ঈদকে সামনে রেখে দম ফেলার ফুরসত নেই টেইলার্সে - কুষ্টিয়া জিলাইভ | truth alone triumphs

ঈদকে সামনে রেখে দম ফেলার ফুরসত নেই টেইলার্সে

লেখক: প্রতিবেদক ঢাকা
প্রকাশ: মার্চ ১০, ২০২৬

বিশেষ প্রতিনিধি ॥ পবিত্র ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে কুষ্টিয়া শহরের বিভিন্ন টেইলার্সে এখন ব্যস্ততার চরম সময় চলছে। সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত পোশাক তৈরি ও ডেলিভারির কাজে দম ফেলার ফুরসত নেই দর্জিদের। ঈদের নতুন পোশাকের অর্ডার সামাল দিতে হিমশিম খাচ্ছেন অনেকেই। কুষ্টিয়া শহরের ইব্রাহিম প্লাজার শিল্পী টেইলার্সের স্বত্বাধিকারী কিরন মাহমুদ জানান, ঈদুল ফিতরের আগে প্রতি বছরই কাজের চাপ বেড়ে যায়। তবে এবার অর্ডারের পরিমাণ আরও বেশি। তিনি বলেন, “এখন আমাদের দম ফেলার সময় নেই। সকাল থেকে রাত পর্যন্ত কাজ করতে হচ্ছে। সময়মতো গ্রাহকদের পোশাক বুঝিয়ে দিতে সবাই মিলে চেষ্টা করছি।” তার দোকানে বর্তমানে ৭ জন কর্মী কাজ করছেন। এখানে সালোয়ার-কামিজ তৈরিতে ৩৫০ টাকা থেকে ৭০০ টাকা পর্যন্ত মজুরি নেওয়া হয় বলে জানান তিনি।

পাশের খোকন টেইলার্সের স্বত্বাধিকারী খোকন আলী বলেন, ঈদ সামনে এলেই গ্রাহকদের চাপ কয়েকগুণ বেড়ে যায়। অনেকেই আগে থেকে অর্ডার দিলেও শেষ মুহূর্তে এসে নতুন অর্ডার দিচ্ছেন। ফলে দিন-রাত কাজ করেও অর্ডার সামাল দেওয়া কঠিন হয়ে পড়ছে। এদিকে শহরের বঙ্গবন্ধু সুপার মার্কেটের কর্ণফুলি টেইলার্সের মালিকও একই কথা জানান। তিনি বলেন, ঈদ উপলক্ষে বিভিন্ন বয়সী মানুষের পোশাক তৈরির অর্ডার বাড়ছে। বিশেষ করে নারী ও শিশুদের পোশাকের চাহিদা বেশি। শহরের আরেক প্রতিষ্ঠান জুই টেইলার্সের জালাল উদ্দীন মাস্টার বলেন, “কোরবানির ঈদের তুলনায় ঈদুল ফিতরে পোশাক তৈরির চাহিদা বেশি থাকে। তাই এই সময়টা আমাদের জন্য সবচেয়ে ব্যস্ত সময়।” অন্যদিকে অনেক ক্রেতা এখনও টেইলার্স থেকে পোশাক বানিয়ে পরতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন। কুষ্টিয়া শহরের বাসিন্দা গৃহিণী শামীমা খাতুন বলেন, “হাতের তৈরি পোশাক পরলে আরাম লাগে। মাপ অনুযায়ী বানানো হয় বলে ফিটিং ভালো হয়। তাই আমি শিল্পী টেইলার্স থেকেই পোশাক তৈরি করি।” দর্জিরা জানান, ঈদের অন্তত কয়েকদিন আগ পর্যন্ত এ ব্যস্ততা অব্যাহত থাকবে। সময়মতো অর্ডার বুঝিয়ে দিতে তারা দিন-রাত কাজ করে যাচ্ছেন।