কুষ্টিয়া জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারন সম্পাদক ও কৃষক দলের আহবায়কের ইয়াবা সেবনের ভিডিও ভাইরাল
কুষ্টিয়া জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক আবু সাঈদ জাকারিয়া উৎপল ও জেলা কৃষক দলের আহবায়ক আরিফুর রহমান সুমনের ইয়াবা সেবনের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে।

কুষ্টিয়া জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারন সম্পাদক ও কৃষক দলের আহবায়কের ইয়াবা সেবনের ভিডিও ভাইরাল
শুক্রবার (২১ জুলাই) এই ইয়াবা সেবনের ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পর জাতীয়তাবাদী দল ও অঙ্গসংগঠনের নেতা-কর্মীদের মাঝে সমালোচনার ঝড় উঠেছে। ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, একটি রুমের মধ্যে খালি গায়ে জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক আবু সাঈদ জাকারিয়া উৎপল জেলা কৃষক দলের আহবায়ক আরিফুর রহমান সুমনকে ইয়াবা সেবনে সহযোগিতা করছেন।
একাধিক সূত্রে জানা গেছে, ইয়াবা সেবনের ভিডিও ভাইরাল হওয়া বিএনপির অঙ্গ সংগঠনের এই দুই নেতা উৎপল ও সুমন কুষ্টিয়া জেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও সদর উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ইঞ্জিয়ার জাকির হোসেন সরকারের সমর্থিত।
বিষয়টি নিয়ে কুষ্টিয়া জেলা কৃষক দলের আহবায়ক আরিফুর রহমান সুমন বলেন, ভিডিওটা কয়েকমাস আগের। এখানে দৌলতপুরের সাবেক এমপি বাচ্চু মোল্লার ছেলে শিশির মোল্লাও আমাদের সাথে ইয়াবা সেবন করেছে। শিশিরই এই ভিডিও ধারন করেছে। সাবেক এমপি বাচ্চু মোল্লা চক্রান্ত করে আমাদের ভিডিও ধারন করিয়েছে৷ বাচ্চু মোল্লার ছেলে শিশির মোল্লা স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা হওয়ার জন্য আমাদের ডেকে নিয়ে গিয়ে ইয়াবা সেবন করিয়ে ভিডিও করেছে। এই ভিডিও নিয়ে কয়েকমাস আমাদের ব্লাকমেইল করেছেন তারা।
কুষ্টিয়া জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি আবদুল হাকিম মাসুদ বলেন, বিষয়টা কানে আসছে। আমরা এখনো ভিডিওটা দেখিনাই। এই রকম যদি কোন কিছু হয় তাহলে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হবে। তারপর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
![]()
এ ব্যাপারে কুষ্টিয়া-১ (দৌলতপুর) আসনের বিএনপি দলীয় সাবেক সংসদ সদস্য রেজা আহম্মেদ বাচ্চু মোল্লা বলেন, আমার ছেলের বিরুদ্ধে যেই অভিযোগ করা হচ্ছে সেটা মিথ্যা। এটা সম্ভবত কুষ্টিয়ারই ঘটনা। তারা বিষয়টি নিয়ে শুধু শুধু আমাদেরকে দোষারোপ করছেন।
কুষ্টিয়া জেলা বিএনপির সভাপতি সৈয়দ মেহেদী আহম্মেদ রুমী বলেন- মাদক সেবনের সাথে যদি বিএনপির কেউ জড়িত থাকে তাহলে সাংগঠনিকভাবে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।
