সাবেক এমপি অধ্যাপক শহিদুল ইসলামে বিরুদ্ধে ভিত্তিহীন অপপ্রচার - কুষ্টিয়া জিলাইভ | truth alone triumphs

সাবেক এমপি অধ্যাপক শহিদুল ইসলামে বিরুদ্ধে ভিত্তিহীন অপপ্রচার 

লেখক: প্রতিবেদক ঢাকা
প্রকাশ: ফেব্রুয়ারি ১২, ২০২৬

ভেড়ামারা প্রতিনিধি ॥ ভেড়ামারা ছোট্ট স্বর্গ নামের একটি ফেসবুক গ্রুপ থেকে সাবেক জনপ্রিয় এমপি অধ্যাপক শহিদুল ইসলামের বিরুদ্ধে মোটা অংকের টাকা নিয়ে জামায়াত প্রাথীর পক্ষ নেয়ার মিথ্যা ও ভিত্তিহীন অপপ্রচার করার বিরুদ্ধে সাংবাদিক সম্মেলন করেছেন অধ্যাপক শহিদুল ইসলাম  এবং অপপ্রচারকারী গ্রুপের বিরুদ্ধে ভেড়ামারা থানায় একটি জিডি করেছেন। সাংবাদিক সম্মেলনে অধ্যাপক শহিদুল ইসলামে বলন, আজ আমি শুধু একজন ব্যক্তি হিসেবে নয়, একজন সাবেক সংসদ সদস্য, একজন মুক্তিযোদ্ধা এবং একজন রাজনৈতিক কর্মী হিসেবে গভীর ক্ষোভ ও প্রতিবাদ জানাতেআপনাদের সামনে উপস্থিত হয়েছি।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আমার বিরুদ্ধে যে মিথ্যা, বানোয়াটও ষড়যন্ত্রমূলক অপপ্রচার চালানো হয়েছে, তা পরিকল্পিত রাজনৈতিকচরিত্রহননের অংশ। আমি কুষ্টিয়া-২ আসনের পরপর তিনবারের সাবেক এমপি, বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির অন্যতম সদস্য এবং জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি, বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব অধ্যাপক শহিদুল ইসলাম। গতকাল বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১টা ২০ মিনিটে “ভেড়ামারা ছোট্ট স্বর্গ” নামের একটি ফেসবুক গ্রুপে আমার বিরুদ্ধে ভিত্তিহীন পোস্ট নজরে আসে। অনুসন্ধানে নিশ্চিত হয়েছি গ্রুপটির একমাত্র এডমিন এস এম আলওবায়দা আল-মাহেদী।

এডমিনের অনুমোদন ছাড়া কোনো পোস্ট প্রকাশ সম্ভব নয়। অর্থাৎ এটি পরিকল্পিতভাবে প্রচার করা হয়েছে। একটি কুচক্রী মহল আমার দীর্ঘ রাজনৈতিক ও সামাজিক সম্মানধ্বংস করার অপচেষ্টা করছে। তারা ভেবেছে মিথ্যার আশ্রয় নিয়ে জনমনে বিভ্রান্তি ছড়াবে। কিন্তু আমি পরিষ্কার করে বলতে চাই সত্যকে কখনো মিথ্যা দিয়ে ঢেকে রাখা যায় না। আমিসংশ্লিষ্ট সকলকে সতর্ক করছি এই অপপ্রচার অবিলম্বেবন্ধ না করলে কঠোরআইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনসহ প্রচলিত সকল আইনের আওতায় মামলা দায়ের করা হবে এবং দোষীদের আইনের কাঠগড়ায় দাঁড় করানো হবে। আমার সম্মান নিয়ে কেউ খেলতে পারবে না। রাজনৈতিক মতভেদ থাকতে পারে, কিন্তু চরিত্রহনন গণতান্ত্রিক রাজনীতির অংশ নয়। আমিএই ঘৃণ্য অপচেষ্টার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। সাংবাদিক সম্মেলন শেষে তিনি ভেড়ামারা থানায় অপপ্রচারকারী এসএম আল ওবায়দা আল-মাহেদীর বিরুদ্ধে জিডি করেন।