শিক্ষাক্ষেত্রে উন্নতি মানেই সর্বক্ষেত্রে উন্নতি: আশরাফ উদ্দিন নজু - কুষ্টিয়া জিলাইভ | truth alone triumphs

শিক্ষাক্ষেত্রে উন্নতি মানেই সর্বক্ষেত্রে উন্নতি: আশরাফ উদ্দিন নজু

লেখক: প্রতিবেদক ঢাকা
প্রকাশ: জানুয়ারি ৯, ২০২৬

বিশেষ প্রতিনিধি ॥ কুষ্টিয়া জিলা স্কুলের প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা এসএসসি-২০২৬ পরীক্ষার্থীদের মধ্যে ৪০ জন অস্বচ্ছল ও মেধাবী শিক্ষার্থীকে আনুষ্ঠানিকভাবে ফরম পূরণের টাকা প্রদান করেছেন। এ উদ্যোগের মাধ্যমে তাঁরা শিক্ষার প্রসার ও সমাজের উন্নয়নে অবদান রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন। অনুষ্ঠানে সার্বিক ব্যবস্থাপক ও প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্কুলের প্রথম ব্যাচের (১৯৬৬) ছাত্র, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী, সমাজসেবক ও শিশু সংগঠক ‘আশরাফ উদ্দিন নজু’। তিনি বলেন, “আমার দীর্ঘদিনের প্রচেষ্টা এই জন্য যে তোমরা ভালো মানুষ হও। লেখাপড়ার পাশাপাশি ভালো মানুষ হওয়ার জন্য আমাদের এই প্রচেষ্টা।

কুষ্টিয়ার শিক্ষাক্ষেত্রে উন্নতি মানেই সর্বক্ষেত্রে উন্নতি।” তিনি আরও বলেন, এই ফরম পূরণ অনুষ্ঠান চালু করা হয়েছে যাতে অন্যরা দেখে শিখতে পারে এবং এগিয়ে আসে। তাঁদের বন্ধু-বান্ধব ও পরবর্তী ব্যাচের অনেকে এখন পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে ভালো অবস্থানে রয়েছেন। এই উদ্যোগের সঙ্গে যুক্ত অন্য প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা হলেন মমিনুল আজম, শরফুদ্দিন আহম্মদ, আবু ফাতেহ ও আবুল হাসেম। তারা প্রতিবছরই অস্বচ্ছল ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের এভাবে সহায়তা করে আসছেন। গতকাল বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) সকাল ১২ টার দিকে স্কুলের অডিটোরিয়ামে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে পবিত্র কুরআন তিলাওয়াত করেন দশম শ্রেণির ছাত্র আহাদ হোসেন প্রিন্স এবং গীতা পাঠ করেন একই শ্রেণির ছাত্র মুগ্ধ যতি বিশ্বাস।

বাংলাদেশ বার্তা পত্রিকার প্রকাশক ও সম্পাদক আব্দুর রশিদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন কুষ্টিয়া জিলা স্কুলের প্রধান শিক্ষক মুন্সি কামরুজ্জামান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ‘বিশ্বভরা প্রাণ’ সাহিত্য সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক ও বিশিষ্ট ব্যবসায়ী কবি তুলিকা বিশ্বাস। অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন সহকারী প্রধান শিক্ষক আমিরুল ইসলাম, সহকারী শিক্ষক মোল্লা মোঃ মাহাবুবুর রহমান ও মাইনুল হুসাইন। স্কুলের অন্যান্য শিক্ষক, অভিভাবক ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন জীববিজ্ঞান বিষয়ের সিনিয়র শিক্ষিকা মোছা. মাহবুবা বেগম। এ ধরনের উদ্যোগ কুষ্টিয়া জিলা স্কুলের ওইতিহ্যকে আরও সমৃদ্ধ করছে এবং অস্বচ্ছল মেধাবী শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষার আলো ছড়িয়ে দিচ্ছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।