সীমান্তে বিপুল পরিমাণ ভারতীয় মাদকদ্রব্য উদ্ধার - কুষ্টিয়া জিলাইভ | truth alone triumphs

সীমান্তে বিপুল পরিমাণ ভারতীয় মাদকদ্রব্য উদ্ধার

লেখক: প্রতিবেদক ঢাকা
প্রকাশ: এপ্রিল ২২, ২০২৬

দৌলতপুর প্রতিনিধি ॥ কুষ্টিয়া ও মেহেরপুর জেলা  সীমান্ত এলাকায় মাদক ও চোরাচালান প্রতিরোধে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ কর্তৃক জোরদার অভিযান অব্যাহত রয়েছে। এরই অংশ হিসেবে কুষ্টিয়া ব্যাটালিয়ন (৪৭ বিজিবি) এর অধীনস্থ বিভিন্ন বিওপি’র দায়িত্বপূর্ণ সীমান্ত এলাকায় ২০ ও ২১ এপ্রিল পৃথক ও সফল অভিযান পরিচালনা করে বিপুল পরিমাণ ভারতীয় মাদকদ্রব্য উদ্ধার করা হয়েছে।

সুনির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে ২০ এপ্রিল আনুমানিক রাত পৌনে ১১ টার দিকে রংমহল বিওপি’র একটি চৌকষ টহল দল খাসমহল মাঠ এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে মালিকবিহীন অবস্থায় ০৯ বোতল ভারতীয় মদ এবং ১,৩০০ পিস ডেক্সামেথাসন ট্যাবলেট উদ্ধার করে। উদ্ধারকৃত মাদকের আনুমানিক সিজার মূল্য ৪,০৩,৫০০ (চার লক্ষ তিন হাজার পাঁচশত) টাকা। একই দিন আনুমানিক শুভরাজপুর বিওপি’র টহল দল শুভরাজপুর মাঠপাড়া এলাকায় পৃথক অভিযান পরিচালনা করে মালিকবিহীন অবস্থায় ১০ বোতল ভারতীয় মদ এবং ১,০০০ পিস ডেক্সামেথাসন ট্যাবলেট উদ্ধার করে।

উদ্ধারকৃত মাদকের আনুমানিক সিজার মূল্য ৩,১৫,০০০ (তিন লক্ষ পনের হাজার) টাকা। পরবর্তীতে গতকাল মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) আনুমানিক রাত দেড়টার দিকে রংমহল বিওপি’র টহল দল বর্ডার পাড়া এলাকায় অভিযান  পরিচালনা করে মালিকবিহীন অবস্থায় ১৭৫ বোতল ভারতীয় ফেন্সিডিল (ফেয়ারডিল) সিরাপ উদ্ধার করে। উদ্ধারকৃত সিরাপের আনুমানিক সিজার মূল্য ৭০,০০০ (সত্তর হাজার) টাকা।

উদ্ধারকৃত মাদকদ্রব্যের মধ্যে সর্বমোট ১৯ বোতল ভারতীয় মদ, ১৭৫ বোতল ফেন্সিডিল সিরাপ এবং ২,৩০০ পিস ডেক্সামেথাসন ট্যাবলেট রয়েছে, যার মোট সিজার মূল্য ৭,৮৮,৫০০ (সাত লক্ষ আটাশি হাজার পাঁচশত) টাকা। কুষ্টিয়া ব্যাটালিয়ন (৪৭ বিজিবি)  সীমান্ত এলাকায় মাদক, চোরাচালান ও অন্যান্য অবৈধ কার্যক্রম প্রতিরোধে বিজিবি সর্বদা সতর্ক ও তৎপর রয়েছে এবং এ ক্ষেত্রে “জিরো টলারেন্স” নীতি কঠোরভাবে অনুসরণ করা হচ্ছে।

সীমান্তবর্তী এলাকায় গোয়েন্দা তৎপরতা বৃদ্ধি, নিয়মিত টহল জোরদার এবং স্থানীয় জনসাধারণের সহযোগিতার মাধ্যমে এসব অপরাধ দমনে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে। দেশের যুবসমাজকে মাদকের ভয়াবহতা থেকে রক্ষা, আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিজিবির এ ধরনের অভিযান ও কঠোর নজরদারি কার্যক্রম ভবিষ্যতেও আরও জোরদারভাবে অব্যাহত থাকবে।