ভেড়ামারা প্রতিনিধি ॥ কুষ্টিয়া দৌলতপুর উপজেলার পিয়ারপুর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান ও উপজেলা বিএনপির প্রচার সম্পাদক জহুরুল করিম বিশ্বাসের বিরুদ্ধে প্রতিপক্ষ মনিরুজ্জামান মুনতাজকর্তৃক মিথ্যা হয়রানিমূলক সংবাদ সম্মেলন ও প্রাণনাশের হুমকির প্রদান করার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করেছে পিয়ারপুর ইউনিয়ন বিএনপি ও অংগ সংগঠেনের নেতৃবৃন্দ। গতকাল রবিবার (৬ অক্টোবর) বিকেলে সাবেক চেয়ারম্যান বিএনপি নেতা জহুরুল করিমের নিজ বাড়িতে সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন, উপজেলার পিয়ারপুর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান ও উপজেলা বিএনপির প্রচার সম্পাদক জহুরুল করিম বিশ্বাস।
লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, গত ০৪ অক্টোবর ২০২৪ ইং তারিখে আমাদের নামে যে মিথ্যা বানোয়াট সংবাদ সম্মেলন করেছে, তার বিরুদ্ধে আজকে আমাদের সংবাদ সম্মেলন। আপনারা জানেন ২০১৬ সাল থেকে স্বৈরাচারি সরকারের পেটুয়া বাহিনি পুলিশ দিয়ে আমাদের বাড়ি ছাড়া করেছে এবং দৌলতপুর থানায় মিথ্যা নাশকতা মামলা দিয়ে জেল হাজতে পাঠিয়েছে। যে ব্যক্তি ( মনিরুজ্জামান মুনতাজ) আমাদের বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন করেছে ৫ তারিখের আগষ্ট পর্যন্ত সেসহ তাদের রাজপথে পাওয়া যায় নি তারা বুলবুল, রেজাউল চৌধুরী ও টোকেন চৌধুরীর নির্বাচনে তারা সক্রিয় ভূমিকা রেখেছে অনেক প্রমান আছে। আওয়ামীলীগ সন্ত্রাসী নিয়ে আমাদের উপর যে নির্মম অত্যাচার করেছে তা বলার মতো নয়। আমার অফিস ও গোডাউনে রাতে পেট্রোল দিয়ে পুড়িয়ে দিয়েছে।
আমার বড় ছেলের ডিস ও নেটের অফিস ভেঙ্গে লুট করেছে। তার কোনো প্রতিবাদ করতে পারি নাই। দিনের আলোই বুলবুল, রবজেল সহ তার সন্ত্রাসী বাহিনী কামালপুর বাজার থেকে অটো বাইক কেড়ে নিয়ে বিক্রয় করেছে। একটি কথা না বললেই না জলিল হত্যার কথা বলা হয় ইতিপূর্বে আওয়ামীলীগ সভাপতি লালু, বুলবুল বলেছে এখন। এরা শুরু করেছে, জলিল কে কারা মেরেছে দিনের বেলায় তা অনেকেই দেখেছে। যাহারা হত্যা করেছে তাদের সাথে নিয়ে আমাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা অপবাদ করছে। এছাড়াও বিগত ইউপি নির্বাচনে আমাকে হত্যার হুমকি দিয়ে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে ভোটের আগের দিন ভোট বর্জন করায় যা দৌলতপুর থানা বিএনপির সিনিয়র নেতৃবৃন্দ অবগত আছেন।
মাদক ব্যবসায়ী এনামুলকে জনতা পিটিয়েছে সে বর্তমান চেয়ারম্যান বুলবুলের সন্ত্রাসী ক্যাডার এবং যাকে বিএনপির ৬নং ওয়ার্ডের সভাপতি বলা হচ্ছে সে আওয়ামীলীগের ৬নং ওয়ার্ডের সভাপতি। আমি দৃষ্টি আকর্ষণ করছি জেলা বিএনপি’র আহ্বায়ক কুতুব উদ্দিন ও সদস্য সচিব ইঞ্জিনিয়ার জাকির হোসেন সরকারের। আমরা এ সমস্ত বিষয় নিয়ে তীব্র নিন্দা-প্রতিবাদ ও জোর বিচারের দাবি জানাচ্ছি। এসময় স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
