দৌলতপুরে পুলিশের হেফাজত থেকে হ্যান্ডকাফ নিয়ে পালিয়েছে পিতা-পুত্র : গ্রামবাসীর ওপর পুলিশের লাঠিচার্জ - কুষ্টিয়া জিলাইভ | truth alone triumphs

দৌলতপুরে পুলিশের হেফাজত থেকে হ্যান্ডকাফ নিয়ে পালিয়েছে পিতা-পুত্র : গ্রামবাসীর ওপর পুলিশের লাঠিচার্জ

লেখক: প্রতিবেদক ঢাকা
প্রকাশ: জুন ৯, ২০২৩
দৌলতপুরে পুলিশের হেফাজত থেকে হ্যান্ডকাফ নিয়ে পালিয়েছে পিতা-পুত্র : গ্রামবাসীর ওপর পুলিশের লাঠিচার্জ

কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে পুলিশের হেফাজত থেকে হ্যান্ডকাফ নিয়ে পালিয়েছে পিতা-পুত্র। ঠিকাদারের নিম্ন মানের রাস্তার কাজে বাঁধা দেওয়ার ঘটনায় অভিযোগের প্রেক্ষিতে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে গ্রামবাসীর ওপর বেধড়ক লাঠিচার্জ করে।

দৌলতপুরে পুলিশের হেফাজত থেকে হ্যান্ডকাফ নিয়ে পালিয়েছে পিতা-পুত্র : গ্রামবাসীর ওপর পুলিশের লাঠিচার্জ

দৌলতপুরে পুলিশের হেফাজত থেকে হ্যান্ডকাফ নিয়ে পালিয়েছে পিতা-পুত্র : গ্রামবাসীর ওপর পুলিশের লাঠিচার্জ

দৌলতপুরে পুলিশের হেফাজত থেকে হ্যান্ডকাফ নিয়ে পালিয়েছে পিতা-পুত্র : গ্রামবাসীর ওপর পুলিশের লাঠিচার্জ

এসময় পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে হানিফ (৪৮) ও তার ছেলে সজল (২২) কে আটক করে তাদের হাতে হ্যান্ডকাফ পরায়। পরে ক্ষুব্ধ গ্রামবাসী পুলিশের ওপর চড়াও হয়ে পুলিশকে মারধর ও লাঞ্ছিত করলে সুযোগ পেয়ে হ্যান্ডকাফ নিয়ে পিতা হানিফ ও তার ছেলে সজল পালিয়ে যায়। বুধবার সন্ধ্যায় উপজেলার ফিলিপনগর ইউনিয়নের সিরাজনগর গ্রামে এ ঘটনা ঘটেছে। পুলিশের লাঠিচার্জে এক বৃদ্ধা নারীসহ বেশ কয়েকজন গ্রামবাসী আহতও হয়েছেন।

google news

গুগোল নিউজে আমাদের ফলো করুন

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানাগেছে, উপজেলার সিরাজনগর গ্রামে দৌলতপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এ্যাড. এজাজ আহমেদ মামুনের ঠিকাদারী প্রাতিষ্ঠানের তত্বাবধানে পূর্ব বাহিরমাদী-সিরাজনগর সড়কের নির্মাণ কাজ দেখভাল করছিলেন সুপারভাইজার শফিউল ইসলাম। সড়কের বা রাস্তার কাজ নিম্ন মানের হওয়ায় হানিফ ও তার ছেলে সজলসহ এলাকাবাসী প্রতিবাদ করলে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের সুপারভাইজার শফিউল ইসলাম হানিফের ওপর চড়াও হয়। এসময় এলাকাবাসী সুপারভাইজার শফিউল ইসলামকে মারপিট ও লাঞ্ছিত করে।

এ ঘটনায় ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের স্বত্বাধিকারী দৌলতপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এ্যাড. এজাজ আহমেদ মামুন পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠায়। দৌলতপুর থানার এস আই চিরঞ্জিত সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে গ্রামবাসীর ওপর চড়াও হয়ে বেধড়ক লাঠিচার্জ করে এবং হানিফ ও তার ছেলে সজলকে আটক করে তাদের হাতে হ্যান্ডকাফ পরায়। গ্রামবাসীর ওপর বেধড়ক লাঠিচার্জে তারা ক্ষুব্ধ হয়ে উল্টো পুলিশেকে মারপিট ও লঞ্ছিত করলে সুযোগ পেয়ে হ্যান্ডকাফসহ পিতা-পুত্র পালিয়ে যায়। পুলিশের হেফাজত থেকে হ্যান্ডকাফসহ পিতা-পুত্র পালিয়ে যাওয়ার খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে উত্তেজনা ও আতঙ্ক দেখা দিলে দৌলতপুর থানার ওসি মজিবুর রহমানের নেতৃত্বে থানার অতিরিক্ত ফোর্স ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে।

পরে রাতভর এলাকায় অভিযান চালিয়ে হ্যান্ডকাফসহ পিতা-পুত্রকে আটক ও হ্যান্ডকাফ উদ্ধার করতে ব্যর্থ হয় দৌলতপুর থানা পুলিশ। তবে পুলিশের দাবী হ্যান্ডকাফ উদ্ধার হলেও হ্যান্ডকাফ নিয়ে পালিয়ে যাওয়া পিতা-পুত্রকে আটক করা যায়নি।

ফিলিপনগর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান নঈমুদ্দিন সেন্টু হ্যান্ডকাফ নিয়ে পিতা-পুত্র পালিয়ে যাওয়ার ঘটনাটি নিশ্চিত করে বলেছেন, রাস্তার কাজ নিয়ে এলাকাবাসীর সাথে ঠিকাদারের লোকের বাক-বিতন্ডা হলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে হানিফ ও তার ছেলে সজলকে আটক করে তাদের হাতে হ্যান্ডকাফ পরায়। পরে তারা হ্যান্ডকাফ নিয়ে পালিয়ে যায়।

এ বিষয়ে জানতে গণমাধ্যম কর্মীরা দৌলতপুর উপজেলা চেয়ারম্যান এ্যাড. এজাজ আহমেদকে একাধিকবার ফোন দিলে তিনি ফোন ধরেননি।

হ্যান্ডকাফসহ পিতা-পুত্র পালিয়ে যাওয়ার ঘটনার বিষয়ে দৌলতপুর থানার ওসি মজিবুর রহমান বলেন, পুলিশকে মেরে আসামি পালিয়ে যাওয়ার ঘটনায় হ্যান্ডকাপ উদ্ধার হলেও পলাতক দুই আসামিকে আটক করা সম্ভব হয়নি। তাদের আটকের চেষ্টা চলছে, তবে এ ঘটনায় অপর দু’জনকে আটক করা হয়েছে। পুলিশের ওপর হামলান ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে বলে জানান।

আরও পড়ুন: