মিরপুরে অবৈধ বিসমিল্লাহ ডায়াগনস্টিক সেন্টারের রমরমা বাণিজ্য
কুষ্টিয়া মিরপুরে বিসমিল্লাহ ডায়াগনস্টিক সেন্টার অবৈধভাবে রমরমা বাণিজ্য চালিয়ে যাচ্ছে। অনুমোদনহীন চলছে। বিসমিল্লাহ ডায়াগনস্টিক সেন্টার নেই আধুনিক পরীক্ষা-নিরীক্ষা করার যন্ত্রপাতি,চিকিৎসক,টেকনিশিয়ান। অবৈধভাবে এই ডায়াগনস্টিক সেন্টার চলছে অদক্ষ জনবল দিয়ে।

মিরপুরে অবৈধ বিসমিল্লাহ ডায়াগনস্টিক সেন্টারের রমরমা বাণিজ্য
জানা যায়, একটি ডায়াগনস্টিক সেন্টারে পরিচালনার ক্ষেত্রে একজন টেকনোলজিস্ট ও দুজন টেকনিশিয়ান থাকার বাধ্যবাধকতা রয়েছে। অথচ নিয়মনীতির কোনো তোয়াক্কা না করে অদক্ষ জনবল দিয়ে পরিচালনা করা হচ্ছে ডায়াগনস্টিক সেন্টার। বিসমিল্লাহ ডায়াগনস্টিক সেন্টার নিয়ে স্থানীয় প্রশাসন নীরব ভূমিকা পালন করছে।
স্থানীয়রা জানান, মিরপুর বিসমিল্লাহ ডায়াগনস্টিক সেন্টারে নেই কোনো মেডিকেল টেকনোলজিস্ট। নামমাত্র টেকনিশিয়ান দিয়ে কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন ডায়াগনস্টিক সেন্টারের মালিকরা .সাইফুল ইসলাম, ওবাইদুল্লাহ, (ভুয়া ডাক্তার) সবুজ, (ভুয়া ফিজিওথেরাপিষ্ট) এই ডায়াগনস্টিক সেন্টারের বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে ল্যাব পিয়ন, আয়া, বাবুর্চি দিয়ে এক্স-রে, ইসিজি, রক্ত সংগ্রহ এবং টেকনিশিয়ান দিয়ে প্যাথলজি, বায়োকেমিস্ট্রি, সেরোলজি ও হরমোনের কাজ করা হচ্ছে। যাদের কোনো নেই প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা। কিছুদিন আগে ওই ডায়াগনস্টিক সেন্টারে সিলগালা করে দেয়া হয়েছিল বলে জানা গেছে।
স্থানীয়রা আরো অভিযোগ করে বলেন সেখানে শুধু ডায়াগনস্টিক সেন্টারে বাণিজ্য হয় না অনৈতিক কাজকর্ম হয়। অবৈধভাবে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে চলছে বিসমিল্লাহ ডায়াগনস্টিক সেন্টারে রমরমা বাণিজ্য। অনেক সময় রোগীরা ভুল রিপোর্টের কারণে পঙ্গুত্ববরণসহ অকালে জীবন হারাতে হয় অনেকের। ডাক্তারদের সেবা দিতে বিভ্রান্তিতে পড়তে হয়। এ ব্যাপারে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কোন মাথা ব্যথা আছে বলে মনে হয়নি।
অনুসন্ধানে জানা গেছে, মিরপুরে বিসমিল্লাহ ডায়াগনস্টিক সেন্টারের মালিক সরকারি নিয়ম-নীতিকে উপেক্ষা করে বছরের পর বছর অবৈধভাবে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে। ক্ষমতার প্রভাব দেখিয়ে বছরের পর বছর বিসমিল্লাহ ডায়াগনস্টিক সেন্টারের সেবার নামে রমরমা বাণিজ্য চালিয়ে যাচ্ছে। এই প্রতিষ্ঠানে নেই কোন প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত দক্ষ টেকনোলজিস্ট। ফলশ্রুতিতে প্রতিষ্ঠানের ভুল প্যাথলজি রিপোর্টের গ্লানি টানতে হচ্ছে রোগীকে দিশেহারা হচ্ছেন দরিদ্র রোগীরা।
এ বিষয়ে মিরপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার জহুরুল ইসলামের সাথে মুঠোফোনে কথা হলে তিনি বলেন এই বিষয়ে আমার জানা নাই আপনার মাধ্যমে জানতে পারলাম তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করিব
মিরপুর বিসমিল্লাহ ডায়াগনস্টিক সেন্টারের মালিক সাইফুল ইসলামের মুঠোফোনে কথা হলে তিনি জানান নিয়মনীতি মেনে চলছে আপনার যা লেখালেখির করেন আমাদের উপর মহলে লোক আছে।
