মহান স্বাধীনতা দিবসে কুষ্টিয়া জেলা বিএনপির শ্রদ্ধা নিবেদন - কুষ্টিয়া জিলাইভ | truth alone triumphs

মহান স্বাধীনতা দিবসে কুষ্টিয়া জেলা বিএনপির শ্রদ্ধা নিবেদন

লেখক: প্রতিবেদক ঢাকা
প্রকাশ: মার্চ ২৬, ২০২৬

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি কুষ্টিয়া জেলা শাখার আয়োজনে মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েছে দলটির নেতাকর্মীরা। দিবসটি উদযাপনে বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) সকাল ১১টার দিকে এ কর্মসূচিতে কুষ্টিয়া পৌর সভা বিজয় উল্লাস চত্বর থেকে একটি র‍্যালি বের হয়ে কুষ্টিয়া-ঝিনাইদহ মহাসড়ক প্রদক্ষিণ করে। র‍্যালিটি শহরের এই গুরুত্বপূর্ণ মহাসড়ক ঘুরে কুষ্টিয়া কালেক্টরেট চত্বরে কেন্দ্রীয় শহীদ স্মৃতিস্তম্ভ প্রাঙ্গণে গিয়ে শেষ হয়। এতে কুষ্টিয়া জেলা বিএনপির আহবায়ক কুতুব উদ্দিন আহমেদ ও সদস্য সচিব ইঞ্জিনিয়ার জাকির হোসেন সরকার এর সার্বিক তত্বাবধানে, শৃঙ্খলারা সাথে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন নেতাকর্মীরা।

এ কর্মসূচিতে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, বিএনপি চেয়ারম্যান উপদেষ্টা সদস্য ও কুষ্টিয়া জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি, সাবেক এমপি বীর মুক্তিযোদ্ধা সৈয়দ মেহেদী আহমেদ রুমী। কুষ্টিয়া জেলা বিএনপির সাবেক মহিলা বিষয়ক সম্পাদিকা সৈয়দা ফাহিমা বানু, জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম সম্পাদক আক্তারুজ্জামান কাজল মজমাদার, জেলা বিএনপির সাবেক আইন বিষয়ক সম্পাদক বিজ্ঞ পিপি অ্যাডভোকেট আব্দুল মজিদ ও সাবেক কোষাধ্যক্ষ জয়নাল আবেদীন প্রধান, সদর উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি বশিরুল আলম চাঁদ, সদর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জাহিদুল ইসলাম বিপ্লব, পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক কামাল উদ্দিন, জেলা যুবদলের সাবেক সভাপতি আল আমীন রানা কানাই ও সাবেক সিনিয়র সহ সভাপতি মেজবাউর রহমান পিন্টু, পৌর বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহবায়ক অ্যাডভোকেট খাদিমুল ইসলাম, জেলা বিএনপির সদস্য শহিদুজ্জামান খোকন, আব্দুল মঈদ বাবুল, আবু তালেব, সদর উপজেলা বিএনপি সাংগঠনিক সম্পাদক জিহাদুজ্জামান জিকুসহ হাজারো অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা অংশ নেন।

এসময় সাবেক এমপি সৈয়দ মেহেদী আহমেদ রুমী বলেন, ১৯৭১ সালের সংকটময় মুহূর্তে জিয়াউর রহমান দেশের স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়ে জাতিকে সংগঠিত করার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। তার সাহসী নেতৃত্ব মুক্তিযোদ্ধাদের অনুপ্রাণিত করেছিল এবং স্বাধীনতার লড়াইকে আরও বেগবান করেছিল। স্বাধীনতার মহান লক্ষ্য ছিল একটি গণতান্ত্রিক ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তোলা। কিন্তু টানা ১৭ বছর আওয়ামী সরকার ক্ষমতায় থেকে দেশের জন্য কিছুই করেনি। বর্তমানে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি রাষ্ট্র পরিচালনার সুযোগ পেয়েছে। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের পুত্র বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশ উন্নত অগ্রযাত্রায় এগিয়ে যাবে। আপনারা ইতিমধ্যে দেখেছেন দেশ নায়ক তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর থেমে নেই, তার পিতার দেখানো পথে হাটছেন। নির্বাচনের আগে কথা দিয়েছিলেন ফ্যামিলি কার্ড, কৃষি কার্ড পাবে সেগুলো বাস্তবায়নের জন্য উদ্বোধন করেছেন। আশাকরি সারা দেশের মানুষ এর সুবিধা পাবে ইনশাআল্লাহ। যাদের ১০ হাজারের ঋণ ছিলো তা মওকুফ করেছে। চাষীরা যাতে নির্বিগ্নে ফসল উৎপাদন করতে পারে, সে লক্ষ্যে খাল খনন কাজের উদ্বোধন করা হয়েছে। এছাড়া শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে তিনি মহান মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের আত্মত্যাগের কথা স্মরণ করেন এবং তাদের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। পাশাপাশি দেশের সার্বিক উন্নয়ন ও জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠায় কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।

এছাড়া কুতুব উদ্দিন আহমেদ বলেন, “আজকের এই মহান দিনে আমরা গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করছি ১৯৭১ সালের বীর শহীদদের, যাদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে আমরা পেয়েছি আমাদের প্রিয় স্বাধীন বাংলাদেশ। মহান স্বাধীনতা দিবস দেশের ইতিহাসে একটি গৌরবময় দিন। এ দিনের চেতনা ধারণ করে মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠায় সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।

এদিকে ইঞ্জিনিয়ার জাকির হোসেন সরকার বলেন, মহান স্বাধীনতার ঘোষক ছিলেন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। স্বাধীনতার পর তিনি দেশের পুনর্গঠন, অর্থনৈতিক উন্নয়ন এবং বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় অগ্রণী ভূমিকা রাখেন। তার রাষ্ট্রনায়কসুলভ চিন্তা-ভাবনা বাংলাদেশকে একটি শক্তিশালী ও আত্মনির্ভরশীল রাষ্ট্রে পরিণত করার পথ দেখিয়েছিল। আজকের এই দিনে আমরা তার আদর্শ থেকে শিক্ষা নিয়ে, তারই সুযোগ্য পুত্র তারেক রহমানের নেতৃত্বে মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠায় কাজ করার অঙ্গীকার করি। শহীদ জিয়ার স্বপ্নের বাংলাদেশ গড়াই হোক আমাদের লক্ষ্য।