ঈদ সামনে রেখে দরজি পাড়ায় ব্যস্ততা বেড়েছে, তবে প্রত্যাশা অনুযায়ী অর্ডার পাচ্ছে না - কুষ্টিয়া জিলাইভ | truth alone triumphs

ঈদ সামনে রেখে দরজি পাড়ায় ব্যস্ততা বেড়েছে, তবে প্রত্যাশা অনুযায়ী অর্ডার পাচ্ছে না

লেখক: প্রতিবেদক ঢাকা
প্রকাশ: এপ্রিল ১১, ২০২৩

কুষ্টিয়ায় ঈদকে সামনে রেখে ব্যস্ততা বেড়েছে দরজিদের। তৈরি পোশাক কেনার নানান বিড়ম্বনা এড়িয়ে চলতে চান অনেক ক্রেতা। তাই সঠিক মাপে পছন্দের পোশাক বানাতে ছুটছেন দরজি পাড়ায়। ফলে ঈদের বাজারে ব্যস্ততা বেড়েছে পাড়া-মহল্লার টেইলারিং শপে। সেলাই মেশিনের একটানা শব্দের মধ্যে আনন্দঘন ব্যস্ততায় জেলার দরজিপাড়ার কারিগরেরা।

ঈদ সামনে রেখে দরজি পাড়ায় ব্যস্ততা বেড়েছে, তবে প্রত্যাশা অনুযায়ী অর্ডার পাচ্ছে না

ঈদ সামনে রেখে দরজি পাড়ায় ব্যস্ততা বেড়েছে, তবে প্রত্যাশা অনুযায়ী অর্ডার পাচ্ছে না

ঈদ সামনে রেখে দরজি পাড়ায় ব্যস্ততা বেড়েছে, তবে প্রত্যাশা অনুযায়ী অর্ডার পাচ্ছে না

শহরের বিভিন্ন দরজি দোকান ঘুরে দেখা গেছে এমন চিত্র। তবে প্রত্যাশা অনুযায়ী অর্ডার না পাওয়ার কথা জানান পোশাক তৈরির সঙ্গে জড়িত কারিগরেরা।

সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, রোজার আগ থেকেই কম-বেশি পোশাক তৈরির অর্ডার আসছে। ১০ রোজার পর অর্ডার বেড়েছে। ফলে দম ফেলার সময় নেই। গুরুত্বপূর্ণ অর্ডার ছাড়া নতুন করে আর অর্ডার নেওয়া হচ্ছে না। যেগুলো আগে এসেছিল সেগুলো এখন সময় মতো ডেলিভারি দেওয়ার চ্যালেঞ্জ নিয়ে কাজ চলছে। ঈদের পর এই ব্যস্ততা আর থাকে না।

google news

গুগোল নিউজে আমাদের ফলো করুন

অনেকেই নিজের রুচি ও স্বাচ্ছন্দ্য বোধের জন্য দরজির মাধ্যমে পছন্দমতো পোশাকটি তৈরি করিয়ে নেন। ঈদ সামনে রেখে শুরু হয়েছে সব বয়সের মানুষের পোশাক তৈরির শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি।

কুষ্টিয়া কুমারখালী সমকাল টেইলার্স এর কাটিং মাষ্টার নির্মল বলেন, ‘রোজার আগে থেকেই পোশাকের অর্ডার আসছে, তবে এ বছর অনেকটা কম। কারিগরেরা পোশাক তৈরি করে নিয়মিত ডেলিভারি দিচ্ছে।

কুষ্টিয়া সদর উপজেলার কারিগর মেহেদী হাসান বলেন, ‘গত বছরে করোনার কারণে কাজ কম ছিল। ফলে কোনো রকম ব্যবসা হয়েছিল। তবে এবার ঈদ কে সামনে রেখে অর্ডার পাচ্ছি। ঈদের পর অর্ডার কুমে যায়। এটা এখন সিজেনারী ব্যবসার মতো হয়ে গেছে।

খোকসা বাজারের ব্যবসায়ী ও টেইলার্স পলাশ বলেন, ‘গত দুই বছরে করোনার প্রকোপ থাকায় কাজ কম ছিল। ফলে কোনো রকম ব্যবসা হয়েছিল। এবার প্রচুর অর্ডার পাব ভেবেছিলাম, কিন্তু আশানুরূপ হয়নি।’

ব্যবসায়ী সুমি আক্তার সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, ‘সারা বছর যে পরিমাণ কাজ হয়; তার চেয়ে দুই ঈদে কাজের পরিমাণ বেশি। তবে গত দুই বছরের তুলনায় এবার অর্ডার পাচ্ছি ভালো। ঈদবাজারে এক সেট সালোয়ার-কামিজের মজুরি ধরা হচ্ছে ২৫০ থেকে ৩০০ টাকা।’

টেইলার্স মাস্টার কাঞ্চন বলেন, পুরুষদের অর্ডার মোটামুটি পাচ্ছি। শার্ট ও প্যান্টের অর্ডার কম। তবে পাঞ্জাবি ও পায়জামার অর্ডার আছে বেশি। পুরুষের শার্টের মজুরি ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকা, প্যান্ট ৪৫০, পাঞ্জাবি-পায়জামা ৫০০ টাকা।

মনোয়ার হোসেন বলেন, ‘ঈদকে সামনে রেখে জামা বানাতে দরজির দোকানে এসেছি। তৈরি পোশাক থেকে তৈরি জামা আমার ভালো লাগে। এর পাশাপাশি বিভিন্ন ধরনের রঙের লেস ব্যবহার করে পোশাকে পছন্দমতো ডিজাইন করা যায়।’

দরজির দোকানে কথা হয় ছোট্ট শিক্ষার্থী মাইম এর সঙ্গে। সে বলে, ‘মার্কেট থেকে পোশাক কিনলে অন্যের পোশাকের সঙ্গে মিলে যাবে। তাই নিজের পছন্দ আর চাহিদামতো পোশাক তৈরি করছি।

আরও পড়ুন: