শিলাইদহে কুঠিবাড়ির আঙিনায় দিনটিকে ঘিরে নানা কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে।

এছাড়া জেলা পরিষদের প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা অধ্যক্ষ সোহরাব উদ্দিন বলেন, বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সাহিত্য, দর্শন ও মানবতাবাদী চিন্তা আজও আমাদের সমাজে প্রাসঙ্গিক। নতুন প্রজন্মের মাঝে তাঁর আদর্শ ছড়িয়ে দিতে এমন আয়োজন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তিনি বলেন, কুষ্টিয়া জেলা সাংস্কৃতিক রাজধানী নামে পরিচিত। এই জেলার মানুষ সাহিত্য ও সংস্কৃতির প্রতি সবসময়ই অনুরাগী। তাই আমি বিশ্বাস করি, জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে আয়োজিত এই জন্মবার্ষিকী উদযাপন হবে যথাযোগ্য মর্যাদাপূর্ণ এবং অংশগ্রহণমূলক। আমরা যেন সকলে মিলে এই আয়োজনকে সফল করি।

বিশেষ করে নতুন প্রজন্মের মাঝে রবীন্দ্রনাথের সাহিত্য ও দর্শন পৌঁছে দিতে আমাদের আরও আন্তরিক হতে হবে। প্রসঙ্গত: সফলভাবে অনুষ্ঠান সম্পন্ন করতে জেলা প্রশাসনের পাশাপাশি সকলের সার্বিক সহযোগিতার জন্য এই প্রস্তুতিমূলক সভার আয়োজন করা হয়। উল্লেখ্য, যখন পড়বে না মোর পায়ের চিহ্ন এই বাটে, এই বিখ্যাত সংগীতসহ ২ হাজার ২৩২টি গানের অধিকাংশই কুষ্টিয়া জেলার কুমারখালি উপজেলার এই শিলাইদহে বসে লিখেছেন কবি গুরু। এখান থেকেই গীতাঞ্জলী অনুবাদ করে ১৯১৩ সালে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর প্রথম বাঙ্গালী হিসেবে সাহিত্যে অর্জন করেছেন নোবেল পুরুস্কার।