শিল্পোদ্যোক্তা আলাউদ্দিন আহমেদ ‘শতাব্দী পুরুষ’ সম্মাননায় ভূষিত - কুষ্টিয়া জিলাইভ | truth alone triumphs

শিল্পোদ্যোক্তা আলাউদ্দিন আহমেদ ‘শতাব্দী পুরুষ’ সম্মাননায় ভূষিত

লেখক: প্রতিবেদক ঢাকা
প্রকাশ: মার্চ ১৪, ২০২৬

কুমারখালী প্রতিনিধি ॥ শিল্প, স্বাস্থ্য, শিক্ষা, আবাসন, মানবিক দানশীলতা ও সমাজ গঠনে আজীবন অনন্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ বিশিষ্ট সমাজসেবক ও শিল্পোদ্যোক্তা আলাউদ্দিন আহমেদ-কে “শতাব্দী পুরুষ” সম্মাননায় ভূষিত করা হয়েছে। গতকাল শুক্রবার (১৩ মার্চ) সন্ধায় কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলার আলাউদ্দিন নগরে অবস্থিত আলাউদ্দিন আহমেদ শিক্ষাপল্লী পার্ক লিমিটেডের আয়োজিত অনুষ্ঠানে তাকে সম্মাননা প্রদান করেন এলাকাবাসী। অনুষ্ঠানে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, সুধীসমাজ, তাঁর প্রতিষ্ঠিত বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ এবং সমাজের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের উপস্থিতিতে এক অনাড়ম্বর হলেও গৌরবময় পরিবেশের সৃষ্টি হয়।

অনুষ্ঠানের শুরুতে অতিথিদের শুভেচ্ছা বক্তব্যের মাধ্যমে সম্মাননা পর্বের সূচনা করা হয়। পরে আলাউদ্দিন আহমেদ এর জীবন, কর্ম ও সমাজকল্যাণমূলক অবদান নিয়ে একটি প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়। এরপর সম্মাননাপত্র পাঠ করা হয় এবং অতিথিবৃন্দ সম্মানিত ব্যক্তির হাতে সম্মাননাপত্র, উত্তরীয় ও সম্মাননা ক্রেস্ট তুলে দেন। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্যে জেলা সমাজসেবা অধিদপ্তরের উপপরিচালক আব্দুল লতিফ বলেছেন, শিল্প প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে কর্মসংস্থান সৃষ্টি, স্বাস্থ্যসেবায় মানবিক উদ্যোগ, শিক্ষা বিস্তারে স্কুল-কলেজ-মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠা, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান নির্মাণ, অবকাঠামো উন্নয়ন এবং দরিদ্র মানুষের কল্যাণে অসংখ্য মানবিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে আলাউদ্দিন আহমেদ একটি উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন।

তাঁর উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত আলাউদ্দিন আহমেদ ফাউন্ডেশন সমাজকল্যাণমূলক কার্যক্রমকে একটি টেকসই প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিয়েছে, যা ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে। তিনি আরও বলেছেন, তাঁর উদ্যোগে এলাকার শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি উন্নয়ন, আবাসন ব্যবস্থা ও অবকাঠামোগত অগ্রগতিতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে। বিশেষ করে চকরঘুয়া এলাকাকে উন্নয়ন ও আধুনিক সুযোগ সুবিধার মাধ্যমে “আলাউদ্দিন নগর” এ রূপান্তর করার উদ্যোগ স্থানীয় উন্নয়নের এক অনন্য দৃষ্টান্ত হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। সম্মাননা গ্রহণ করে আলাউদ্দিন আহমেদ উপস্থিত সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং ভবিষ্যতেও মানুষের কল্যাণে কাজ করে যাওয়ার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন। অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় পর্বে ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। দোয়া পরিচালনা করেন স্থানীয় ধর্মীয় ব্যক্তিত্ব, যেখানে এলাকার শান্তি, সমৃদ্ধি এবং দেশ জাতির কল্যাণ কামনা করা হয়।