মিরপুর প্রতিনিধি ॥ বিএনপি জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও কুষ্টিয়া-২ (মিরপুর- ভেড়ামারা) আসনের বিএনপি’র মনোনয়ন প্রত্যাশী ব্যারিস্টার রাগীব রউফ চৌধুরী বলেছেন, আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির নেতা-কর্মীদের সকল ভেদাভেদ ভুলে ধানের শীষের পক্ষে কাজ করতে হবে। দলীয় নেতা-কর্মীরা ঐক্যবদ্ধ থাকলে কোনো ষড়যন্ত্রই বিএনপির ধানের শীষের বিজয়কে ঠেকাতে পারবে না।
তাই ছোটবড় সব পর্যায়ের নেতা-কর্মীকে ঐক্যবদ্ধভাবে নির্বাচনি কাজে মাঠে ময়দানে ছড়িয়ে পড়তে হবে,ধানের শীষের পক্ষে। গতকাল শুক্রবার (৩১ অক্টোবর) বিকেলে মিরপুর উপজেলার বারুইপাড়া ইউনিয়নের ছত্রগাছায় নেতার নিজ বাড়ির সামনে নেতৃবৃন্দদের নিয়ে উক্ত মতবিনিময় সভায় আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কুষ্টিয়া-২ (মিরপুর- ভেড়ামারা) আসনের বিএনপি’র নেতাকর্মীদের সাথে মত বিনিময়কালে এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, রাজনীতিতে বিভেদ নয়, ঐক্য প্রতিষ্ঠা করতে চান; বিরোধ নয়, সমন্বয়কে প্রাধান্য দেন।
তিনি মনে করেন, দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশা কোনো ব্যক্তিগত লোভের বহিঃপ্রকাশ নয়, বরং একজন নিবেদিত রাজনৈতিক কর্মীর সাংগঠনিক অধিকার। তবে তিনি সর্বদা দলীয় সিদ্ধান্তকে সর্বোচ্চ প্রাধান্য দেন, যা তাঁর নীতি ও আদর্শের প্রতি অঙ্গীকারের প্রতিফলন। আইনের সঠিক প্রয়োগ এবং সুশাসন প্রতিষ্ঠা হবে ব্যারিস্টার রাগীব রউফের অন্যতম প্রধান অঙ্গীকার। তিনি একটি ন্যায়ভিত্তিক সমাজ গঠনের স্বপ্ন দেখেন, যেখানে আইনের শাসন সুপ্রতিষ্ঠিত হবে এবং প্রতিটি নাগরিক তার প্রাপ্য সম্মান ও স্বাধীনতা ভোগ করতে পারবে।
উন্নত শিক্ষা ব্যবস্থা, আধুনিক স্বাস্থ্যসেবা, কৃষি ও শিল্পে যুগান্তকারী পরিবর্তন এবং পরিবেশবান্ধব অবকাঠামো নিশ্চিত করবেন। গ্রামীণ অর্থনীতির পুনরুজ্জীবন, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পের প্রসার এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টির মাধ্যমে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নত করাই তাঁর প্রধান লক্ষ্য। নারী শিক্ষার প্রসার এবং নারীর ক্ষমতায়নে তিনি বিশেষ গুরুত্ব দেবেন। ধর্মীয় উপাসনালয় গুলোর উন্নয়নেও তিনি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। সকল ধর্মাবলম্বীর ধর্মীয় স্বাধীনতা ও অধিকার রক্ষায় তিনি সচেষ্ট থাকবেন নলেও সভায় জানানো হয়। স্থানীয় নেতাকর্মীরা জানান, ব্যারিস্টার রাগীব রউফ চৌধুরী কুষ্টিয়া-২ আসন পুনরুদ্ধারের জন্য দৃঢ় প্রতিজ্ঞ।
দলীয় ঐক্য, গণতান্ত্রিক সংগ্রাম এবং জনগণের ভালোবাসা সম্মিলিতভাবে এই লক্ষ্য অর্জনে সহায়ক হবে। শহর থেকে প্রত্যন্ত গ্রামে, মিরপুর ও ভেড়ামারার সর্বত্র তাঁর সরব উপস্থিতি এবং জনগণের মাঝে নিরবচ্ছিন্ন গণসংযোগ এক ধরনের আস্থার পরিবেশ তৈরি করেছে। তরুণ, প্রবীণ এবং সাধারণ মানুষ সবাই এখন তাঁকে আগামীর নেতৃত্বের ভবিষ্যৎ মুখ হিসেবে দেখছেন। তিনি ওয়ার্ড থেকে ইউনিয়ন, ইউনিয়ন থেকে উপজেলা পর্যন্ত প্রতিটি স্তরে আধুনিকীকরণ এবং যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছেন। এর মাধ্যমে গ্রামীণ অর্থনীতি পুনরুজ্জীবিত হবে, ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসার ঘটবে এবং সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নত হবে। এ সময় কুষ্টিয়া জেলার মিরপুর- ভেড়ামারা উপজেলা নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
