স্টাফ রিপোর্টার ॥ গতকাল রোববার (১৮ আগস্ট) সকাল ১১টায় সৈয়দ মাছ-উদ রুমী কলেজের উদ্যোগে কুষ্টিয়ার বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ, সমাজসেবক, কুমারখালী-খোকসা থেকে নির্বাচিত প্রাক্তন সংসদ সদস্য, জেলা উন্নয়ন সমন্বয়কারী ও জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি মরহুম এ্যাড. সৈয়দ মাছ-উদ-রুমীর ২৯তম মৃত্যু বার্ষিকী পালিত হয়েছে।
অধ্যক্ষ চৌধুরী নুরুদ্দীন মোহম্মদ সেলিমের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন, বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য ও কুষ্টিয়া জেলা বিএনপির সভাপতি সাবেক এমপি বীরমুক্তিযোদ্ধা সৈয়দ মেহেদী আহমেদ রুমী। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, কুষ্টিয়া জেলা বিএনপির যুগ্ম-সম্পাদক মিরাজুল ইসলাম রিন্টু, আব্দুর রাজ্জাক বাচ্চু, সাংগঠনিক সম্পাদক খন্দকার শামসুজ্জাহিদ, জেলা যুবদলের সভাপতি আল আমিন রানা, সাধারণ সম্পাদক কামাল উদ্দিন, সিনিয়র সহ-সভাপতি মেজবাউর রহমান পিন্টু, সাবেক ছাত্র নেতা আনোয়ার হোসেন, ভাইস প্রিন্সিপাল শরিফুল ইসলাম, অধ্যাপক সাবিনা আফরোজ মুনমুন, অধ্যাপক শহিদুল ইসলাম, কুষ্টিয়া আর্দশ কলেজের ভাইস প্রিন্সিপাল সালাউদ্দিন। পবিত্র কোরআন তেলোয়াত করেন, অধ্যাপক যুবায়ের হোসেন।
আলোচনা সভা শেষে মরহুমার রুহের মাগফেরাত কামনা করে মোনাজাত পরিচালনা করেন, প্রেশ ইমাম রফিকুল ইসলাম। প্রধান অতিথি তার বক্তব্য বলেন, আইনের শাসন সুপ্রতিষ্ঠিত হলে অন্যায়কারী অপরাধীরা পার পাবে না। অনেকে পালিয়েছেন তারাও পার পাবেন না। চুলচেরা বিশ্লেষণ করে শেখ হাসিনার অপরাধের বিচার হবে। তার অপরাধ জনসম্মুক্ষে প্রকাশ হবে। আইনের শাসন নিশ্চিত করা, বাক স্বাধীনতা নিশ্চিত করা, স্বাধীনভাবে মত প্রকাশের স্বাধীনতাসহ প্রকৃত গণতন্ত্রের শর্ত ও উপাদান পুরণে আবু সাঈদদের আত্মত্যাগ।
তা নাহলে আবু সাঈদদের আত্মা কখনো শান্তি পাবে না। বাংলাদেশেরে যে শ্বাসরুদ্ধকর অবস্থা ছিল, আমরা যে অক্সিজেন গ্রহণ করতে পারতাম না, এই আত্মদানের মধ্য দিয়ে শেখ হাসিনার পরাজয় এবং গণতন্ত্রের শুভ সম্ভাবনার যে পরিবেশ প্রস্তুত হয়েছে, সে জন্য আল্লাহর দরবারে আবু সাঈদসহ সাম্প্রতিক কিশোর কিশোরীদের যেই আন্দোলন, সেই আন্দোলনে যারা আত্মদান করেছেন তাদের প্রত্যেকের রুহের মাগফেরাত কামনা করছি।
