কুষ্টিয়ায় ডাকাতি মামলায় স্বেচ্ছাসেবক লীগের নেতাসহ ৯ জনের ১০বছরের সাজা ও অর্থদণ্ড - কুষ্টিয়া জিলাইভ | truth alone triumphs

কুষ্টিয়ায় ডাকাতি মামলায় স্বেচ্ছাসেবক লীগের নেতাসহ ৯ জনের ১০বছরের সাজা ও অর্থদণ্ড

লেখক: প্রতিবেদক ঢাকা
প্রকাশ: সেপ্টেম্বর ২০, ২০২৩
কুষ্টিয়ায় ডাকাতি মামলায় স্বেচ্ছাসেবক লীগের নেতাসহ ৯ জনের ১০বছরের সাজা ও অর্থদণ্ড

কুষ্টিয়া সদর উপজেলার চৌড়হার এলাকায় একটি বাড়িতে ঢুকে পরিবারের সদস্যদের হাত পা মুখ বেধে জিম্মি করে স্বর্নালঙ্কার, নগদ টাকাসহ মূল্যবান মালামাল ডাকাতি মামলায় কুষ্টিয়া সদর উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের আহবায়ক জাকির হোসেনসহ ৯ জনের ১০ বছর কারাদন্ড ও অর্থদন্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত।

কুষ্টিয়ায় ডাকাতি মামলায় স্বেচ্ছাসেবক লীগের নেতাসহ ৯ জনের ১০বছরের সাজা ও অর্থদণ্ড

কুষ্টিয়ায় ডাকাতি মামলায় স্বেচ্ছাসেবক লীগের নেতাসহ ৯ জনের ১০বছরের সাজা ও অর্থদণ্ড

কুষ্টিয়ায় ডাকাতি মামলায় স্বেচ্ছাসেবক লীগের নেতাসহ ৯ জনের ১০বছরের সাজা ও অর্থদণ্ড

বুধবার দুপুর সাড় ১২টায় কুষ্টিয়া জেলা ও দায়রা জজ বিশেষ আদালতের বিচারক মো: আশরাফুল ইসলাম জনার্কীর্ন আদালতে দন্ডপ্রাপ্ত ৩ আসামীসহ অন্যান্য আসামীদের উপস্থিতিতে এই রায় ঘোষনা করেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কুষ্টিয়া জেলা জজ আদালতের রাষ্ট্রপক্ষের কৌসুলি এ্যাড. রফিকুল ইসলাম লালন।

google news

গুগোল নিউজে আমাদের ফলো করুন

সাজাপ্রাপ্তরা হলেন- চৌড়হাস উপজেলা রোডের বাসিন্দা লালন সেখের ছেলে জাকির হোসেন (৪৬), একই এলাকার বাসিন্দা মোশারফ হোসেনের ছেলে উল্লাস (৪০), তৈমুর ইসলাম ওরফে বিপুল (৩৯), রফিকুল ইসলাম (পলাতক), মনির হোসেন ওরফে পিচ্ছি মনির(বন্দুকযুদ্ধে নিহত), সাগর ওরফে জাহাঙ্গীর (পলাতক), আনার ওরফে আনোয়ার (বন্দুকযুদ্ধে নিহত), মধু শিকদার (পলাতক) এবং সাত্তার ওরফে মশিউর রহমান (পলাতক)। একই সাথে এই মামলার চার্জশীট ভুক্ত ও বেকসুর খালাসপ্রাপ্তরা হলেন- সুমন, রবিউল ইসলাম, ছলেমান ওরফে রানা এবং সোহেল রানা। তাদের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ রাস্ট্রপক্ষ সন্দেহাতীত প্রামান করতে পারেনি আদালতে।

আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০০৯ সালের ২১ জুলাই রাত ১১ টায় কুষ্টিয়া সদর উপজেলার মতিমিয়ার রেলগেট এলাকার বাসিন্দা নুরুল ইসলামের বাড়িতে ঢুকে বাড়ির সকল সদস্যদের জড়ো করে রশি ও ব্যবহার্য কাপড় চোপড় দিয়ে হাত পা মুখ বেধে মারধর করে লকারের চাবি ছিনিয়ে নিয়ে প্রায় ১০ ভড়ি স্বর্নালঙ্কার, নগদ টাকাসহ মূল্যবান মালামাল লুটপাট করে অজ্ঞাত ডাকাত দল পালিয়ে যায়। ঘটনাস্থল থেকে ডাকাত দল ডাকাতি শেষে মালামাল নিয়ে চলে যাওয়ার পর বাড়ির লোকজন শোর চিৎকার করলে নিকটস্থ এলাকাবাসীরা এসে তাদের উদ্ধার করে। এঘটনায় আক্রান্ত ওই পরিবারের গৃহকর্মী বেগম ফরিদা ইসলাম পরদিন ২২ জুলাই, ২০০৯ তারিখে বাদি হয়ে কুষ্টিয়া সদর থানায় অজ্ঞাতনামা আসামীদের বিরুদ্ধে ডাকাতির অভিযোগ এনে মামলা করেন।

মামলাটি তদন্ত শেষে তদন্তকারী কর্মকর্তা কুষ্টিয়া সদর থানার উপ পুলিশ পরিদর্শক হারাধন কুন্ডুৃ ২০১১ সালের ১২ ফেব্রুয়ারী ১২ জনের বিরুদ্ধে ডাকাতি ঘটনায় জড়িত অভিযোগ এনে আদালতে চার্জশীট দাখিল করেন। দন্ডপ্রাপ্ত আসামীদের মধ্য থেকে ৩জনের দায় স্বীকার করত: ১৬৪ ধারা জবানবন্দিতে আদালতে বক্তব্য দেন।

রাষ্ট্রপক্ষের কৌসুলি এ্যাড. রফিকুল ইসলাম লালন জানান,‘কুষ্টিয়া সদর থানার এই ডাকাতি মামলাটি মূলত: আন্ত:জেলা ডাকাত দলের সংঘটিত একটি ডাকাতির ঘটনা ছিলো। এমামলায় অভিযোগ পত্রভুক্ত ১২জনের মধ্যে ৯জনের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ সন্দেহাতীত প্রমান করতে রাষ্ট্রপক্ষ সক্ষম হওয়ায় তাদের প্রত্যেকের পৃথক ভাবে ১০বছর করে সশ্রম কারাদন্ডসহ ১০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও ৬মাসের সাজাভোগের আদেশ দিয়েছেন আদালত।

তবে এবিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানতে কুষ্টিয়া জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক মানব চাকীর মুঠোফোনে প্রতিবেদকের সাথে আলাপকালে তিনি জানান,‘হ্যা আমি শুনেছি ডাকাতি মামলায় স্বেচ্ছাসেবক লীগের এক নেতার সাজা হয়েছে’। আমার প্রতিক্রিয়া হলো- ‘আমরা সাংগঠনিক ভাবেই এই মামলার রায়কে মোকাবিলা করতে উচ্চ আদালতে যাবো’।

আরও পড়ুন: